সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৮%বাতাস ১৪ কিমি/ঘ

ভারতে কৃষকের আগ্রহ হারাচ্ছে ‘হলুদ সোনা’

ভারতে কৃষকের আগ্রহ হারাচ্ছে 'হলুদ সোনা' খ্যাত সয়াবিন। বিভিন্ন কারণে তারা এখন সয়াবিন চাষে অনাগ্রহী হয়ে উঠছেন।

লাইভস্টক

ভারতে কৃষকের আগ্রহ হারাচ্ছে 'হলুদ সোনা' খ্যাত সয়াবিন। বিভিন্ন কারণে তারা এখন সয়াবিন চাষে অনাগ্রহী হয়ে উঠছেন।

মধ্য প্রদেশের ইন্দোরে মুরাদপুরা গ্রামের তরুণ কৃষক অরবিন্দ সিং রাঠোর এখন কৃষি ছেড়ে অন্য পেশায় যেতে চান। কারণ, সয়াবিন চাষে আর লাভ নেই বলে জানান তিনি। অরবিন্দের পরিবার তিন প্রজন্ম ধরে সয়াবিন চাষ করছে। কিন্তু বর্তমানে ফলন অর্ধেকেরও কমে নেমে এসেছে, দামও ১৫ বছর আগের তুলনায় কম।

অরবিন্দের কথায়, এখন প্রতি একরে দুই থেকে আড়াই কুইন্টাল ফলন হয়, একসময় চার কুইন্টালেরও বেশি হতো। দামও এক হাজার রুপি কম। বিকল্প ফসল, যেমন- ভুট্টা চাষ করলেও নীলগাইয়ের উপদ্রব আছে।

আরও পড়ুন>>ট্রাম্পের শুল্কনীতি: মার্কিন সয়াবিন চাষিরা হতাশ, উচ্ছ্বসিত ব্রাজিলআর্জেন্টিনা থেকে সয়াবিন কিনছে চীন, চাপে মার্কিন কৃষকরাসয়াবিন সম্পর্কে যে ৫ তথ্য আপনার জানা প্রয়োজন

তিনি বলেন, সরকার যদি যুক্তরাষ্ট্র থেকে সয়াবিন আমদানি করে, তাহলে দেশীয় কৃষকরা পুরোপুরি ভেঙে পড়বে।

চলতি খরিফ মৌসুমে ভারত সরকার প্রতি কুইন্টালে ন্যূনতম সহায়ক মূল্য (এমএসপি) ৫ হাজার ৩২৮ রুপি ঘোষণা করলেও ইন্দোরের ছাওয়ানি বাজারে কৃষকেরা মাত্ তিন হাজার রুপি দরে সয়াবিন বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। 'সরকার বলছে এমএসপি দিচ্ছে, কিন্তু আমরা পাচ্ছি অর্ধেকেরও কম,' বলেন অরবিন্দ।

সরকারি তথ্যমতে, ২০২৫ সালের খরিফ মৌসুমে ভারতে তেলবীজ চাষের পরিমাণ গত বছরের তুলনায় এক কোটি ছয় লাখ হেক্টর কমেছে, যার মধ্যে শুধু সয়াবিনেই কমেছে নয় লাখ হেক্টরেরও বেশি। ভারতের মোট সয়াবিন উৎপাদনের ৪০ শতাংশেরও বেশি হয় মধ্য প্রদেশে।

দিলীপ সিং নামের আরেক কৃষক বলেন, আমাদের পূর্বপুরুষরা আগে মিলেট আর ডাল চাষ করতেন। সরকার আমাদের সয়াবিনে উৎসাহিত করেছিল। এখন মিলেটের দাম বেড়েছে, সয়াবিনের দাম কমেছে। তিনি জানান, ২০১৪ সালে যেখানে কুইন্টালপ্রতি দাম ছিল ৪ হাজার ২০০ রুপি, এখন তা নেমে এসেছে ৩ হাজার ৩০০ থেকে ৩ হাজার ৫০০ রুপিতে।

