সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩৩°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৬৩%বাতাস কিমি/ঘ

সহজে পুঁইশাক চাষ করবেন যেভাবে

আমাদের দেশে পুঁইশাক একটি জনপ্রিয় শাক। দেশের প্রতিটি হাট-বাজারে প্রায় সারাবছরই পুঁইশাক পাওয়া যায়। সহজলভ্য হওয়ায় এই শাক সবার কাছে প্রিয়। অন্যদিকে এ শাকের পুষ্টিগুণও অনেক। সাধারণত সাদা ও লাল এই দুই ধরনের পুঁইশাক আমাদের দেশে পাওয়া যায়।

শাকসবজি

আমাদের দেশে পুঁইশাক একটি জনপ্রিয় শাক। দেশের প্রতিটি হাট-বাজারে প্রায় সারাবছরই পুঁইশাক পাওয়া যায়। সহজলভ্য হওয়ায় এই শাক সবার কাছে প্রিয়। অন্যদিকে এ শাকের পুষ্টিগুণও অনেক। সাধারণত সাদা ও লাল এই দুই ধরনের পুঁইশাক আমাদের দেশে পাওয়া যায়।

বলা হয়ে থাকে শাক জাতীয় তরকারির মধ্যে পুঁইশাক হলো সবার সেরা। পুঁইশাক খুব সুস্বাদু। আমাদের দেশে প্রায় সব স্থানেই পুঁইশাকের চাষ করা হয়। শহরের বাড়ির ছাদ কিংবা ব্যালকনিতেও খুব সহজে এর চাষ করা যায়। সঠিক পদ্ধতিতে পুঁইশাক চাষ করলে বেশি লাভবান হওয়া যায়।

গরম, আর্দ্র আবহাওয়া ও রোদেলা স্থানে পুঁইশাক ভালো জন্মে। সব ধরনের মাটিতেই পুঁইশাক চাষ করা যায়। তবে পুঁইশাক বেলে দো-আঁশ ও এঁটেল দো-আঁশ মাটিতে সবচেয়ে ভালো হয়। তাই বাণিজ্যিকভাবে পুঁইশাক চাষের ক্ষেত্রে দো-আঁশ, বেলে দো-আঁশ ও এঁটেল মাটিযুক্ত জমি বেছে নিতে হবে।

পুঁইশাকের দুটি জাত রয়েছে। এগুলো হচ্ছে,- লাল পুঁইশাক। এর পাতা ও কাণ্ড লালচে রঙের। অন্য জাতের নাম সবুজ পুঁইশাক। এর পাতা ও কাণ্ড সবুজ।

জমির আগাছা পরিষ্কারের পর ৫ থেকে ৬টি চাষ ও মই দিয়ে জমির মাটির উত্তমরূপে তৈরি করতে হবে। চারা উৎপাদন করে ১৫-২০ দিনের চারা লাগানো যায়। পুঁইশাকের চারা রোপণের জন্য সারি থেকে সারি ১ মিটার এবং প্রতি সারিতে ৫০ সেন্টিমিটার দূরে দূরে চারা রোপণ করতে হয়।

শুরুতে ইউরিয়া ছাড়া সব সারই জমি তৈরির সময় প্রয়োগ করতে হবে। চারার বয়স ১০-১২ দিন হলে ইউরিয়া সার প্রথম কিস্তি ৩০-৪০ দিন পর এবং প্রথমবার ফলন তোলার পর বাকি দুই কিস্তি এই মোট তিন কিস্তিতে সার প্রয়োগ করতে হবে।

গোবর ও টিএসপি সার অর্ধেক জমি তৈরির সময় এবং বাকি অর্ধেক চারা রোপণের সময় গর্তে প্রয়োগ করতে হবে।পুঁইশাক চাষে শতক প্রতি সারের মাত্রা হলো,- গোবর ৬০ কেজি, সরিষার খৈল ৫০০ গ্রাম, ইউরিয়া ৮০০ গ্রাম টিএসপি ৪০০ গ্রাম এবং এমওপি ৪০০ গ্রাম।

