সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৮°বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৭৭%বাতাস কিমি/ঘবৃষ্টি ০.৩ মিমি

বর্ষাকালই উপযুক্ত সময় বৃক্ষরোপণের

খন্দকার বদিউজ্জামান বুলবুল

পরিবেশ

খন্দকার বদিউজ্জামান বুলবুল

একটি দেশের মোট বনভূমি থাকা প্রয়োজন ২৫ শতাংশ। আমাদের বাংলাদেশে মোট বনভূমি আছে ১৩ শতাংশ। চাহিদার তুলনায় যা অতি নগণ্য। যার ফলে দেখা যায়, দেশে অনাবৃষ্টি কিংবা তীব্র গরম সেইসাথে তীব্র শীত পরিলক্ষিত হয়। এ পরিস্থিতি থেকে দেশমাতৃকাকে রক্ষায় বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। এখন চলছে বর্ষাকাল; এ সময়টা বৃক্ষরোপণের জন্য উপযুক্ত।

পরিবেশ সুরক্ষায় বৃক্ষরোপণপরিবেশ সুরক্ষায় বৃক্ষরোপণ অত্যন্ত জরুরি। বৃক্ষের অপ্রতুলতা ও অতিরিক্ত কার্বন নিঃসরণ করার ফলে বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন জনিত সমস্যা হচ্ছে। সেইসাথে পরিবেশ অসহনীয় হওয়ার পাশাপাশি বাতাসে শুষ্কতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। এ সমস্ত জটিল সমস্যা সমাধানে বৃক্ষ কার্যকর। গাছপালা কার্বন-ডাই-অক্সাইড শোষণ করে পরিবেশে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং প্রাণীর জীবন ধারণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান অক্সিজেন সরবরাহ করে। গাছের ছায়ায় পাখপাখালি খুঁজে নেয় আপন ঠিকানা। যা জীবজগত সুরক্ষা ও পরিবেশ সুরক্ষায় টনিক হিসেবে কাজ করে।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায়সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপটে আমরা নজর দিলে দেখতে পাই, দেশে অনাবৃষ্টি, শীতের সময় অনেক জায়গায় অতিরিক্ত শীত ও শৈত্যপ্রবাহ এবং প্রায় সারাবছর অসহনীয় গরম। প্রকৃতির কঠোরতায় বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল আজ মরুকরণের মুখোমুখি। দেশে বৃষ্টি নাই তবে নিয়মিত বন্যা হয়। নিম্নচাপের ফলস্বরূপ ঘূর্ণিঝড় তো আছেই। প্রকৃতির এত সব নিষ্ঠুর আচরণ দৃঢ়ভাবে সামাল দিতে প্রয়োজন গাছ। গাছ যেমন প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা করতে সক্ষম; ঠিক তেমনই প্রতিরোধে কার্যকর। সেইসাথে ঘূর্ণিঝড়, নদীভাঙন, খরা প্রতিরোধে ও পরিবেশ সুশীতল রাখতে বৃক্ষরোপণ জরুরি।

মাটি ও পানি সুরক্ষায়গাছ মাটির বিভিন্ন প্রকার ক্ষয়রোধ করে। সেইসাথে বৃষ্টি বর্ষণের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরিতে সহায়তা করে। মাটির স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গাছ জরুরি। শুধু মাটি কিংবা পানি নয় বরং সমগ্র জীবজগতের সুরক্ষার জন্য গাছ অত্যাবশ্যক।

অর্থনৈতিক দিক জীবের জীবন ধারণের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির পাশাপাশি গাছ কিন্তু আর্থিকভাবেও মূল্যবান। মানুষের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন আসবাবপত্র থেকে শুরু করে সৌখিন পণ্য তৈরিতে কাঠ প্রয়োজন। একইসাথে গাছ ভালো মুনাফা প্রদান করে। যার দরুণ অনেকেই বাণিজ্যিক ভাবে বৃক্ষরোপণ করছেন। পাশাপাশি অনেক গাছ ওষুধি গুণসম্পন্ন। গাছ থেকে জীবন রক্ষাকারী অতিপ্রয়োজনীয় ওষুধ তৈরি করা হয়। সেইসাথে ফলদ গাছ বিভিন্ন রং ও স্বাদের ফল প্রদান করে। যা পুষ্টিগুণে ভরপুর। আগে থেকেই বাণিজ্যিক ভাবে ও বসত বাড়ির আঙিনায় ফলের গাছ রোপণ করা হয়। পাশাপাশি খোলা জায়গায়, রাস্তার পাশে এবং নদী তীরে অন্যান্য গাছের পাশাপাশি ফলের গাছ রোপণ করা হয়।

