ঈদুল আজহায় নগরবাসীর পশু কোরবানি সহজ করতে রাজধানীর দুই সিটিতে ১৯টি হাট বসছে এবার। হাটের প্রস্তুতি প্রায় শতভাগ সম্পন্ন হয়েছে। কয়েকটি হাটের কিছু কাজ বাকি থাকলেও দিনরাত চলছে কর্মজজ্ঞ। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে শুক্রবার (২৩ জুন) থেকেই বেচা-কেনা শুরু হবে।
এদিকে পশুর হাটে বেচা-বিক্রির বেঁধে দেওয়া সময় আরও একদিন বাকি থাকলেও এখনই গরু-ছাগল আসতে শুরু করেছে রাজধানীর হাটগুলোয়। সব ধরনের অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা রোধে হাটে থাকছে সিটি কর্পোরেশনের মনিটরিং সেল। রাজধানীর প্রতিটি পশুর হাটে জাল নোট শনাক্তের মেশিন ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। দেশের প্রত্যন্ত এলাকা থেকে আগত ব্যাপারীদের নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
'
আরও পড়ুন>> পশুবাহী ট্রাক থামিয়ে চাঁদাবাজি করলে কঠোর ব্যবস্থা
বুধবার (২১ জুন) দিনগত রাতে রাজধানীর শাহজাহানপুর হাটে দুই ট্রাক গরু নিয়ে এসেছেন ঝিনাইদহের মেহের আলী। তিনি বলেন, আমরা প্রতি বছরই এখানে গরু নিয়ে আসি। একটু আগে-ভাগে না এলে জায়গা পাওয়া যায় না। আমাদের আরও গরু আসবে। আগেই কিছু গরু এনেছি, বাকিগুলো শনিবার বাজারে ঢুকবে।
এ হাটে কথা হয় আফজাল নামে অপর এক ব্যাপারীর সঙ্গে। তিনি বলেন, আমরা বাজারের পাশে গরুগুলো রেখেছি। শুক্রবার মেইন হাটে গরু নিয়ে আসবো, হয়তো কাল (শুক্রবার) থেকেই বেচাবিক্রি শুরু হবে। এবার গরুর খাবারের দাম বেশি। পশুপালনে খরচ বেশি হওয়ায় দামও বেশি পড়বে।
আরও পড়ুন>> হাটে গরু না নেওয়ায় ব্যবসায়ীকে মারধর, যুবলীগ নেতাসহ আটক ৫
এদিকে নির্ধারিত সময়ের আগেই হাটে আসায় ভিড় করছেন উৎসুক জনতা। কেউ কেউ গরুর দরদাম জানতে চাইছেন। তাদের অনেকেই দরদাম করে বাজার যাচাই করতে আসছেন।
আনোয়ার হোসেন নামে বেনজির বাগানের এক বাসিন্দা বলেন, আমি গরুর বাজার কেমন হতে পারে তা যাচাই করতে এসেছি। গরু এখন কিনলে রাখার জায়গা নেই। চাঁদরাতে কেনার ইচ্ছা আছে।
ইএআর/ইএ/জিকেএস





মন্তব্য
(০)