সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৮%বাতাস ১৪ কিমি/ঘ

বন্যার পানি নামতেই ফের স্বপ্ন বুনছেন চাষিরা

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে তিন দফা বন্যায় উপজেলার চুকাইবাড়ী, চিকাজানী, বাহাদুরাবাদ, হাতিভাঙা, চরআমখাওয়া ইউনিয়নসহ পৌর এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়। শেষ দফা বন্যার পানি দ্রুত নেমে গেলেও রাস্তাঘাটের পাশাপাশি ২৮৭ হেক্টর জমির রোপা আমনের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় সাড়ে

পরিবেশ

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে তিন দফা বন্যায় উপজেলার চুকাইবাড়ী, চিকাজানী, বাহাদুরাবাদ, হাতিভাঙা, চরআমখাওয়া ইউনিয়নসহ পৌর এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়। শেষ দফা বন্যার পানি দ্রুত নেমে গেলেও রাস্তাঘাটের পাশাপাশি ২৮৭ হেক্টর জমির রোপা আমনের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা। তবে বন্যার পানি নামতেই ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আবারো ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষিরা।

উপজেলা কৃষি অফিস ও স্থানীয় সূত্র জানায়, চলতি রোপা আমন মৌসুমে উপজেলার ৩৫ হাজারের অধিক কৃষক ৯ হাজার ২৮০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন চাষ করেন। এর মধ্যে ৪৭৪ হেক্টর জমি বন্যার পানিতে নিমজ্জিত হয়। দ্রুত পানি নেমে গেলেও ২৮৭ হেক্টর জমির রোপা আমন সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে ৫ হাজার ১৫০ জন কৃষক ক্ষতির মুখে পড়েন। সর্বমোট ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়ায় ৩ কোটি ৫৩ লাখ ৫৮৪ টাকা।

তবে বন্যায় রোপা আমনের ক্ষতি হলেও শেষ সময়ে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন চাষিরা। বীজতলা থেকে আমনের বীজ সংগ্রহ করে আবারও রোপা আমনের চারা লাগাচ্ছেন তারা। এতে ফলন কম হলেও ক্ষতির একটা বিরাট অংশ উঠে আসবে বলে আশা তাদের। তবে অর্থের অভাব ও বীজ সংকটে অনেকে চারা লাগাতে পারছেন না বলেও জানা গেছে।

চরহাতিভাঙ্গা গ্রামের আব্দুল মালেক নামে এক কৃষক বলেন, তিন বিঘা জমিতে রোপা আমনের চাষ করেছিলেন তিনি। এতে ব্যয় হয়েছিল ১৫ হাজার টাকা। কিন্তু বন্যায় সেই আমন সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে। তাই ক্ষতি পুষিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়াতে সময় লাগবে তার। কিন্তু বীজ সংকটের কারণে পুনরায় চারা লাগাতে পারছেন না তিনি। তার মতো এ অঞ্চলের অনেক কৃষকের ফসল বন্যায় নষ্ট হয়ে গেছে। তাদের সবার একই অবস্থা।

লংকারচর গ্রামের আলমাছ আলী বলেন, আড়াই বিঘা জমিতে রোপা আমনের চাষ করেছিলেন তিনি। কিন্তু বন্যায় তলিয়ে যাওয়ায় তা সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে। বন্যার পানি নেমে গেলে আবারো ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে চড়া দামে বীজ কিনে দেড় বিঘা জমিতে রোপা আমন লাগিয়েছেন।

পোল্যাকান্দি নামাপাড়া গ্রামের মো. রেজুয়ান মিয়া বলেন, বন্যা হবে না ভেবে আড়াই বিঘা জমিতে রোপা আমন লাগিয়েছিলেন। কিন্তু বন্যার পানিতে সব নষ্ট হয়ে গেছে। তবে আর্থিক সংকট ও বীজ না পাওয়ায় পুনরায় আর রোপা আমন লাগাতে পারছেন না।

খোলাবাড়ি এলাকার আব্দুর রশিদ বলেন, আমরা কৃষকরা কৃষির ওপর নির্ভশীল। চাষাবাদ করে সংসার চলে। বন্যার পানিতে জমির রোপা আমন পানিতে তলিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে আবারও বেশি দামে আমনের বীজ কিনে ক্ষেতে রোপণ করছি। কৃষি অফিস থেকে এখনও কোনো সহায়তা পাইনি।

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার মো. আলমগীর আজাদ জানান, এই বন্যায় কৃষকের ২৮৭ হেক্টর জমির রোপা আমন পানিতে তলিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। এতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৫৩ লাখ টাকার অধিক। তার মধ্যে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চুকাইবাড়ী ইউনিয়নে। ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে কৃষকরা বীজ কিনে পুনরায় আমন চাষ করেছেন। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে তাদেরকে সবসময় সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে।

জামালপুর কৃষি অধিদপ্তরের উপপরিচালক জাকিয়া সুলতানা জাগো নিউজকে বলেন, জেলায় রোপা আমনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ১১ হাজার হেক্টর জমি। উজানের পাহাড়ি ঢলে ১০ হাজার ১৮০ হেক্টর জমি বন্যার পানিতে নিমজ্জিত হয়। এর মাঝে ৪ হাজার ১২১ হেক্টর জমির ফসল সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কৃষকরা ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আবারও রোপা আমন ধানের চারা রোপণ করছেন। কৃষি বিভাগের সকল স্তরের কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে থেকে প্রতিনিয়ত প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

জৈব

ঘাসের বোর্ড বানানো Plantd কারখানার বর্জ্য থেকে বায়োচার বানিয়ে বিক্রি করছে চাষিদের কাছে

নর্থ ক্যারোলাইনার নির্মাণসামগ্রী প্রতিষ্ঠান Plantd, যাদের উদ্বৃত্ত ঘাসের জৈববস্তু সরাতে মাসে ১৩ হাজার ডলার খরচ হচ্ছিল, সেই বর্জ্য থেকে বায়োচার তৈরির একটি পণ্যলাইন চালু করেছে এবং মাটির উন্নয়ন উপকরণ হিসেবে চাষিদের কাছে বিক্রি করছে।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৭ আগস্ট ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

বাতাস ও পানি থেকে এক অনুঘটকে অ্যামোনিয়া বানাতে চায় অস্ট্রেলিয়ার Facet Amtech

নাইট্রোজেন সারের মূল উপাদান অ্যামোনিয়া আলাদা হাইড্রোজেন প্ল্যান্ট ছাড়াই সরাসরি বাতাস ও পানি থেকে তৈরির অনুঘটক পাইলট করতে Facet Amtech ৩০ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলারের সিড বিনিয়োগ তুলেছে; তাদের লক্ষ্য কার্বন মূল্য ছাড়াই খরচে জীবাশ্মভিত্তিক অ্যামোনিয়াকে হারানো।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৬ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
জৈব

সিলিকেট পাথরকে এক মৌসুমে গলা কার্বন-শোষক সারে বদলাতে ৫৪ লাখ ডলার তুলল Mafix

Stanford থেকে বেরিয়ে আসা Mafix ৫৪ লাখ ডলারের প্রি-সিড বিনিয়োগ তুলেছে সিমেন্ট চুল্লিতে চুনাপাথরের সঙ্গে সিলিকেট পাথর গরম করে এমন একটি খনিজ বানাতে, যা খেতে এক মৌসুমেই ক্ষয়ে যায়, কার্বন ডাই-অক্সাইড অপসারণ করে এবং উদ্ভিদের গ্রহণযোগ্য সিলিকন ও ক্ষারত্ব জোগায়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২০ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()