বাড়ির আঙিনায় গাছ বাড়ির আঙিনায় গাছ রোপণ জরুরি একটি বিষয়। তপ্ত গরমে গাছের ছায়ায় জিরিয়ে নেওয়া যায় এবং বসত বাড়ির আঙিনায় গাছ লাগানোর ফলে সর্বক্ষণ ছায়া প্রদান করে। একই সাথে ফলদ গাছগুলো ফল প্রদান করে এবং নিজের প্রয়োজনে গাছগুলো পরে ব্যবহার করা যায়। গ্রামীণ জনপদে গাছের পাতা ও ভাঙা ডালপালা জ্বালানি উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। পাশাপাশি অনেক গাছের পাতা গবাদিপশুর খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

পরিবেশ বিপর্যয় প্রতিরোধ অপরিকল্পিত ভাবে গাছ কাটার ফলে জলবায়ু পরিবর্তন জনিত বিভিন্ন সমস্যা প্রতিনিয়ত সৃষ্টি হচ্ছে। পরিবেশের উষ্ণতা বৃদ্ধির সাথে সাথে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমে যাওয়া ও বিশ্বের সার্বিক তাপমাত্রা দ্রুত বেড়ে যাচ্ছে। ফলে কিছু কিছু অঞ্চলে ফসলের ফলনে প্রভাব পড়ছে। এ ছাড়া যাবতীয় পরিবেশ বিপর্যয় প্রতিরোধে বৃক্ষরোপণের জুড়ি নেই।

লেখক: শিক্ষার্থী, আনন্দ মোহন কলেজ, ময়মনসিংহ।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

জৈব

ঘাসের বোর্ড বানানো Plantd কারখানার বর্জ্য থেকে বায়োচার বানিয়ে বিক্রি করছে চাষিদের কাছে

নর্থ ক্যারোলাইনার নির্মাণসামগ্রী প্রতিষ্ঠান Plantd, যাদের উদ্বৃত্ত ঘাসের জৈববস্তু সরাতে মাসে ১৩ হাজার ডলার খরচ হচ্ছিল, সেই বর্জ্য থেকে বায়োচার তৈরির একটি পণ্যলাইন চালু করেছে এবং মাটির উন্নয়ন উপকরণ হিসেবে চাষিদের কাছে বিক্রি করছে।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৭ আগস্ট ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

বাতাস ও পানি থেকে এক অনুঘটকে অ্যামোনিয়া বানাতে চায় অস্ট্রেলিয়ার Facet Amtech

নাইট্রোজেন সারের মূল উপাদান অ্যামোনিয়া আলাদা হাইড্রোজেন প্ল্যান্ট ছাড়াই সরাসরি বাতাস ও পানি থেকে তৈরির অনুঘটক পাইলট করতে Facet Amtech ৩০ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলারের সিড বিনিয়োগ তুলেছে; তাদের লক্ষ্য কার্বন মূল্য ছাড়াই খরচে জীবাশ্মভিত্তিক অ্যামোনিয়াকে হারানো।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৬ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
জৈব

সিলিকেট পাথরকে এক মৌসুমে গলা কার্বন-শোষক সারে বদলাতে ৫৪ লাখ ডলার তুলল Mafix

Stanford থেকে বেরিয়ে আসা Mafix ৫৪ লাখ ডলারের প্রি-সিড বিনিয়োগ তুলেছে সিমেন্ট চুল্লিতে চুনাপাথরের সঙ্গে সিলিকেট পাথর গরম করে এমন একটি খনিজ বানাতে, যা খেতে এক মৌসুমেই ক্ষয়ে যায়, কার্বন ডাই-অক্সাইড অপসারণ করে এবং উদ্ভিদের গ্রহণযোগ্য সিলিকন ও ক্ষারত্ব জোগায়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২০ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()