সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩৪°বৃষ্টিআর্দ্রতা ৫৫%বাতাস কিমি/ঘবৃষ্টি ০.৩ মিমি

রাস্পবেরির সঙ্গে জন্ম-মৃত্যু, ছোট্ট শহরের বিশ্বজয়

সার্বিয়ার একটি ছোট্ট শহর আরিলিয়ে। তবে এর পরিচিতি এখন বিশ্বজুড়ে। এই শহরটিকে বলকান অঞ্চলের 'রাস্পবেরি রাজধানী' বলা হয়। এখানকার রাস্পবেরির খ্যাতি এখন দেশের সীমানা ছাড়িয়ে গেছে।

ফল

সার্বিয়ার একটি ছোট্ট শহর আরিলিয়ে। তবে এর পরিচিতি এখন বিশ্বজুড়ে। এই শহরটিকে বলকান অঞ্চলের 'রাস্পবেরি রাজধানী' বলা হয়। এখানকার রাস্পবেরির খ্যাতি এখন দেশের সীমানা ছাড়িয়ে গেছে।

আরিলিয়ে এবং এর আশপাশের এলাকায় উৎপাদিত রাস্পবেরি দূরবর্তী দেশগুলোতে রপ্তানি হয়। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান অন্যতম। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে রাস্পবেরি রপ্তানিতে শীর্ষ তিনটি দেশের একটি সার্বিয়া। আর সার্বিয়ার মোট রাস্পবেরি রপ্তানির প্রায় ২০ শতাংশের জোগান দেয় আরিলিয়ে।

স্থানীয় রাস্পবেরি চাষি সমিতির প্রধান মিলেতা পিলচেভিচ বলেন, 'আমরা রাস্পবেরির সঙ্গেই জন্মাই, বাঁচি এবং মারা যাই। আরিলিয়ে বিশ্বের মধ্যে অনন্য। ছোট জায়গায় এত বিপুল পরিমাণ রাস্পবেরি উৎপাদন আর কোথাও পাবেন না।'

আরিলিয়ের পাহাড়ি ভূপ্রকৃতি এবং আবহাওয়া রাস্পবেরি চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। স্থানীয় কৃষকরা জানান, এখানকার রাস্পবেরি কোনো রাসায়নিক ব্যবহার ছাড়াই উৎপাদন করা হয়। ফল সংগ্রহও করা হয় হাতে।

আরিলিয়ে শহরে রাস্পবেরি চাষ/ ছবি: এপি-ইউএনবি

উৎপাদকদের মতে, উচ্চমানের রাস্পবেরির স্বাদ, ঘ্রাণ ও গুণগত মান ধরে রাখতে নিয়মিত পরিচর্যা প্রয়োজন। একটি রাস্পবেরি ক্ষেত পূর্ণ উৎপাদনে যেতে কমপক্ষে দুই বছর সময় লাগে।

পিলচেভিচ বলেন, যন্ত্র বা রাসায়নিক দিয়ে কিছুই করা যায় না। সবকিছুই যত্ন নিয়ে করতে হয়।

আরিলিয়ের বেশিরভাগ রাস্পবেরি ক্ষেত কয়েক প্রজন্ম ধরে একই পরিবারের হাতে পরিচালিত হচ্ছে। প্রতি বছর এসব ক্ষেত থেকে গড়ে ১৫ থেকে ২০ হাজার টন রাস্পবেরি উৎপাদন হয়।

গ্রীষ্মের শুরুতে রাস্পবেরি সংগ্রহের মৌসুম শুরু হলে বিপুলসংখ্যক মৌসুমি শ্রমিক সেখানে কাজ করতে আসেন। শুধু সার্বিয়া নয়, ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকেও শ্রমিক আসেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় উৎপাদকরা।

স্থানীয় বাসিন্দা নাদা মারিনকোভিচ বলেন, আগাছা পরিষ্কার থেকে শুরু করে ক্ষেতের সব কাজই হাতে করতে হয়। তার কথায়, 'রাস্পবেরি তোলা খুব কঠিন নয়, তবে প্রচণ্ড রোদের মধ্যে কাজ করতে হয়।'

