ব্রাজিলে সয়াবিন মাড়াইয়ের (ক্রাশিং) সক্ষমতা ২০২৬ সালে আগের বছরের চেয়ে ১৩ শতাংশ বেড়ে বছরে ৮ কোটি ৬৪ লাখ টনে দাঁড়িয়েছে। দেশটির তেলবীজ শিল্পের সংগঠন আব্যিওভে (Abiove) মঙ্গলবার এ তথ্য দিয়েছে বলে রয়টার্সের প্রতিবেদনের বরাতে জানিয়েছে দ্য পোলট্রি সাইট।
ব্রাজিলে এডিএম, বাঞ্জ ও কারগিলের মতো প্রতিষ্ঠান আব্যিওভের সদস্য। সংগঠনটি জানায়, দেশের বায়োডিজেল শিল্পের প্রধান কাঁচামাল সয়াবিন তেল এবং পশুখাদ্যের মূল উপাদান সয়ামিলের চাহিদা বাড়ায় এই সম্প্রসারণ হয়েছে। তাদের পূর্বাভাস, ২০২৬ সালে ব্রাজিল রেকর্ড ৬ কোটি ৩৫ লাখ টন সয়াবিন মাড়াই করবে।
আব্যিওভের বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাড়াই প্রতিষ্ঠানগুলো বিদ্যমান কারখানা বড় করতে বা নতুন কারখানা গড়তে ৭৭০ কোটি রিয়াল (১৫০ কোটি ডলার) বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে। আগামী ১২ মাসের মধ্যে চালু হওয়ার কথা এসব প্রকল্পে বছরে আরও ৭৪ লাখ টন মাড়াই সক্ষমতা যোগ হবে।
ব্রাজিলে চালু সয়াবিন মাড়াই কারখানার সংখ্যা ১৩১ থেকে বেড়ে ১৪৮ হয়েছে। বন্ধ কারখানা ১২ থেকে কমে ৬টি, আর নির্মাণাধীন কারখানা ৬ থেকে কমে ৩টিতে নেমেছে।
দেশে বেশি মাড়াই মানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সয়াবিন উৎপাদক ব্রাজিল কাঁচা সয়াবিন রপ্তানির বদলে ফসলের বেশি অংশ নিজের পশুখাদ্য ও জ্বালানি শিল্পে রাখছে। গবাদিপশু ও পোলট্রি খামারিদের জন্য এর অর্থ, খাদ্যের প্রধান প্রোটিন উপাদান সয়ামিলের সরবরাহ বাড়া।
ছবি: Uaequals42 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: The Poultry Site





মন্তব্য
(০)