সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩৩°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৬৩%বাতাস কিমি/ঘ

এক জমিতেই ১১ ফসল ফলিয়ে চমক আমিরুলের

সারিবদ্ধভাবে রোপণ করা হয়েছে মাল্টা গাছ। মাল্টা গাছের এ বাগানটি দেখলে যে কারো চোখজুড়িয়ে যাবে। বাগানের মাঝখানে গমের ক্ষেত। এর সঙ্গে লাউ, পেঁয়াজ ও শিমসহ ১১ ধরনের ফসল আবাদ করা হয়েছে। একই জমিতে ১১ ধরনের ফসল আবাদ করে এলাকাজুড়ে চমক সৃষ্টি করেছেন কৃষক আমিরুল ইসলাম।

শাকসবজি

সারিবদ্ধভাবে রোপণ করা হয়েছে মাল্টা গাছ। মাল্টা গাছের এ বাগানটি দেখলে যে কারো চোখজুড়িয়ে যাবে। বাগানের মাঝখানে গমের ক্ষেত। এর সঙ্গে লাউ, পেঁয়াজ ও শিমসহ ১১ ধরনের ফসল আবাদ করা হয়েছে। একই জমিতে ১১ ধরনের ফসল আবাদ করে এলাকাজুড়ে চমক সৃষ্টি করেছেন কৃষক আমিরুল ইসলাম।

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার বারঘরিয়া এলাকার বাসিন্দা আমিরুল ইসলাম। দুবছর আগে নিজস্ব জমিতে করেছিলেন মাল্টা বাগান। এখন ফল আসা শুরু হয়েছে মাল্টা গাছগুলোতে।

বাগানের ফাঁকা অংশ ফেলে না রেখে একই জমিতে বিভিন্ন ধরনের ফসল চাষ করে লাভবান হয়েছেন আমিরুল। তার সাফল্যে প্রশংসা করছেন এলাকার সবাই৷

কৃষক আমিরুল ইসলাম বলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আওতায় আমি তিন বছর আগে মাল্টা বাগান করেছিলাম। তিন বিঘা জমির মধ্যে আমার এ বাগানটি। বাগানে ফাঁকা জায়গাগুলোতে আমি গম, আলু, শিম, লাউ, পেয়াজ ও মরিচসহ ১১টি ফসল আবাদ করেছি। একসঙ্গে এতগুলো ফসল চাষ করতে পেরে অনেক লাভবান হয়েছি। এখন বাগানটির পরিধি আরও বাড়ানোর চিন্তা করছি।

রাণীশংকৈল কৃষি অফিসের উপ-সহকারী কৃষি অফিসার আনোয়ার হোসেন বলেন, কৃষক আমিরুল ইসলামকে মাল্টা বাগান করার পরামর্শ দিয়েছিলাম। তিনি মাল্টা বাগান করার পর একসঙ্গে ১১টি সাথী ফসল করে বেশ লাভবান হয়েছেন। আমাদের কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে তাকে সার্বিক সহযোগিতা করেছি।

রাণীশংকৈল উপজেলার কৃষি অফিসার কৃষিবিদ সঞ্জয় দেবনাথ বলেন, লেবু জাতীয় ফসলের সম্প্রসারণ ও ব্যবস্থাপনার আওতাধীন আমরা কৃষক আমিরুল ইসলামকে মাল্টা বাগান করার জন্য ১২০টি চারা দিয়েছিলাম। দুই বছর অতিক্রম করলেও ফল পাওয়া যায়নি, তাই তিনি জমিটা ফেলে না রেখে সাথী ফসল আবাদ করেছেন।

এখন একই জমিতে তিনি ১১টি ফসল আবাদ করেছেন। আমরা চেষ্টা করছি ১১টি থেকে ১৫টি ফসলে রূপ দেওয়া যায় কিনা। আমরা মনে করছি একদিকে যেমন খাদ্য উৎপাদন বাড়বে, অপরদিকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা 'কোনো জমি খালি পরে থাকবে না' সেটি বাস্তবায়ন হবে।

তানভীর হাসান তানু/এমএমএফ/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

শাকসবজি

সম্পর্কিত খবর

এগ্রোটেক

মনিরামপুরে নারকেলের ছোবড়া থেকে কোকোপিট: মাটিবিহীন চারা উৎপাদনের উপকরণ বানিয়ে আত্মকর্মসংস্থান আনসার সদস্যের

যশোরের মনিরামপুরের কুলটিয়া ইউনিয়নের আনসার-ভিডিপি সদস্য মো. রবিউল ইসলাম ছোবড়া থেকে আঁশ ছাড়ানোর পর বাকি পিথ প্রক্রিয়াজাত করে কোকোপিট তৈরি করছেন—প্রো-ট্রেতে টমেটো, মরিচ, বেগুন, ক্যাপসিকাম ও কপির চারার গ্রোয়িং মিডিয়াম; জেলা ও উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তারা পরিদর্শন করে পরামর্শ দিয়েছেন।

প্রতিদিনের সংবাদ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
শাকসবজি

নবীনগরে মালচিংয়ে পার্পল কিং বেগুন: দিনে ৪০–৪৫ কেজি, কেজি ৮০–১২০ টাকা—সেলুন ছেড়ে কৃষিতে মাঈন উদ্দিনের সাফল্য

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিদ্যাকুট গ্রামের মাঈন উদ্দিন বি-স্ট্রং প্রকল্প ও উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শে প্রথমবার মালচিং পদ্ধতিতে বেগুন করে আগাছা কম, আর্দ্রতা ভালো, ফলন বেশি পেয়েছেন; আরও দুই মাস হারভেস্ট চলবে, মৌসুম শেষে ৩ লাখ টাকার বেশি লাভের আশা, আগামীতে ৪ বিঘায় সম্প্রসারণ।

বাসস১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
শাকসবজি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বন বেগুনের কাণ্ডে কলম করে গ্রীষ্মকালীন টমেটোর চারা: শতাধিক নার্সারিতে বছরে ১.২ কোটি টাকার কেনাবেচা

সদর উপজেলার নাটাই উত্তর, রামরাইল ও মাছিহাতা ইউনিয়নে ছয় শতাধিক নারী-পুরুষ গ্রাফটিং ও বীজ থেকে চারা উৎপাদনে জীবিকা নির্বাহ করছেন; উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার হিসাবে প্রায় ৫ লাখ গ্রাফটিং চারা, মূল্য প্রায় ৭৫ লাখ টাকা—জুন-অক্টোবরের বৃষ্টিতে সাধারণ টমেটো না হওয়ায় আমদানিনির্ভরতা কমানোর পথ।

বাসস১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()