সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮৭%বাতাস কিমি/ঘ

আফ্রিকা থেকে এলো জোড়া সিংহ, আট ওয়াইল্ড বিস্ট

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় যুক্ত হয়েছে একজোড়া আফ্রিকান সিংহ ও ৮টি ওয়াইল্ড বিস্ট। বৃহস্পতিবার রাত ১০টায় এসব প্রাণী চিড়িয়াখানায় এসে পৌঁছেছে।

পরিবেশ

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় যুক্ত হয়েছে একজোড়া আফ্রিকান সিংহ ও ৮টি ওয়াইল্ড বিস্ট। বৃহস্পতিবার রাত ১০টায় এসব প্রাণী চিড়িয়াখানায় এসে পৌঁছেছে।

সিংহ জোড়ার মধ্যে একটি পুরুষ ও একটি স্ত্রী। ওয়াইল্ড বিস্টের মধ্যে ৩টি পুরুষ ও ৫টি স্ত্রী।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) মো. তৌহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জাগো নিউজকে বলেন, প্রাণীগুলো দক্ষিণ আফিকা থেকে আনা হয়েছে। সেগুলো চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় পৌঁছেছে। এখন থেকে ১৫ দিন সেগুলো সরবরাহকারীর তত্ত্বাবধানে চিড়িয়াখানায় থাকবে। এই সময় পশুগুলো কোয়ারেন্টাইনে রাখা হবে। ১৫ দিন শেষ হলে সুস্থতা সাপেক্ষে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করবে এবং দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।

আরও পড়ুন: ভারত থেকে পালিয়ে এলো নীলগাই

এর আগেও বাঘ, জেব্রা, উটপাখি, ক্যাঙ্গারু, লামাসহ কয়েক প্রজাতির প্রাণী আমদানি করে আনা হয় চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায়।

ইকবাল হোসেন/এমএইচআর/এমএস

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()