কৃষিবিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে 'শত-হাজার-দশ হাজার' কর্মসূচি নিচ্ছে চীন: ১০০টি শীর্ষস্থানীয়, ১ হাজার দ্রুত বর্ধনশীল এবং ১০ হাজার সম্ভাবনাময় প্রতিষ্ঠান। ২৯ সেপ্টেম্বর স্টেট কাউন্সিল ইনফরমেশন অফিসের সংবাদ সম্মেলনে কৃষি ও গ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের (এমএআরএ) উপমন্ত্রী মাইয়েরদান মুগাইতি (Maierdan Mugaiti) এ ঘোষণা দেন। ১৫তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় কৃষিবিজ্ঞানে স্বনির্ভরতার লক্ষ্যের অংশ এটি।
মুগাইতি জানান, চীনের কৃষিতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অবদানের হার ৬৪ শতাংশ ছাড়িয়েছে। সাম্প্রতিক অগ্রগতির উদাহরণ হিসেবে তিনি চীনা গবেষকদের সেই আবিষ্কারের কথা বলেন, একটি মাত্র উদ্ভিদকোষ থেকে কীভাবে পূর্ণাঙ্গ গাছ তৈরি হয়।
গবেষণা চলবে ১১টি অগ্রাধিকার খাতে, যার শীর্ষে ফসল চাষ, প্রাণিসম্পদ ও জলজ চাষ এবং কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ। তাঁর ভাষায়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণার পদ্ধতিতে রূপান্তর আনবে। জাতীয় গবেষণাগার, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে নিজ নিজ মূল কাজে মনোযোগী করা হবে, যাতে একই কাজের নিম্নমানের পুনরাবৃত্তি না হয়।
মুগাইতি বলেন, কৃষিবিজ্ঞানের অর্জন শেষ পর্যন্ত মাঠে কাজে লাগাতে হবে। এ জন্য বিজ্ঞানী ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানো এবং আবিষ্কারকে পণ্য ও চর্চায় রূপ দেওয়ার পথ সহজ করার কথা বলেন তিনি। উদ্যোগগুলোর মধ্যে আছে কৃষিযন্ত্র ও সরঞ্জামের মানোন্নয়ন, কৃষি জৈব উৎপাদনের আধুনিকায়ন এবং 'এআই-প্লাস' কৃষি।
প্রতিবেদনটি অ্যাগনেভিগেটরের জন্য লিখেছেন আমান্ডা লিম।
ছবি: Vmenkov / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: AgNavigator





মন্তব্য
(০)