সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৫ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

লাখ মানুষের তিন মাসের খাবার মজুতের ব্যবস্থা ভাসানচরে

মিয়ানমার থেকে বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের বসবাসের জন্য উপযোগী করে তোলা ভাসানচরে একসঙ্গে তিন মাসের বিভিন্ন খাদ্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এক লাখের বেশি লোকের খাদ্য সংরক্

মিয়ানমার থেকে বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের বসবাসের জন্য উপযোগী করে তোলা ভাসানচরে একসঙ্গে তিন মাসের বিভিন্ন খাদ্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এক লাখের বেশি লোকের খাদ্য সংরক্ষণে ২০৫ ফুট দৈর্ঘ্যের চারটি সুবিশাল ওয়্যারহাউস (গুদামঘর) বানানো হয়েছে সেখানে। রোহিঙ্গারা নিজেদের দেশ মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার পর এসব ওয়্যারহাউস বাংলাদেশের ভূমিহীনদের জন্য ব্যবহার করা হবে।

রোহিঙ্গাদের রাখার জন্য এখানে যে আবাসিক কাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে, তার আওতায় প্রতিটি ব্যারাকে পৃথক সৌর বিদ্যুতের ব্যবস্থা থাকছে। প্রতিটি শেল্টারে ৫ কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন পৃথক সোলার সেলের মাধ্যমে বিদ্যুতের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রতিটি শেল্টার স্টেশন আলোকিত রাখার পাশাপাশি সৌর পাম্প ব্যবহার করে পানি তোলা সম্ভব। এক মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ডিজেল জেনারেটর এবং দুটি ৫০০ কিলোওয়াট ডিজেল জেনারেটর বসানো হয়েছে। এছাড়া রয়েছে ফুয়েল ট্যাংকও।

মেঘনা নদী ও বঙ্গোপসাগরের মোহনায় জেগে ওঠা নোয়াখালীর ভাসানচর ঘুরে সম্প্রতি এসব চিত্র দেখা গেছে

জানা গেছে, প্রকল্পটি মূলত ক্লাস্টার হাউজ, শেল্টার স্টেশন বা গুচ্ছগ্রামকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। প্রতিটি ক্লাস্টার হাউজ ও শেল্টার স্টেশন নির্মাণের ক্ষেত্রে অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী নির্মিত ভবনসমূহ ভূমি থেকে ৪ ফুট উঁচু করে নির্মাণ করা হয়েছে। প্রতিটি ক্লাস্টার হাউজে ১২টি ঘর, প্রতিটি ঘরে ১৬টি করে রুম রয়েছে এবং একটি চারতলা বিশিষ্ট কম্পোজিট স্ট্রাকচারের (স্টিল) শেল্টার স্টেশন রয়েছে। মোট ১২০টি গুচ্ছগ্রামে ঘরের সংখ্যা এক হাজার ৪৪০টি এবং ১২০টি শেল্টার স্টেশন নিয়ে গুচ্ছগ্রামটি গঠিত। প্রকল্পটিতে যাতে এক লাখ এক হাজার ৩৬০ জন শরণার্থী বসবাস করতে পারে সেই ব্যবস্থার আলোকে গুচ্ছগ্রামসমূহ নির্মাণ করা হয়েছে।

রোহিঙ্গাদের জন্য সুযোগ-সুবিধার বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক নৌবাহিনীর কমোডর আব্দুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী জাগো নিউজকে বলেন, সৌর বিদ্যুৎ ছাড়াও প্রকল্পের আওতায় ভাসানচরের প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহের জন্য ৩২টি ফুয়েল ট্যাংক (২,২৫০ টন ক্ষমতাসম্পন্ন) নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। প্রকল্প এলাকায় নিয়োজিত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের জন্য দুটি শেল্টার আছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, সেখানে প্রশাসনিক কাজের প্রতিনিধিদের জন্য একটি, জাতিসংঘ শরণার্থীবিষয়ক সংস্থার প্রতিনিধিদের জন্য একটি, রেডক্রস ও আন্তর্জাতিক এনজিওর জন্য একটি, এতিমখানার ব্যবহারের জন্য একটি, ডে কেয়ার সেন্টার হিসেবে ব্যবহারের জন্য একটি শেল্টার রাখা হয়েছে।

