২০১৮ সালের ফার্ম বিল যে খামার-অর্থনীতির জন্য লেখা হয়েছিল, তা আর নেই—American Farm Bureau Federation (আমেরিকান ফার্ম ব্যুরো ফেডারেশন)-এর অর্থনীতিবিদ Faith Parum (ফেইথ প্যারাম)-এর মার্কেট ইনটেল বিশ্লেষণের যুক্তি এটাই, যা লেখা হয়েছে আমেরিকান ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন, আমেরিকান সয়াবিন অ্যাসোসিয়েশন, ফার্ম ক্রেডিট কাউন্সিল, ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব হুইট গ্রোয়ার্স, ন্যাশনাল কর্ন গ্রোয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন, ন্যাশনাল সরগম প্রডিউসার্স ও ইউএসএ রাইসের সঙ্গে মিলে। এরপর চাষিরা পার করেছেন মহামারি, সরবরাহ-শৃঙ্খলের বিঘ্ন, ঐতিহাসিক মুদ্রাস্ফীতি ও দ্রুত বাড়া সুদহার, আর খাদ্য, আঁশ ও জ্বালানি উৎপাদনের খরচ বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে।
সবচেয়ে স্পষ্ট মাপকাঠি চাষি যা দেন আর যা পান তার ফারাক। ইউএসডিএ-র শস্য খামারের উপকরণে প্রদত্ত মূল্যসূচক ২০১৮-র জুলাইয়ের ১১০.৮ থেকে ২০২৬-এর জুলাইয়ে ১৫৩.৪—৩৮ শতাংশের বেশি; শস্যপণ্যে প্রাপ্ত মূল্যসূচক ৮৬.৫ থেকে ১০৭.০—প্রায় ২৪ শতাংশ। মার্কিন খামারের মোট উৎপাদন খরচ ২০১৮-র প্রায় ৩৪,৩০০ কোটি ডলার থেকে ২০২৬-এ প্রাক্কলিত ৪৯,২৮০ কোটি—প্রায় ৪৪ শতাংশ বা প্রায় ১৫,০০০ কোটি ডলার বেশি—আর ২০২৬-এর ডলারে হিসাব করলেও প্রকৃত বৃদ্ধি ৪,৭০০ কোটির বেশি, প্রায় ১১ শতাংশ; ছড়িয়ে আছে সার, জ্বালানি, শ্রম, যন্ত্রসহ সবখানে।
সেই পুঁজির চাহিদার সঙ্গে বেড়েছে ঋণ: খামার খাতের মোট ঋণ ২০১৮-য় প্রায় ৪০,২৬০ কোটি ডলার, ২০২৬-এ পূর্বাভাস ৬০,৫১০ কোটি—প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি; এ বছর ভূসম্পত্তি ও অন্য ঋণ দুটোই বাড়ার প্রত্যাশা। ধারও দামি হয়েছে—সুদের খরচ প্রায় ২,০৭০ কোটি থেকে প্রাক্কলিত ৩,৩৮০ কোটি ডলার, প্রায় ৬৩ শতাংশ বেশি। পুঁজিনির্ভর শিল্পে ঋণ নিজে দুর্বলতা নয়, বিশ্লেষণ বলছে, তবে বেশি ঋণ বেশি হারে মানে ঋণসেবার দায় বাড়ে আর মুনাফা সংকুচিত হলে ঝুঁকিও।
ব্যালান্স শিটের শক্ত দিক জমি। মার্কিন ফসলি জমির গড় মূল্য ২০১৮-র একরপ্রতি প্রায় ৪,১৩০ ডলার থেকে ২০২৬-এ ৬,০২০ ডলার—প্রায় ৪৬ শতাংশ বেশি; খামার-ভূসম্পত্তির গড় একরে ৪,৫০০ ডলার। তাতে ইকুইটি ও ঋণক্ষমতা বাড়ে, কিন্তু জমি তরল সম্পদ নয়—কাগজে খামার শক্ত দেখালেও পরিচালন খরচ বা ঋণ শোধের নগদ না-ও থাকতে পারে—আর বেশি দাম ও নগদ ভাড়া (একরে প্রায় ১৩৮ থেকে ১৬০ ডলার, প্রায় ১৬ শতাংশ বেশি) নতুনদের ঢোকা ও খামার বাড়ানো দামি করে।
বিশ্লেষণের উপসংহার: "ফল হলো এমন এক কৃষি-অর্থনীতি, যা চালাতে ২০১৮-র চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি পুঁজি লাগে"; প্রায় এক দশক আগের নয়, আজকের খরচ, ঝুঁকি ও আর্থিক বাস্তবতার প্রতিফলন ঘটিয়ে কংগ্রেসকে এ বছরই পাঁচ বছরের ফার্ম বিল পাস করার আহ্বান জানিয়েছে তারা।
সূত্র: American Farm Bureau Federation




মন্তব্য
(০)