অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ফার্মার্স ফেডারেশন (এনএফএফ) ও কেন্দ্রীয় সরকার ব্যাকপ্যাকার বা ভ্রমণকারী তরুণ শ্রমিকদের জরুরি ভিসা আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তির একটি স্বল্পমেয়াদি সমঝোতায় পৌঁছেছে। ভিসা প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যাওয়ায় খামারগুলো ফসল তোলার মৌসুমে পর্যাপ্ত শ্রমিক পাচ্ছিল না।
সমঝোতা অনুযায়ী, ফসল তোলা ও ফল পাড়াসহ খামারের সত্যিকার জরুরি কাজে যোগ দিতে চাওয়া ওয়ার্কিং হলিডে ভিসার আবেদনকারীরা দ্রুত অনুমোদন পেতে পারেন। তবে অনুমোদন নিশ্চিত নয়; স্বরাষ্ট্র বিভাগের যাচাই-প্রক্রিয়া আগের মতোই চলবে। আগস্ট থেকে ভিসা প্রক্রিয়া ধীর হতে শুরু করে, আর গত সপ্তাহে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক ব্যাকপ্যাকারের সংখ্যায় সীমা ঘোষণা করলে আঞ্চলিক এলাকায় শ্রমিক-সংকটের আশঙ্কা বাড়ে।
এনএফএফের প্রধান নির্বাহী মাইকেল গেরিন একে ‘সরল বিশ্বাসের চুক্তি’ বলেছেন: কৃষকদের সংগঠন শুধু সবচেয়ে জরুরি আবেদনগুলো পাঠাবে, আর সরকার সেগুলো অগ্রাধিকার দিয়ে নিষ্পত্তি করবে। তাঁর ভাষায়, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শূন্য থেকে শুরু করে একটি ব্যবস্থা চালু করা গেছে। এনএফএফ আশা করছে, কিছু আবেদন কয়েক দিনের মধ্যেই নিষ্পত্তি হবে, যদিও প্রতিদিন কতগুলো আবেদন যাবে তা এখনো কোনো পক্ষই জানে না।
গেরিন বলেন, অস্ট্রেলিয়ার কৃষি পুরোপুরি ওয়ার্কিং হলিডে ভিসা ও নানা ধরনের বিদেশি শ্রমের ওপর নির্ভরশীল; উৎপাদকেরা মাঠের ফসল ঘরে তুলতে পারছেন না। ভিসার এই ধীরগতির কারণে সাইলেজ তৈরির ঠিকাদারেরাও শ্রমিক-সংকটে পড়েছেন।
দ্রুত অনুমোদনের উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও গেরিনের মতে এটি দীর্ঘমেয়াদি কোনো সমাধান নয়, অভিবাসন ব্যবস্থার বড় সংস্কারের প্রশ্নও এতে মেটে না; কারণ আঞ্চলিক জনপদগুলো এমন অনেক কাজের জন্য বিদেশি শ্রমিকের ওপর নির্ভর করে, যেসব কাজে অস্ট্রেলীয় পাওয়া যায় না। প্রতিবেদনটি লিখেছেন অ্যাঙ্গাস ভার্লি ও জাস্টিন লংমোর।
ছবি: Nick Pitsas, CSIRO / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 3.0)
সূত্র: এবিসি রুরাল





মন্তব্য
(০)