চট্টগ্রাম থেকে সন্দ্বীপ, হাতিয়া, নোয়াখালী, তালপুর, ঢাকার বিভিন্ন এলাকার ছোট জাহাজ/কার্গো ভেসেলসমূহ নিরাপদে যাতায়াতের জন্য কিছুসংখ্যক নেভিগেশনাল বয়া স্থাপিত রয়েছে। এই ধারাবাহিকতায় ভাসানচর সংলগ্ন অত্যন্তরীণ নৌপথে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী ছোট জাহাজ/কার্গোর সঠিক নেভিগেশনের জন্য ৯১ দশমিক ৫ ফুট উচ্চতা এবং ১৪ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত নেভিগেশন ক্ষমতাসম্পন্ন একটি লাইটহাউজ নির্মাণ করা হয়েছে।

প্রকল্পের ক্লাস্টারে নির্মিত পুকুরের পানি অগ্নিনির্বাপণের কাজে ব্যবহার করা যাবে। এছাড়া স্থায়ী ফায়ার স্টেশনের জন্য প্রকল্প এলাকায় ৩১ একর জমি রাখা হয়েছে।

ক্লাস্টার ঘুরে দেখা যায়, ভাসানচরে আশ্রিতদের রান্নাবান্নার জন্য প্রায় তিন হাজার চুলা বসানো হয়েছে ঘরগুলোতে। এক লাখ লোকের জন্য প্রতি মাসে এক হাজার ১২৫ টন জ্বালানির প্রয়োজন হবে। এই জ্বালানি হিসেবে কাঠ ব্যবহার হলে আশপাশে বনভূমি উজাড় হওয়ার শঙ্কা তৈরি হবে, যেজন্য জ্বালানি হিসেবে চারকোল বা কাঠকয়লা ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া বসানো হয়েছে আড়াইশ বায়োগ্যাস প্লান্ট।

প্রথমে সেখানে ৩০৬ জন রোহিঙ্গাকে রাখা হয়েছে। এরা প্রত্যেকে অবৈধপথে মালয়েশিয়া পাড়ি দিচ্ছিলেন। সাগরে ভাসতে ভাসতে তাদের অবস্থা খুবই খারাপ হয়েছিল। কিন্তু কোথাও ভিড়তে পারছিলেন না। পরে বাধ্য হয়ে বাংলাদেশ সরকার তাদের আশ্রয় দেয়। এদের মধ্যে ৯৭ জন পুরুষ, ১৭৬ জন নারী এবং ৩৩ জন শিশু। তাদের অনেক নারী ইতোমধ্যে সেলাই কাজে অংশ নিচ্ছেন।

এদিকে, সেখানে প্রশস্ত ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলও তৈরি করা হচ্ছে, যা ঘূর্ণিঝড়কালীন সমুদ্রের ঢেউয়ের প্রকোপ থেকে দ্বীপের ভূমি রক্ষা করবে। এ প্রকল্পটি সরকার প্রণীত ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ এর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। সেখানে প্রয়োজন ছাড়া কোনো গাছ কাটা হয়নি। ফলে এখনো বিস্তৃত বনাঞ্চল রয়েছে।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

ভিডিও

সম্পর্কিত খবর

ভিডিও

ভিডিও: আয়ারল্যান্ডের সেরা মানের দুধের পুরস্কার জিতল কর্কের ট্রয় পরিবারের খামার

নিউটাউনশ্যানড্রামে পঞ্চম প্রজন্মের দুগ্ধ খামারি রবার্ট ও মেরি ট্রয় ৪২৫টি গাভি, প্রতি মিলিলিটারে ৮৯ হাজার সোমাটিক কোষ আর দেশের শীর্ষ ১ শতাংশ প্রজনন মান নিয়ে ২০২৬ সালের এনডিসি ও কেরিগোল্ড কোয়ালিটি মিল্ক অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন।

Agriland৪ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের ভিডিও
ভিডিও

শহরের ছাদে সফল সবজি চাষের গল্প

ছাদ বাগান করে কীভাবে অল্প জায়গায় সবজি ও ফল উৎপাদন করা যায়? ১৮০০ বর্গফুটের ছাদে গড়ে ওঠা সবুজের সমারোহের গল্প।

শাইখ সিরাজ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬১০ মিনিটের ভিডিও

মন্তব্য

(০)