সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩১°হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৬৪%বাতাস কিমি/ঘবৃষ্টি ০.১ মিমি

বিদেশি ফলের দাম বাড়ায় দেশি ফলে ঝুঁকছেন ক্রেতারা

আমদানি করা ফলের চড়া দামে খুলনায় বাড়ছে দেশি ফলের চাহিদা। আপেল, মালটা, আঙুর, আনার ও কমলার মতো বিদেশি ফলের তুলনায় কম দামে পেঁপে, কলা, তরমুজ, দেশি মালটা, ড্রাগন, আনারস ও আখসহ বিভিন্ন দেশি ফল পাওয়া যাচ্ছে। ফলে পরিবারের চাহিদা মেটাতে অনেক ক্রেতাই এখন বিদেশি ফলের বদলে দেশি ফলে ঝুঁকছেন।

ফল

আমদানি করা ফলের চড়া দামে খুলনায় বাড়ছে দেশি ফলের চাহিদা। আপেল, মালটা, আঙুর, আনার ও কমলার মতো বিদেশি ফলের তুলনায় কম দামে পেঁপে, কলা, তরমুজ, দেশি মালটা, ড্রাগন, আনারস ও আখসহ বিভিন্ন দেশি ফল পাওয়া যাচ্ছে। ফলে পরিবারের চাহিদা মেটাতে অনেক ক্রেতাই এখন বিদেশি ফলের বদলে দেশি ফলে ঝুঁকছেন।

রোববার (১৬ আগস্ট) খুলনা নগরের বিভিন্ন এলাকার খুচরা ফলের বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমদানি করা ফলের দাম বেড়ে যাওয়ায় এসব ফলের বিক্রি আগের তুলনায় কমেছে। বিপরীতে তুলনামূলক কম দামের দেশি ফলের বিক্রি বেড়েছে।

নগরের বাজারগুলোতে বর্তমানে আপেল বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ২৮০ থেকে ৩২০ টাকা, মালটা ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকা, লাল আঙুর ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা, দেশি আঙুর ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, আনার ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা এবং কমলা ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা দরে।

অন্যদিকে দেশি কলা বিক্রি হচ্ছে ডজন ৫০ থেকে ৬০ টাকা, পাকা পেঁপে ৮০ থেকে ১০০ টাকা, ছোট তরমুজ ৬০ থেকে ৭০ টাকা, দেশি মালটা ১০০ থেকে ১২০ টাকা এবং ড্রাগন ১৫০ থেকে ১৭০ টাকা কেজি দরে। আকারভেদে ডাবের দাম ১৩০ থেকে ২৫০ টাকা পিস, বড় আখ ৬০ থেকে ৭০ টাকা লাঠি, আর আনারস ৭০ টাকা পিস ও জোড়া ১২০ থেকে ১৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

খুলনা ময়লাপোতা মোড়ের ফল বিক্রেতা আফজাল শেখ বলেন, আমদানি করা ফলের দাম অনেক বেড়েছে। সে তুলনায় ক্রেতাও কম। বিভিন্ন দেশ থেকে ফল বাংলাদেশে আসতে সাত থেকে ১০ দিন সময় লাগে। এ সময় কিছু ফল শুকিয়ে ওজন কমে যায়, আবার পরিবহনের সময় কিছু ফল নষ্টও হয়। এসব কারণে আমদানি ফলের দাম বাড়ে এবং চাহিদাও কমে যায়। দাম কমলে বিক্রি বাড়বে বলে জানান তিনি।

নগরের দোলখোলা মোড়ের দেশি ফল বিক্রেতা ইউনুস গাজী বলেন, তরমুজের মৌসুম না থাকলেও ছোট আকারের কিছু তরমুজ পাওয়া যাচ্ছে। এগুলোর দামও তুলনামূলক কম। পাকা পেঁপে ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গত বছর একই সময়ে পেঁপের দাম ছিল ১৫০ থেকে ২০০ টাকা কেজি। পাকা কলার সরবরাহও বেড়েছে। ৪০ থেকে ৫০ টাকায় ডজন পাওয়া যাচ্ছে। ফলে দিনের বেলায় দেশি ফলের বিক্রি ভালো হচ্ছে।

