সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩৩°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৫৯%বাতাস কিমি/ঘ

ধান ও ভুট্টার মূল্যশৃঙ্খল আধুনিক করতে বুরকিনা ফাসো পাচ্ছে ২১ কোটি ৫৯ লাখ ডলার

বিশ্বব্যাংকের অনুমোদিত বুরকিনা ফাসো কৃষি রূপান্তর প্রকল্প দেশটির সতেরো অঞ্চলের চারটিতে ধান ও ভুট্টার উৎপাদনশীলতা বাড়াবে, প্রক্রিয়াজাতকরণ আধুনিক করবে ও বাজারে প্রবেশ সহজ করবে।

এগ্রোবিজ

বুরকিনা ফাসোর কৃষি খাতের উন্নয়নে বিশ্বব্যাংক ২০২৬ সালের ১০ মার্চ ২১ কোটি ৫৯ লাখ ডলারের (প্রায় ১১ হাজার ৮৭০ কোটি সিএফএ ফ্রাঁ) একটি প্রকল্প অনুমোদন করেছে। ‘বুরকিনা ফাসো কৃষি রূপান্তর প্রকল্প’ দেশটির খাদ্য নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বেসরকারি খাত উন্নয়নের জাতীয় অগ্রাধিকারের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ।

প্রকল্পটি ধান ও ভুট্টাসহ অগ্রাধিকার পাওয়া কৃষি মূল্যশৃঙ্খলের বিকাশে মনোযোগ দেবে—উৎপাদনশীলতা বাড়ানো, প্রক্রিয়াজাতকরণ অবকাঠামোর আধুনিকায়ন ও বাজারে সহজ প্রবেশের মাধ্যমে। খামারে ও কৃষি-প্রক্রিয়াজাতকরণে বেসরকারি বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি গ্রহণ যে অর্থায়নের সংকটে আটকে আছে, প্রকল্পটি তা দূর করতেও কাজ করবে।

নারী ও তরুণদের আলাদা করে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কৃষি মূল্যশৃঙ্খলে তাঁদের অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং গ্রামীণ এলাকায়—যেখানে বুরকিনা ফাসোর বেশির ভাগ পরিবারের জীবিকা—টেকসই কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়তা করাই প্রকল্পের উদ্দেশ্য।

বুরকিনা ফাসোয় বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ম্যানেজার হামুদ আবদেল ওয়েদুদ কামিল বলেন, ‘কৃষি এখনো বুরকিনা ফাসোর অর্থনীতির কেন্দ্রীয় স্তম্ভ এবং খাদ্য নিরাপত্তা ও গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর সহনশীলতার প্রধান চাবিকাঠি। এই প্রকল্পের মাধ্যমে বিশ্বব্যাংক আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষি খাতের রূপান্তরে বুরকিনা ফাসোকে সহায়তার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছে।’

প্রকল্পটি জাতীয় কর্তৃপক্ষ, বেসরকারি খাত ও বিকেন্দ্রীকৃত অংশীজনদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ে বাস্তবায়িত হবে এবং দেশের সতেরোটি অঞ্চলের চারটিতে চলবে। এলাকাগুলো বাছাই হয়েছে কৃষি সম্ভাবনা, ধান ও ভুট্টার মতো অগ্রাধিকার শৃঙ্খলের উপস্থিতি এবং বিশ্বব্যাংক-অর্থায়িত কৃষি সহনশীলতা ও প্রতিযোগিতা প্রকল্পের (পিআরইসিএ) আওতায় ইতিমধ্যে চলমান কাজ সম্প্রসারণের সম্ভাবনা বিবেচনায়।

চার অঞ্চলের একজন ধান বা ভুট্টাচাষির জন্য প্রকল্পের প্রতিশ্রুতি হলো খেতের কাছাকাছি একটি চালকল বা গুদাম, নাগালের মধ্যে একজন ক্রেতা এবং এতদিন অধরা ঋণ। বৃহত্তর খাতের জন্য এটি এই বাজি যে দুটি প্রধান খাদ্যশস্যই খাদ্য নিরাপত্তা ও গ্রামীণ কর্মসংস্থান—দুটোই বইতে পারে।

সূত্র: বিশ্বব্যাংক

worldbankদা এগ্রো নিউজ

এগ্রোবিজ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাম্পার ফলনেও লোকসানের হিসাব কষছেন চাষীরা

ধান-চালে সমৃদ্ধ উত্তরের জেলা নওগাঁয় আউশ ধান কাটা মাড়াইয়ে ব্যস্ততা বেড়েছে চাষীদের। অনুকূল আবহাওয়ায় কাঙ্খিত ফলন পেয়ে খুশি তারা। তবে কৃষকের মুখের সেই হাসি মুহূর্তেই ম্লান হয়ে যাচ্ছে দামের কারণে।

জাগো নিউজ ২৪১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬৪ মিনিটের পড়া
মৎস্য

ইলিশের উল্টো যাত্রা

একসময় গল্পটা ছিল উল্টো। পদ্মা-মেঘনার ইলিশ সীমান্ত পেরিয়ে যেত পশ্চিমবঙ্গের বাজারে। কলকাতার বাঙালির কাছে বাংলাদেশের ইলিশ ছিল বিশেষ আকর্ষণের নাম। দুর্গাপূজার আগে বাংলাদেশের ইলিশ ভারতে যাওয়ার খবর নিয়ে সংবাদমাধ্যমে উৎসবের আবহ তৈরি হতো। আর এখন সেই গল্পে যেন হঠাৎ উল্টো পাতা খুলেছে। ভারত থেকে ইলিশ আসছে বাংল

জাগো নিউজ ২৪১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬৭ মিনিটের পড়া
এগ্রোবিজ

সাধারণ মানুষও কিনতে পারবেন টিসিবির ‘ঐচ্ছিক পণ্য’

টিসিবির নতুন নির্দেশিকায় আগের মতো ফ্যামিলি কার্ডধারীরা প্রতি মাসে পাবেন ভোজ্যতেল, চিনি ও ডাল। রমজানে বাড়তি মিলবে খেজুর ও ছোলা। তবে এর বাইরেও সুগন্ধি সাবান, গুঁড়ো সাবান, লন্ড্রি সাবান, লবণ, চা, আটা ও মসলা থাকবে 'ঐচ্ছিক পণ্য' হিসেবে। অর্থাৎ কার্ডধারী ছাড়াও যে কেউ এসব পণ্য কিনতে পারবেন।

জাগো নিউজ ২৪১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬৪ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()