কঙ্গোতে ইবোলায় মৃত্যু ৪ হাজার ছাড়িয়েছে। সরকারি হিসাবে শুক্রবার পর্যন্ত মারা গেছেন ৪ হাজার ১৮ জন, সাতটি প্রদেশে নিশ্চিত আক্রান্ত ৮ হাজার ৩০০ জন, সুস্থ হয়েছেন ২ হাজারের বেশি।
এবারের প্রাদুর্ভাব শুরু হয় বান্দিবুগিও প্রজাতির ইবোলা ভাইরাস থেকে। এরই মধ্যে এটি ২০১৮ থেকে ২০২০ সালের প্রাদুর্ভাবকে ছাড়িয়ে কঙ্গোর সবচেয়ে বড় ও প্রাণঘাতী ইবোলা মহামারিতে পরিণত হয়েছে। প্রাণহানিতে এটি এখন দ্বিতীয়; ২০১৪ থেকে ২০১৬ সালে গিনি, লাইবেরিয়া ও সিয়েরা লিওনে ২৮ হাজার ৬০০-র বেশি মানুষ আক্রান্ত হন এবং ১১ হাজারের বেশি মারা যান।
কঙ্গো সরকার ও জাতিসংঘ গত মাসে জানিয়েছিল, প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়া ইতুরি প্রদেশের কিছু এলাকায় সংক্রমণ কমার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। তবে পূর্বাঞ্চলে সংক্রমণ দ্রুত ছড়াচ্ছে, প্রতিবেশী নর্থ কিভু প্রদেশেও বিস্তার চলছে।
গত মাসে উত্তর-পশ্চিমের সাউথ উবাঙ্গি প্রদেশকে প্রাদুর্ভাবের সপ্তম প্রদেশ ঘোষণা করা হয়। পূর্ব কঙ্গো থেকে সেখানে যাওয়া এক ব্যক্তি ইবোলায় মারা যাওয়ার পর ওই প্রদেশে সংক্রমণ দেখা দেয়।
প্রতিবেদনটি বাংলা ট্রিবিউনের আন্তর্জাতিক ডেস্কের প্রতিবেদন অবলম্বনে।
ছবি: CDC / Dr. Frederick A. Murphy / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন





মন্তব্য
(০)