সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৫°বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৯৬%বাতাস কিমি/ঘবৃষ্টি ০.৩ মিমি

ছাদ থেকে খামার: কবুতর পালনে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির নতুন দিগন্ত

একসময় গ্রামের উঠানেই সীমাবদ্ধ ছিল কবুতর পালন। কিন্তু সময় বদলেছে। ইট-পাথরের শহরে এখন ছাদের কার্নিশ, বারান্দা কিংবা ছোট্ট খোপেও দেখা যায় কবুতরের বসতি। শখের পাখি হিসেবে পরিচিত হলেও বর্তমানে কবুতর পালনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অর্থনৈতিক সম্ভাবনা, পুষ্টি নিরাপত্তা এবং স্বনির্ভরতার নতুন গল্প।

লাইভস্টক

একসময় গ্রামের উঠানেই সীমাবদ্ধ ছিল কবুতর পালন। কিন্তু সময় বদলেছে। ইট-পাথরের শহরে এখন ছাদের কার্নিশ, বারান্দা কিংবা ছোট্ট খোপেও দেখা যায় কবুতরের বসতি। শখের পাখি হিসেবে পরিচিত হলেও বর্তমানে কবুতর পালনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অর্থনৈতিক সম্ভাবনা, পুষ্টি নিরাপত্তা এবং স্বনির্ভরতার নতুন গল্প।

বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান বেকারত্ব, নগরায়ন এবং সীমিত আয়ের বাস্তবতায় বিকল্প আয়ের উৎস হিসেবে কবুতর পালন দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। অল্প পুঁজি, স্বল্প জায়গা এবং তুলনামূলক কম ঝুঁকির কারণে এটি এখন শহর-গ্রাম উভয় জায়গাতেই একটি সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

কবুতর পালন একসময় ছিল নিছক শখ কিংবা সৌখিনতা। তবে গত এক দশকে এটি ধীরে ধীরে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের একটি কার্যকর আয়ের উৎসে পরিণত হয়েছে। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হাজারো মানুষ এখন বাণিজ্যিকভাবে কবুতর পালন করছেন।

খামারিরা জানান, উন্নত জাতের কবুতর পালন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক বিপণনের কারণে বাজার সম্প্রসারিত হয়েছে। অনেকেই অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে সরাসরি ক্রেতার কাছে কবুতর বিক্রি করছেন, ফলে মধ্যস্বত্বভোগীর সংখ্যা কমেছে এবং লাভের পরিমাণ বেড়েছে।

বর্তমান বাজারে উন্নত জাতের কবুতরের দাম কয়েক হাজার থেকে শুরু করে কয়েক দশ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে। যেমন ম্যাগপাই, সিরাজী, ফ্যানটেল বা কিং জাতের কবুতর জোড়া প্রতি ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা বা তারও বেশি দামে বিক্রি হতে দেখা যায়। অন্যদিকে দেশি কবুতর ২০০ টাকা থেকে শুরু করে ধাপে ধাপে বাড়তে থাকে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কবুতর পালন একটি 'লো-ইনভেস্টমেন্ট, হাই-রিটার্ন' খাত। একটি জোড়া সুস্থ কবুতর থেকে বছরে একাধিকবার বাচ্চা পাওয়া সম্ভব। সাধারণত একটি কবুতর বছরে ১০-১২ জোড়া পর্যন্ত বাচ্চা দিতে পারে, যা দ্রুত খামারের আকার বাড়াতে সহায়ক।

ডিম থেকে বাচ্চা ফুটতে সময় লাগে মাত্র ১৭-১৮ দিন, এবং জন্মের ৪ সপ্তাহের মধ্যেই সেই বাচ্চা বিক্রিযোগ্য হয়ে ওঠে। ৫-৬ মাস বয়সেই নতুন কবুতর আবার ডিম দেওয়া শুরু করে, ফলে একটি স্বয়ংক্রিয় উৎপাদনচক্র তৈরি হয়। এই ধারাবাহিক উৎপাদনই কবুতর পালনের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক শক্তি।

কবুতরের মাংস শুধু সুস্বাদুই নয়, পুষ্টিগুণেও সমৃদ্ধ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এতে অন্যান্য পোলট্রির তুলনায় প্রোটিনের পরিমাণ বেশি এবং এটি সহজপাচ্য। রোগী, শিশু এবং দুর্বল ব্যক্তিদের জন্য কবুতরের মাংস উপকারী বলে বিবেচিত।

