সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৯°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৮৬%বাতাস কিমি/ঘ

কলা চাষে দেড় লাখ টাকা আয়ের সম্ভাবনা আলাউদ্দিনের

আলাউদ্দিন (৫৫) কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার এগারসিন্দুর ইউনিয়নের আদিত্যপাশা গ্রামের বাসিন্দা। বাড়ির পাশের ২০ শতক জমিতে কৃষি অফিসের সহায়তায় জি-নাইন জাতের কলা চাষ করেছেন। সেই কলা চাষেই ভাগ্য খুলেছে তার। এ জমি থেকেই বিনা খরচে দেড় লাখ টাকা আয়ের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। তার সফলতা দেখে অন্য কৃষকও এ জাতের ক

ফল

আলাউদ্দিন (৫৫) কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার এগারসিন্দুর ইউনিয়নের আদিত্যপাশা গ্রামের বাসিন্দা। বাড়ির পাশের ২০ শতক জমিতে কৃষি অফিসের সহায়তায় জি-নাইন জাতের কলা চাষ করেছেন। সেই কলা চাষেই ভাগ্য খুলেছে তার। এ জমি থেকেই বিনা খরচে দেড় লাখ টাকা আয়ের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। তার সফলতা দেখে অন্য কৃষকও এ জাতের কলা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।

জানা গেছে, কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় পরীক্ষামূলকভাবে চাষ হচ্ছে জি-নাইন জাতের কলা। এটি উচ্চ ফলনশীল কলার জাত। যার প্রতিটি কাঁদিতে কলা ধরবে প্রায় ২০০টি। অল্প জমিতেও জি-নাইন কলা চাষে বেশি ফলন পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। এছাড়া এক কাঁদি কলা কৃষক ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা বিক্রি করতে পারবেন। এ কলা উচ্চফলনশীল, রোগ প্রতিরোধী এবং অত্যন্ত সুস্বাদু। রোপণের ৬ মাসের মাঝেই ফলন চলে আসে। ২ বছরে ৩ বার ফলন ঘরে তুলতে পারবেন কৃষক। গাছের আকার মাঝারি সাইজ হওয়ায় ঝড় বা বাতাসে ভেঙে পড়ে না। গাছ থেকে সংগ্রহের পর এ কলা তুলনামূলক বেশিদিন টিকে থাকে। কাঁদির প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত সব কলার আকার একই। কলার গায়ে কোনো দাগ যাতে না পড়ে, সে জন্য ব্যাগ ব্যবহার করতে হয়।

আরও পড়ুন: ঈশ্বরদীর বিষমুক্ত লিচু যাচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাত

স্থানীয় কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, পাকুন্দিয়া উপজেলার আঙ্গিয়াদী ব্লকের আদিত্যপাশা বাগানবাড়ি এলাকার কৃষক আলাউদ্দিনকে উচ্চ ফলনশীল জি-নাইন জাতের কলা চাষে উদ্বুদ্ধ করা হয়। প্রথমবারের মতো তার ২০ শতক জমিতে জি-নাইন জাতের ২০০টি কলা গাছ রেফার করা হয়েছে। ২০০টি কলা গাছের চারা, সার ও কলার প্রতিটি কাঁদিতে ব্যাগ বিনা মূল্যে কৃষি বিভাগ দিয়েছে। কৃষক আলাউদ্দিন শুধু কায়িকশ্রম কাজে লাগিয়েছেন। প্রথমবারই ২০০ গাছে যে পরিমাণে ফলন হয়েছে, তাতেই দেড় লাখ টাকা আয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।

কৃষক আলাউদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, 'এ জমিতে আগে সবজি চাষ করতাম। সবজি চাষে আমার বেশি লাভ হতো না। কৃষি অফিস থেকে আমাকে জি-নাইন কলার চারা দিয়েছে। কলা লাগানোর আট মাসেই ভালো ফলন হয়েছে। কলাটি ৮ মাসেই ফল দিয়েছে। এ কলা চাষে আমার লাভ বেশি হবে। কারণ ৪ মাস সময় কম লেগেছে। আমার ২০ শতক জমিতে কৃষি অফিসের দেওয়া ২০০ চারা রোপণ করেছি। এছাড়া সার ও ব্যাগ দিয়েছে। আমার শুধু শ্রম দিতে হয়েছে। যে ফলন হয়েছে, তাতে দেড় লাখ টাকা বিক্রি করতে পারবো।'

