সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩৩°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৫৯%বাতাস কিমি/ঘ

নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল বিক্রি হচ্ছে ফেসবুক-ইউটিউবে ও দোকানে, হুমকিতে দেশি মাছ

২৫ থেকে ১০২ হাত লম্বা জাল ১ হাজার ১০০ থেকে ৩ হাজার ২০০ টাকায় কুরিয়ারে পৌঁছে যাচ্ছে; মৎস্য অধিদপ্তর বলছে জনবলসংকট, কত অভিযান হয়েছে তার হিসাবও নেই।

মৎস্য

দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে অবৈধ চায়না দুয়ারি জাল। ফেসবুকের অসংখ্য পেজ ও ইউটিউব চ্যানেল থেকে বিজ্ঞাপন দিয়ে এই জাল বিক্রি হচ্ছে, রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানের দোকানেও তা মেলে। মৎস্য অধিদপ্তরের প্রচারপত্রে বলা হয়েছে, এই জালে মাছ, পোনা ও অন্যান্য জলজ প্রাণী নির্বিচারে ধ্বংস হচ্ছে, যা খাদ্যনিরাপত্তার ভিত্তি দেশি মাছ ও জলজ জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি।

চায়না দুয়ারি বা চায়না রিং জাল একধরনের ফাঁদ; দুই পাশের দুয়ার দিয়ে মাছ ও অন্য প্রাণী ঢোকে, কিন্তু বের হতে পারে না। কয়েক হাত থেকে শত হাত লম্বা জালে একটু পরপর রিং বসানো থাকে। মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইনে ‘চায়না দুয়ারি’ শব্দটি না থাকলেও মাটিতে গেঁথে বা অন্য উপায়ে স্থির করা জাল-ফাঁদ ‘ফিক্সড ইঞ্জিন’ হিসেবে নিষিদ্ধ বা নিয়ন্ত্রণযোগ্য। অধিদপ্তরের অভ্যন্তরীণ মৎস্য বিভাগের পরিচালক মোতালেব হোসেনের ভাষ্য, চায়না দুয়ারি জাল ফিক্সড ইঞ্জিনের আওতায় পড়ে এবং অবৈধ; এভাবে চলতে থাকলে খাল-বিল, নদী-নালা, হাওর-বাঁওড়ে একসময় মাছ পাওয়া যাবে না।

‘চাইনা রিং জাল পাকাড়ি বাজার’ নামের একটি ফেসবুক পেজে চলতি বছরের জুলাই-আগস্টে ১৪টি ছবি ও ভিডিও পোস্ট হয়েছে; ২৫ থেকে ১০২ হাত লম্বা জালের দাম ১ হাজার ১০০ থেকে ৩ হাজার ২০০ টাকা বলে উল্লেখ আছে, তবে কারখানার ঠিকানা নেই। বিডি ফিশিং গিয়ার্স, চায়না রিং জাল কালেকশন, চায়না রিং জাল পাইকারি বাজারসহ একই ধরনের নামে বহু পেজ আছে। ভিডিওতে ফোন, হোয়াটসঅ্যাপ ও ইমো নম্বর দেওয়া থাকে; যোগাযোগ করলে কুরিয়ারে জাল পাঠানো হয়, টাকা নেওয়া হয় বিকাশ বা রকেটে। ৫ সেপ্টেম্বর পুরান ঢাকার চকবাজারের এক দোকানি জানান, কেরানীগঞ্জের জিঞ্জিরা থেকে এনে তিনি এই জাল বিক্রি করেন।

অভিযোগ আছে, এই জালের বিক্রি ও ব্যবহার ঠেকাতে মৎস্য অধিদপ্তর কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না। অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক মো. খালেদ কনক বলেন, জাল ও রিং সহজলভ্য, অধিদপ্তরের জনবলসংকট আছে এবং একার পক্ষে এটি নিয়ন্ত্রণ কষ্টকর; পুলিশের সহায়তায় প্রতিদিন অভিযান চলছে। গত ১৩ এপ্রিল সব বিভাগের পরিচালকদের চিঠি দিয়ে অভিযান বাড়াতে বলা হলেও এরপর কত অভিযান বা ভ্রাম্যমাণ আদালত হয়েছে, তার তথ্য অধিদপ্তরে নেই। মোতালেব হোসেনের দাবি, ব্যাপকভাবে জাল জব্দ হচ্ছে এবং কয়েকটি কারখানার বিদ্যুৎ-সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ টেকনোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক মো. শহীদ রেজা জানান, ২০২০-২১ সাল থেকে দেশে এই জালের ব্যবহার ব্যাপক হয়েছে; মাছ থেকে শুরু করে সাপ-ব্যাঙসহ সব ধরনের জলজ প্রাণী এতে আটকা পড়ে বলেই সরকার এটি নিষিদ্ধ করতে বাধ্য হয়। নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে অভিযান জোরদার, প্রয়োজনে শাস্তি এবং প্রচার—তিনটিই দরকার বলে মত তাঁর।

সূত্র: প্রথম আলো

প্রথম আলোদা এগ্রো নিউজ

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

ইলিশের উল্টো যাত্রা

একসময় গল্পটা ছিল উল্টো। পদ্মা-মেঘনার ইলিশ সীমান্ত পেরিয়ে যেত পশ্চিমবঙ্গের বাজারে। কলকাতার বাঙালির কাছে বাংলাদেশের ইলিশ ছিল বিশেষ আকর্ষণের নাম। দুর্গাপূজার আগে বাংলাদেশের ইলিশ ভারতে যাওয়ার খবর নিয়ে সংবাদমাধ্যমে উৎসবের আবহ তৈরি হতো। আর এখন সেই গল্পে যেন হঠাৎ উল্টো পাতা খুলেছে। ভারত থেকে ইলিশ আসছে বাংল

জাগো নিউজ ২৪১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬৭ মিনিটের পড়া
মৎস্য

পদ্মা-মেঘনার ইলিশ কেন এত সুস্বাদু: রহস্য মাছে নয়, তার খাবারে

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা বলছে, মোহনার প্ল্যাঙ্কটনে চর্বি জমেই স্বাদ তৈরি হয়; দেশের ইলিশের মাত্র ২ শতাংশ সরাসরি পদ্মার, বড় ও সুস্বাদু ইলিশের বেশির ভাগ আসে মেঘনার অববাহিকা থেকে।

প্রথম আলো১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

হাতিয়ায় জালে ২৮০ কেজির শাপলাপাতা মাছ, সংরক্ষিত প্রজাতি বিক্রি হলো ৯০ হাজার টাকায়

বন্য প্রাণী আইনে শিকার ও বিক্রি নিষিদ্ধ হলেও মেঘনায় ধরা পড়া সাত মণ ওজনের মাছটি চেয়ারম্যানঘাটে কেটে টুকরা করে বিক্রি হয়েছে; জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বলছেন, মৎস্য আইনে সরাসরি নিষিদ্ধ নয়, তবে বন আইনে বিপন্ন প্রজাতি।

প্রথম আলো১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()