গ্রামীণ পরিবারগুলোতে নিজস্ব চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি অতিরিক্ত উৎপাদন বিক্রি করে আয় বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়। ফলে এটি একইসঙ্গে পুষ্টি ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে।

সমগ্র পৃথিবীতে ২০০ প্রজাতির কবুতর থাকলেও বাংলাদেশে সচরাচার দেখা যায় প্রায় ৩০ প্রজাতির কবুতর। কবুতর কীভাবে মানুষের বশে এসেছে? কীভাবেই বা অগণিত বাঙ্গালির গৃহপালিত পাখিতে পরিণত হলো? এর সঠিক উত্তর জানা নেই। তবে জানা যায়, গৃহপালিত কবুতরের উদ্ভব হয়েছে বুনো কবুতর (কলম্বা লিভিয়া) থেকে। গৃহপালিত এসব কবুতরের বৈজ্ঞানিক নাম দেশীয় কলম্বা লিভিয়া। বাংলাদেশে নানা জাতের কবুতর দেখা যায়।

বাংলাদেশে কবুতরের জাতের মধ্যে গিরিবাজ গ্রাম-শহরের সর্বত্র জনপ্রিয়। তবে কিছু বিদেশি কবুতরও এখন আমাদের দেশে চোখে পড়ে। বিদেশি সেই জাতগুলো এখন বাংলাদেশে নানা নামে পরিচিত হয়ে উঠেছে। সেসব জাতের মধ্যে রয়েছে গোলা, গোলি, ময়ূরপঙ্খী, ফ্যানটেল, টাম্বলার, লোটান, লাহরি, কিং, জ্যাকোবিন, মুকি, সিরাজী, গ্রীবাজ, চন্দন ইত্যাদি। আলাদা আলাদা বৈশিষ্ট্যর কারণে এসব কবুতর বাংলাদেশেও জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

জাত বা ধরনগুলো নির্দিষ্ট নয়। বিভিন্ন গুণাগুণ, বৈশিষ্ট্য, রং, চোখ ইত্যাদির ওপর ভিত্তি করে কবুতরের জাত নির্ধারণ করা হয়। এছাড়া ক্রস ব্রিডিং-এর মাধ্যমেও নতুন জাত তৈরি হয়ে থাকে।

হোমিং পিজিয়ন থেকে হোমার শব্দটি বাংলাদেশে বিস্তৃতি পেয়েছে। খুব দ্রুত বেগে উড়তে পারে বলে উড়াল প্রতিযোগিতায় এই কবুতরটি ব্যবহার হয়। দুটি কবুতর পাশাপাশি ছাড়া হলে এরা নিজেরা প্রতিযোগিতা করে উড়ে আবার ঘুরে আগের জায়গায় চলে আসে।

এই জাতের কবুতরের উৎপত্তিস্থল ভারত উপমহাদেশ। আমাদের দেশে এ জাতের কবুতরই বেশি এবং খাবারের মাংসের জন্য এটার যথেষ্ট জনপ্রিয়তা রয়েছে। ঘরের আশেপাশে খোপ নির্মাণ করে দিলে এ জাতের কবুতর এমনিতেও এসে বসবাস শুরু করে। এদের বর্ণ সাদা কালো এবং ধূসর যে কোনো রঙের হতে পারে।

গোলা জাতের কবুতর থেকে গোলী জাতের কবুতর একটু ভিন্ন বিশিষ্টের। পাকিস্তানের লাহোর ও ভারতের কলকাতায় এ জাতের কবুতর বেশ জনপ্রিয়। এদের লেজের নিচে পাখার ঘন ও পুরো পালক বিদ্যমান। এ জাতের কবুতরের ঠোঁট ছোট হয়। এদের বেশিরভাগ বর্ণ সাদা হয়ে থাকে।

এ জাতের কবুতরের মধ্যে হোয়াইট কিং এবং সিলভার কিং আমেরিকাসহ ইউরোপের অন্যান্য দেশগুলোতে বিশেষ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। কিং জাতের কবুতর প্রদর্শনী এবং স্কোয়াব উৎপাদনে ব্যবহার হয়। এ ছাড়াও রয়েছে ব্লু রেড এবং ইয়েলো কিং। এই জাতের কবুতর মূলত, প্রদর্শনীতে ব্যবহৃত হয়।