আরও পড়ুন: পাহাড়ে গরমে কদর বেড়েছে তালের শাঁসের

একই এলাকার কৃষক সালাহ উদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, 'অন্য বাগানের কলার চেয়ে এ বাগানের কলার ছড়া অনেক বড় হয়েছে। দেখতেও সুন্দর লাগছে। এ জাতের কলা আমার খুব পছন্দ। আমিও আগামীতে এ জাতের কলা চাষ করবো। কারণ কম সময়ে ফলন আসে। এ কলা চাষে বেশি লাভবান হওয়া যাবে।'

আঙ্গিয়াদী ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ হামিমুল হক সোহাগ জাগো নিউজকে বলেন, 'কৃষক আলাউদ্দিনকে ২০ শতক জমির জন্য ২০০ চারা দেওয়া হয়েছে। মাত্র ৮ মাসেই ফলন হয়েছে। প্রতি কাঁদি কলা বর্তমান বাজার মূল্যে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা বিক্রি করতে পারবেন। এরই মধ্যে অনেক কৃষক জি-নাইন জাতের কলার চারা সংগ্রহ করে নিজ উদ্যোগে বাগান করছেন।'

এসকে রাসেল/এসইউ/জিকেএস

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

দুর্গাপুরের পরিত্যক্ত কয়লার ডিপোতে ৫০০ মাল্টাগাছ: এক একরের বাগানে এবার ৬–৭ লাখ টাকা বিক্রির আশা তিন উদ্যোক্তার

নেত্রকোণার দুর্গাপুরে কৃষি বিভাগের পরামর্শে ২০২১ সালে বারি-৩ ও ভিয়েতনামি জাতের মাল্টা লাগান রনি মিত্রেরা; বিনিয়োগ প্রায় ১০ লাখ টাকা, গত বছর সাড়ে ৩ লাখ টাকার ফল বিক্রি, এবার দ্বিগুণের সম্ভাবনা; বাগানে কেজি ৮০–১০০ টাকায় কিনছেন পাইকারেরা।

কৃষি সময়১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

সিরাজগঞ্জে ৪০০ হেক্টরের লক্ষ্য ছাড়িয়ে পেয়ারা, বাগান থেকেই পাইকারি ৪০–৪৫ টাকা কেজি: থাই ও কাজী জাতে দ্বিগুণ লাভের আশা

রায়গঞ্জ, কাজীপুর, বেলকুচি, উল্লাপাড়া ও সদরে বাম্পার ফলন; যমুনার চরেও বাগান বাড়ছে; এক বাগানে দিনে ৫–৭ শ্রমিক, চারা লাগানোর ছয় মাসে ফল, পাঁচ বছর ফল দেয়—জানালেন কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপপরিচালক এ কে এম মঞ্জুরে মাওলা।

কৃষি সময়১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফল

চা চাষের অনুপযোগী এক একরে ১৪ হাজার ড্রাগনগাছ: কুলাউড়ার সিরাজনগর চা-বাগানে দ্বিতীয় বছরেই ১২ লাখ টাকার ফল বিক্রি

২০২৪ সালে ১২ লাখ টাকা বিনিয়োগে গড়া বাগানে থাই রেড, জাম্বো রেড ও হোয়াইট পিংক জাত; কীটনাশক ছাড়া চাষ, ফুল আসার ২৫–২৬ দিনে ফল; চা-শ্রমিকেরা বাড়তি কাজ ও বিনামূল্যে ফল পাচ্ছেন, বলছেন ম্যানেজার শামীম ইসলাম ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জসীম উদ্দিন।

কৃষি সময়১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()