বর্ষায় সাধারণত সেচ দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। মাটিতে রস না থাকলে অবশ্যই সেচ দিতে হবে। প্রায়ই মাটি আলগা করে দিতে হবে। পুঁই ক্ষেতের আগাছা নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ফলন বেশি পেতে হলে বাউনি দিতে হবে। পুঁইশাক গাছের গোড়ায় কখনই পানি জমতে দেয়া যাবে না। তাহলে গাছের গোড়া পচে যেতে পারে। আবার অনেক বৃষ্টিপাত হলে দেখা যায় যে গোড়ার মাটি ধুয়ে যায়। তাই বৃষ্টির পর গাছের গোড়ায় মাটি দিয়ে চেপে দিতে হবে। চারা ২৫ থেকে ৩০ সেন্টিমিটার উঁচু হলে আগা কেটে দিতে হবে, এতে গাছ ঝোপালো হয়।

পুঁইশাকে পাতার বিটল বা ফ্লি বিটল ছাড়া আর কোনো পোকা তেমন ক্ষতি করে না। এই পোকা পুঁইশাকের পাতা ছোট ছোট ছিদ্র করে ফেলে। সারকোস্পোরা পাতার দাগ পুঁইশাকের একটি মারাত্মক রোগ। এছাড়া আরও কয়েক ধরনের রোগ পুঁইশাক গাছে দেখা দিতে পারে।

পুঁইশাকের ডগা লম্বা হতে শুরু করলেই ডগা কেটে সংগ্রহ করতে হবে। এভাবে ডগা কেটে সংগ্রহ করলে নতুন ডগা গজাবে। নতুন ডগা কয়েকবার কেটে ফসল সংগ্রহ করা যায়। ভালোভাবে চাষ করলে প্রতি শতকে ১৩০-১৫০ কেজি পুঁইশাকের ফলন পাওয়া যায়।

এমএমএফ/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

শাকসবজি

সম্পর্কিত খবর

এগ্রোটেক

মনিরামপুরে নারকেলের ছোবড়া থেকে কোকোপিট: মাটিবিহীন চারা উৎপাদনের উপকরণ বানিয়ে আত্মকর্মসংস্থান আনসার সদস্যের

যশোরের মনিরামপুরের কুলটিয়া ইউনিয়নের আনসার-ভিডিপি সদস্য মো. রবিউল ইসলাম ছোবড়া থেকে আঁশ ছাড়ানোর পর বাকি পিথ প্রক্রিয়াজাত করে কোকোপিট তৈরি করছেন—প্রো-ট্রেতে টমেটো, মরিচ, বেগুন, ক্যাপসিকাম ও কপির চারার গ্রোয়িং মিডিয়াম; জেলা ও উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তারা পরিদর্শন করে পরামর্শ দিয়েছেন।

প্রতিদিনের সংবাদ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
শাকসবজি

নবীনগরে মালচিংয়ে পার্পল কিং বেগুন: দিনে ৪০–৪৫ কেজি, কেজি ৮০–১২০ টাকা—সেলুন ছেড়ে কৃষিতে মাঈন উদ্দিনের সাফল্য

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিদ্যাকুট গ্রামের মাঈন উদ্দিন বি-স্ট্রং প্রকল্প ও উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শে প্রথমবার মালচিং পদ্ধতিতে বেগুন করে আগাছা কম, আর্দ্রতা ভালো, ফলন বেশি পেয়েছেন; আরও দুই মাস হারভেস্ট চলবে, মৌসুম শেষে ৩ লাখ টাকার বেশি লাভের আশা, আগামীতে ৪ বিঘায় সম্প্রসারণ।

বাসস১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
শাকসবজি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বন বেগুনের কাণ্ডে কলম করে গ্রীষ্মকালীন টমেটোর চারা: শতাধিক নার্সারিতে বছরে ১.২ কোটি টাকার কেনাবেচা

সদর উপজেলার নাটাই উত্তর, রামরাইল ও মাছিহাতা ইউনিয়নে ছয় শতাধিক নারী-পুরুষ গ্রাফটিং ও বীজ থেকে চারা উৎপাদনে জীবিকা নির্বাহ করছেন; উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার হিসাবে প্রায় ৫ লাখ গ্রাফটিং চারা, মূল্য প্রায় ৭৫ লাখ টাকা—জুন-অক্টোবরের বৃষ্টিতে সাধারণ টমেটো না হওয়ায় আমদানিনির্ভরতা কমানোর পথ।

বাসস১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()