এ কবুতরের লেজগুলো ময়ূরের মতো ছড়ানো। শখ করে পালনে এই কবুতর বেশি ব্যবহার হয়। ভারত এই কবুতরের উদ্ভব বলে জানা যায়। এ জাতের কবুতর লেজের পালক পাখার মতো মেলে দিতে পারে বলে এদের ফ্যানটেল বলা হয়। এদের রং মূলত সাদা তবে কাল, নীল ও হলুদ বর্ণের ফ্যানটেলও দেখা যায়। পা পালক দ্বারা আবৃত থাকে। এ জাতের কবুতর প্রদর্শনীতে ব্যবহৃত হয়।

লাহোরে উদ্ভব হয়েছে বলে একে লাহোরি বলে। আমাদের দেশে এটি শিরাজী কবুতর নামেও পরিচিত। এদের চোখের চারদিক থেকে শুরু করে গলার সম্মুখভাগ, বুক, পেট, নিতম্ব, পা ও লেজের পালক সম্পূর্ণ সাদা হয় এবং মাথা থেকে শুরু করে গলার পেছন দিক এবং পাখা রঙিন হয়। সাধারণত কালো, লাল, হলুদ, নীল ও রুপালি ইত্যাদি বর্ণের কবুতর দেখা যায়।

এই কবুতর উড়ানোর জন্য বেশ বিখ্যাত। এসব জাতের কবুতর আকাশে ডিগবাজি খায় বলে এদের টাম্বলার বলে। আমাদের দেশে এই জাতটি গিরিবাজ নামে পরিচিত। এদের উৎপত্তিস্থল পাক-ভারত উপমহাদেশ। মনোরঞ্জনের জন্য আমাদের দেশে এদের যথেষ্ট কদর রয়েছে।

সাদা বর্ণের এই কবুতরের ঝুঁটি থাকে। এদের চোখের রঙ গাঢ় পিঙ্গল বর্ণের এবং সমগ্র পা লোমযুক্ত।

এই কবুতরের মাথার পালকগুলো ঘাড় অবধি ছড়ানো থাকে। এদের উৎপত্তিস্থল জানা যায়নি। তবে এদের আদি জন্মস্থান ভারতে হতে পারে বলে ধারণা করা হয়। এই কবুতর সাধারণত সাদা, লাল, হলুদ, নীল বর্ণের হয়ে থাকে। এদের দেহ বেশ লম্বাটে। আর চোখ দুটো মুক্তার মতো সাদা হয়।

এই জাতের কবুতরের গলা রাজহাঁসের মতো পেছন দিকে বাঁকানো থাকে। এদের ডানায় তিনটি উড়বার উপযোগী পালক সাদা হয় যা অন্য কোনো কবুতরে দেখা যায় না। সাদা, কালো এবং নীল বর্ণের এই কবুতরগুলো দেখতে অজস্র সুন্দর।

কবুতর পালনের অন্যতম সুবিধা হলো এর সহজ ব্যবস্থাপনা। মাত্র ২×২ ফুট জায়গায় একটি জোড়া কবুতর রাখা সম্ভব। ছাদ, বারান্দা বা বাড়ির আঙিনায় কাঠ, বাঁশ বা টিন দিয়ে সহজেই খোপ তৈরি করা যায়।

খাদ্য ব্যবস্থাপনাও তুলনামূলক সহজ। ধান, গম, ভুট্টা, বাজরা, সরিষা, ডালজাতীয় শস্য—এসবই কবুতরের প্রধান খাবার। প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক কবুতর দৈনিক প্রায় ৩০-৫০ গ্রাম খাদ্য গ্রহণ করে।

একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, কবুতর তার বাচ্চাকে 'পিজিয়ন মিল্ক' বা বিশেষ ধরনের দুধ খাওয়ায়, যা তাদের খাদ্যথলিতে তৈরি হয়। ফলে বাচ্চার জন্য আলাদা খাবারের প্রয়োজন পড়ে না।

