রোপণ মৌসুমের শুরুতে বৃষ্টি কম হলেও পরে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত ও অনুকূল আবহাওয়ায় হবিগঞ্জে রোপা আমনের ভালো ফলনের আশা করছেন কৃষক ও কর্মকর্তারা। সময়মতো বৃষ্টি ও হাওর থেকে পানি নেমে যাওয়ায় লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে বলে জেলা কৃষি বিভাগ জানিয়েছে; প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে কৃষকের মুখে হাসি ফুটবে।
চলতি মৌসুমে জেলায় প্রায় ৯২ হাজার হেক্টরে রোপা আমনের লক্ষ্যমাত্রা: চুনারুঘাটে সর্বোচ্চ ১৮ হাজার ২৮৫ হেক্টর, নবীগঞ্জে ১৩ হাজার ৪০৫, মাধবপুরে ১২ হাজার ২৬০, সদরে ১০ হাজার ৪১০, বাহুবলে ১০ হাজার ২৭০, বানিয়াচংয়ে ৯ হাজার ৬৮৫, আজমিরীগঞ্জে ৭ হাজার ৬৫০, লাখাইয়ে ৬ হাজার ৯৫০ ও শায়েস্তাগঞ্জে ৩ হাজার ৯০ হেক্টর। লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৯২ শতাংশ জমিতে রোপণ হয়ে গেছে, কয়েক দিনেই শতভাগ হবে।
সদরের পইল গ্রামের কৃষক রহিম আলী বাসসকে বলেন, ভালো বৃষ্টিতে সময়মতো আমন লাগাতে পেরেছেন; আবহাওয়া ভালো থাকলে অন্য বছরের মতো ফলন হবে, তবে ধানের দাম বাড়াতে সরকারের প্রতি আহ্বান তাঁর। ছোট বহুলা গ্রামের বাছির মিয়া জানান, এবার সারের কোনো সংকট দেখেননি; একই গ্রামের আকবর আলীর কথায়, ধানের দাম কম বলে কৃষক তেমন লাভবান নন, সার ও ডিজেলে আরও ভর্তুকি পেলে উপকার হতো—তবে তাঁর এলাকায় সার-ডিজেলের সংকট নেই এবং উর্বর মাটিতে বছরে দুই ফসল হয়।
হবিগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আক্তারুজ্জামান বাসসকে বলেন, গত বছর প্রায় ৮৮ হাজার হেক্টরে রোপা আমন হয়েছিল, এ বছর আবাদ আরও বাড়ছে; পর্যাপ্ত বীজতলা আছে, বীজের সমস্যা হবে না এবং এ মৌসুমে সার সংকট নেই। কিছু এলাকায় সাময়িক বন্যায় রোপা আমন ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সেসব এলাকায় এখন আর সমস্যা নেই বলে তিনি জানান।
বাসসের হবিগঞ্জ বিশেষ প্রতিবেদন অবলম্বনে। সূত্র: বাসস





মন্তব্য
(০)