সার্বিয়ার উৎপাদিত রাস্পবেরির প্রায় ৯০ শতাংশ হিমায়িত অবস্থায় রপ্তানি করা হয়। বাকি অংশ দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে বিক্রি হয়।

রাস্পবেরি/ ছবি: এপি-ইউএনবি

হিমায়িত রাস্পবেরি ইউরোপের বিভিন্ন দেশে খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া জ্যাম, দই, বেকারি পণ্য ও খুচরা ফলের বাজারেও এর চাহিদা রয়েছে।

কিছু উৎপাদক সরাসরি অনলাইনেও রাস্পবেরি ও প্রাকৃতিক ফলের রস বিক্রি করেন।

এ বছর সার্বিয়ার রাস্পবেরি উৎপাদন স্বাভাবিকের তুলনায় ২০ থেকে ৩০ শতাংশ কম হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এর প্রধান কারণ গত বছরের খরা।

উৎপাদকদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে চরম আবহাওয়ার ঘটনা বাড়ছে, যা রাস্পবেরি চাষকে অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলছে। পাশাপাশি বাজারমূল্যের অস্থিরতাও বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

পিলচেভিচ বলেন, অনেক সময় রাস্পবেরির যে দাম নির্ধারণ করা হয়, তা উৎপাদন খরচ মেটানোর জন্যও যথেষ্ট হয় না। ফলে কৃষকরা লাভ তো দূরের কথা, অতিরিক্ত ঝুঁকি মোকাবিলার সক্ষমতাও হারাচ্ছেন।

এই পরিস্থিতির প্রতিবাদে অতীতেও আরিলিয়ের কৃষকরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। পিলচেভিচ বলেন, আমাদের কাজ রাস্তায় নয়, বাগানে। কিন্তু প্রয়োজন হলে আমরা আবারও রাস্তায় নামব।

সূত্র: এপিকেএএ/ এমএফএ

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

এআই দিয়ে স্ট্রবেরির জাত উদ্ভাবন: জাপানের Culta এখন বিশ্ববাজারের দিকে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ফলের জাত উদ্ভাবন করে চুক্তিবদ্ধ চাষির মাধ্যমে ব্র্যান্ডেড ফল বিক্রি করা জাপানি স্টার্টআপ Culta অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে আলোচনা চালাচ্ছে; ২০৩২ সালের মধ্যে তাদের লক্ষ্য ৩ হাজার কোটি ইয়েন (১৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার) আয়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

গৃহবন্দি সময় কাটে ফেসবুক-ইউটিউবে, ড্রাগন চাষে সফল ইব্রাহীম

করোনাকালে গৃহবন্দি ছিলেন মাগুরার মো. ইব্রাহীম। কাজের ব্যস্ততা ছিল না। অবসর কাটাতে ফেসবুক ও ইউটিউবে ঘুরে বেড়াতেন। একদিন ড্রাগন ফল চাষের একটি ভিডিও তার নজরে আসে। এরপর একের পর এক ভিডিও দেখতে থাকেন। ধীরে ধীরে ড্রাগন চাষের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। একসময় অনলাইনে দেখা সেই ধারণাকে বাস্তবে রূপ দিতে শুরু করেন চাষ

জাগো নিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

জ্যাম-জেলি নয়, এবার পেয়ারা দিয়ে বানান টক-মিষ্টি তরকারি

আমাদের দেশে পেয়ারা সাধারণত পাকা ফল হিসেবেই বেশি খাওয়া হয়। পাকা পেয়ারা কেটে খাওয়া, জ্যাম, জেলি কিংবা বিভিন্ন মিষ্টি পদে ব্যবহার-এসবই বেশ পরিচিত। কিন্তু পেয়ারা যে শুধু ফল হিসেবে খাওয়ার জন্য নয়, তা জানলে অনেকেই অবাক হতে পারেন। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কাঁচা বা আধাপাকা পেয়ারা দিয়ে নানা ধরনের রান্না করার চল

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()