তবে দেশি ফলের মধ্যে ডাবের দাম তুলনামূলক বেশি। নগরের সাত রাস্তা মোড়ের ডাব বিক্রেতা হালিম গাজী বলেন, তার দোকানে ডাবের সর্বনিম্ন দাম ১৩০ টাকা। আকারভেদে বড় ডাব ২৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় দাম বেড়েছে। খুলনায় বেশিরভাগ ডাব বাগেরহাট থেকে আসে বলেও জানান তিনি।

ক্রেতাদেরও অনেকে দাম বিবেচনায় দেশি ফল কিনছেন। ফল ক্রেতা পরশ মল্লিক বলেন, বিদেশি ফল কিনতে গেলে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা খরচ হয়ে যায়। একই টাকায় দেশি ফল তিন-চার ধরনের কেনা যায়। তিনি ১০০ টাকা দিয়ে এক কেজি পেঁপে কিনেছেন। পরিবারের সবার জন্য পেঁপে উপকারী হওয়ায় কম দামের এ ফলই কিনেছেন বলে জানান তিনি।

আরেক ক্রেতা জাহানারা খাতুন বলেন, অসুস্থ এক সহকর্মীর জন্য বেদানা ও আপেল কিনছেন। রোগীর জন্য এসব ফল উপকারী হলেও দাম অনেক বেশি। দাম তুলনামূলক কমলে সাধারণ মানুষের জন্য সুবিধা হতো।

ডাব কিনতে আসা জীবন বলেন, প্রায় সব জায়গাতেই ডাবের দাম বেশি। ১৫০ টাকার নিচে ডাব পাওয়া কঠিন। তবে রোগী ও শারীরিক দুর্বলতায় ভোগা মানুষের জন্য ডাবের প্রয়োজন হওয়ায় বেশি দাম দিয়েই কিনতে হচ্ছে। তার মতে, দেশি ফলের দাম আরও কমানো দরকার।

ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের ভাষ্য, আমদানি করা ফলের বাড়তি দামের কারণে দেশি ফলের বাজারে ক্রেতাদের আগ্রহ বাড়ছে। তবে ডাবসহ কিছু দেশি ফলের সরবরাহ কম থাকায় সেগুলোর দামও তুলনামূলক বেশি।

আরিফুর রহমান/কেএইচকে/এএসএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

এআই দিয়ে স্ট্রবেরির জাত উদ্ভাবন: জাপানের Culta এখন বিশ্ববাজারের দিকে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ফলের জাত উদ্ভাবন করে চুক্তিবদ্ধ চাষির মাধ্যমে ব্র্যান্ডেড ফল বিক্রি করা জাপানি স্টার্টআপ Culta অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে আলোচনা চালাচ্ছে; ২০৩২ সালের মধ্যে তাদের লক্ষ্য ৩ হাজার কোটি ইয়েন (১৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার) আয়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

গৃহবন্দি সময় কাটে ফেসবুক-ইউটিউবে, ড্রাগন চাষে সফল ইব্রাহীম

করোনাকালে গৃহবন্দি ছিলেন মাগুরার মো. ইব্রাহীম। কাজের ব্যস্ততা ছিল না। অবসর কাটাতে ফেসবুক ও ইউটিউবে ঘুরে বেড়াতেন। একদিন ড্রাগন ফল চাষের একটি ভিডিও তার নজরে আসে। এরপর একের পর এক ভিডিও দেখতে থাকেন। ধীরে ধীরে ড্রাগন চাষের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। একসময় অনলাইনে দেখা সেই ধারণাকে বাস্তবে রূপ দিতে শুরু করেন চাষ

জাগো নিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

জ্যাম-জেলি নয়, এবার পেয়ারা দিয়ে বানান টক-মিষ্টি তরকারি

আমাদের দেশে পেয়ারা সাধারণত পাকা ফল হিসেবেই বেশি খাওয়া হয়। পাকা পেয়ারা কেটে খাওয়া, জ্যাম, জেলি কিংবা বিভিন্ন মিষ্টি পদে ব্যবহার-এসবই বেশ পরিচিত। কিন্তু পেয়ারা যে শুধু ফল হিসেবে খাওয়ার জন্য নয়, তা জানলে অনেকেই অবাক হতে পারেন। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কাঁচা বা আধাপাকা পেয়ারা দিয়ে নানা ধরনের রান্না করার চল

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()