সরকারি 'ভবন্তর ভূগতান যোজনা' নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন কৃষকেরা। অরবিন্দ বলেন, এটা প্রতারণা। সরকার এক দাম বলে, বাস্তবে আরেক দাম দেয়। প্রতি একরে ইনপুট খরচই আট থেকে ১০ হাজার রুপি, তার ওপর মেশিন চালাতে লাগে তিন হাজার রুপি পর্যন্ত।

সয়াবিন প্রসেসরস অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়া (এসওপিএ)-এর নির্বাহী পরিচালক ডি.এন. পাঠক সতর্ক করে বলেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র থেকে সয়াবিন আমদানি শুরু হয়, তাহলে আমাদের শিল্প ধ্বংস হয়ে যাবে, কৃষকরাও টিকতে পারবে না। তিনি বলেন, আমরা এখন প্রতি টনে ৬২০ ডলারে সয়াবিন উৎপাদন করি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের দাম ৩৮০ ডলার। যদি আমদানি শুরু হয়, দেশীয় পণ্য বিক্রি হবে না।

সংযুক্ত কৃষাণ মোর্চা (এসকেএম)-এর সদস্য কেদার সিরোহি জানান, মধ্য প্রদেশের অর্থনীতি সয়াবিনের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু নিম্নমানের বীজ ও বাজারদরের পতনের কারণে উৎপাদন ব্যাপকভাবে কমছে। তার হিসাব অনুযায়ী, এবারের ফলন গত বছরের তুলনায় ২০ লাখ মেট্রিক টন কম হতে পারে।

ছাওয়ানি শস্যবাজারের ব্যবসায়ী কৈলাশ পারথানি বলেন, আগে মাসে ছয় হাজার টন পর্যন্ত সয়াবিন বিক্রি হতো, এখন তা দুই হাজার টনে নেমে এসেছে। আমদানি হলে ব্যবসায়ী ও কৃষক—দু'পক্ষই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

সূত্র: দ্য হিন্দুকেএএ/

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

লাইভস্টক

সম্পর্কিত খবর

লাইভস্টক

সরকারি সহযোগিতায় শৌখিন পায়রা রপ্তানি সম্ভব

দেশে বাড়ছে শৌখিন পায়রা পালনের বাণিজ্যিক উদ্যোগ। নরসিংদীতে এমনই এক সফল খামার গড়ে তুলেছেন এক উদ্যোক্তা। সেখানে রয়েছে নানা জাতের বিদেশী পায়রা। উদ্যোক্তা বলছেন, সরকারের সহযোগিতা পেলে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারেও এসব শৌখিন পায়রা রপ্তানি করা সম্ভব।

শাইখ সিরাজ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬১ মিনিটের ভিডিও
লাইভস্টক

ডিমের ভেতরেই লিঙ্গ নির্ণয়: পাঁচ বছরে ইউরোপের ৪০ শতাংশ বাজারে, যুক্তরাষ্ট্র দ্বিধায়

ডিম ফোটার আগেই বাচ্চার লিঙ্গ নির্ণয়ের প্রযুক্তি পাঁচ বছরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের লেয়ার বাজারের শূন্য থেকে ৪০ শতাংশে পৌঁছেছে, পুরুষ বাচ্চা মারার ওপর নিষেধাজ্ঞার জোরে; যুক্তরাষ্ট্রে কেবল প্রিমিয়াম ব্র্যান্ডগুলো এটি নিয়েছে, খুচরা বিক্রেতারা বাড়তি দাম দিতে নারাজ।

এজিফান্ডনিউজ ২৪৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

NoFence আনল তৃতীয় প্রজন্মের গবাদিপশুর কলার N3 ও পশুপাল ব্যবস্থাপনা প্ল্যাটফর্ম

নরওয়ের ভার্চুয়াল ফেন্সিং কোম্পানি NoFence তাদের তৃতীয় প্রজন্মের গবাদিপশুর কলার N3 বাজারে এনেছে—স্যাটেলাইট ব্যাকআপ আর এমন সফটওয়্যার নিয়ে, যা চারণের হিসাব নিজে লেখে, সময়সূচি ধরে পাল সরায় এবং গরমে আসা গাভি চিহ্নিত করে।

এজিফান্ডনিউজ ২৪৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()