অন্যান্য পোলট্রির তুলনায় কবুতরের রোগব্যাধি কম হলেও কিছু সাধারণ রোগ দেখা যায়—যেমন ককসিডিওসিস, রাণীক্ষেত, কৃমি, পক্স ইত্যাদি। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, নিয়মিত পানি পরিবর্তন এবং টিকা প্রদান করলে এসব রোগ সহজেই নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

শীতকালে ঠান্ডা থেকে রক্ষা এবং খামার শুকনো রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি কুকুর, বিড়াল, সাপ বা বেজির আক্রমণ থেকে সুরক্ষাও নিশ্চিত করতে হয়।

তবে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা গেলে কবুতর পালন হতে পারে একটি টেকসই ক্ষুদ্র উদ্যোগ।

কৃষি অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, কবুতর পালন গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এটি নারী ও তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য একটি সহজলভ্য আয়ের পথ তৈরি করে। নগর এলাকায় সীমিত জায়গা ব্যবহার করেও আয় করার সুযোগ তৈরি হয়।

সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে প্রশিক্ষণ, সহজ ঋণ এবং বাজার সংযোগ নিশ্চিত করা গেলে এই খাত আরও বিস্তৃত হতে পারে। শান্তির প্রতীক হিসেবে পরিচিত কবুতর এখন অনেকের জীবনে অর্থনৈতিক স্বস্তির প্রতীক হয়ে উঠছে। অল্প পুঁজি, কম ঝুঁকি এবং দ্রুত উৎপাদনক্ষমতার কারণে এটি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে একটি সম্ভাবনাময় উদ্যোগ।

ছোট্ট একটি খোপ থেকে শুরু হওয়া এই যাত্রা অনেকের জীবনে এনে দিতে পারে স্বনির্ভরতার আলো। পরিকল্পিত উদ্যোগ ও সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কবুতর পালন শুধু একটি শখ নয় বরং হতে পারে অর্থনৈতিক মুক্তির একটি বাস্তব পথ।

আরও পড়ুনচুয়াডাঙ্গায় তুলা চাষে নীরব বিপ্লবকৃষিপ্রযুক্তিতে যুবশক্তি ধরে রাখতে করণীয়

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

লাইভস্টক

সম্পর্কিত খবর

লাইভস্টক

সরকারি সহযোগিতায় শৌখিন পায়রা রপ্তানি সম্ভব

দেশে বাড়ছে শৌখিন পায়রা পালনের বাণিজ্যিক উদ্যোগ। নরসিংদীতে এমনই এক সফল খামার গড়ে তুলেছেন এক উদ্যোক্তা। সেখানে রয়েছে নানা জাতের বিদেশী পায়রা। উদ্যোক্তা বলছেন, সরকারের সহযোগিতা পেলে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারেও এসব শৌখিন পায়রা রপ্তানি করা সম্ভব।

শাইখ সিরাজ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬১ মিনিটের ভিডিও
লাইভস্টক

ডিমের ভেতরেই লিঙ্গ নির্ণয়: পাঁচ বছরে ইউরোপের ৪০ শতাংশ বাজারে, যুক্তরাষ্ট্র দ্বিধায়

ডিম ফোটার আগেই বাচ্চার লিঙ্গ নির্ণয়ের প্রযুক্তি পাঁচ বছরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের লেয়ার বাজারের শূন্য থেকে ৪০ শতাংশে পৌঁছেছে, পুরুষ বাচ্চা মারার ওপর নিষেধাজ্ঞার জোরে; যুক্তরাষ্ট্রে কেবল প্রিমিয়াম ব্র্যান্ডগুলো এটি নিয়েছে, খুচরা বিক্রেতারা বাড়তি দাম দিতে নারাজ।

এজিফান্ডনিউজ ২৪৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

NoFence আনল তৃতীয় প্রজন্মের গবাদিপশুর কলার N3 ও পশুপাল ব্যবস্থাপনা প্ল্যাটফর্ম

নরওয়ের ভার্চুয়াল ফেন্সিং কোম্পানি NoFence তাদের তৃতীয় প্রজন্মের গবাদিপশুর কলার N3 বাজারে এনেছে—স্যাটেলাইট ব্যাকআপ আর এমন সফটওয়্যার নিয়ে, যা চারণের হিসাব নিজে লেখে, সময়সূচি ধরে পাল সরায় এবং গরমে আসা গাভি চিহ্নিত করে।

এজিফান্ডনিউজ ২৪৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()