সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩৩°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৫৮%বাতাস কিমি/ঘ

ইলিশের মণ লাখ টাকা!

চাঁদপুর সদর উপজেলার হানারচর ইউনিয়নে মেঘনা নদীর অন্যতম একটি স্থান হরিণা ফেরিঘাট। সেখানে রয়েছে একটি মৎস্য আড়ত। মেঘনা নদীতে জেলেদের আহরিত ইলিশসহ বিভিন্ন মাছ নিয়ে আসা হয় এই আড়তে। তবে এখন সেই আড়তে ইলিশসহ অন্যসব মাছের দাম খুবই চড়া।

মৎস্য

চাঁদপুর সদর উপজেলার হানারচর ইউনিয়নে মেঘনা নদীর অন্যতম একটি স্থান হরিণা ফেরিঘাট। সেখানে রয়েছে একটি মৎস্য আড়ত। মেঘনা নদীতে জেলেদের আহরিত ইলিশসহ বিভিন্ন মাছ নিয়ে আসা হয় এই আড়তে। তবে এখন সেই আড়তে ইলিশসহ অন্যসব মাছের দাম খুবই চড়া।

বর্তমানে ৯০০ গ্রাম ওজনের প্রতিমণ ইলিশ বিক্রি হচ্ছে এক লাখ টাকা দরে। নদীতে ইলিশ কম এবং আমদানি না থাকায় বাজার দরের এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে জানালেন ব্যবসায়ীরা।

শুক্রবার (১০ মে) বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ওই ঘাটে কিছু সময় অবস্থান করে আড়তে আনা ইলিশের এমন দরদাম জানা গেলো। তবে এই ঘাটে সাধারণ ক্রেতার চাইতে খুচরা ব্যবসায়ীদের সংখ্যা বেশি। তারা ঘাটের আড়ৎ থেকে তাজা ইলিশ কিনে শহরে এনে বিক্রি করেন।

এই মাছঘাটে দুটি সময় জেলেরা ইলিশ নিয়ে আড়তে আসেন। রাতে যারা মাছ ধরেন তারা নিয়ে আসেন ভোরে এবং সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত যারা মাছ ধরেন তারা নিয়ে আসেন দুপুরের পর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত। এছাড়াও দিন জুড়েই আড়তগুলোতে কম-বেশি ইলিশসহ অন্যান্য মাছ বিক্রি হয়।

তাজুল সৈয়ালের আড়তে এক জেলে নিয়ে এলেন বড় সাইজের ৩টি এবং ছোট সাইজের ৩টি ইলিশ। চাঁদপুর শহর থেকে আসা একজন খুচরা ব্যবসায়ী ছোট ৩টি ইলিশ (জাটকা সাইজ) ক্রয় করলেন ৮০০ টাকায়। আর মধ্যম সাইজের ৩০০ থেকে ৪০০ গ্রাম ওজনের ৩টি ক্রয় করলেন ৩ হাজার টাকায়।

পাশের আড়তে সকাল থেকে জমিয়ে রাখা ৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হয়েছে প্রতিকেজি ২ হাজার ৫০০ টাকায়। একজন ক্রেতা ৪টি ইলিশ ক্রয় করলেন ৯ হাজার ৪০০ টাকায়।

বিল্লাল হোসেন নামের মাছ ব্যবসায়ী বলেন, আজ ছোট সাইজের ইলিশ প্রতিহালি বিক্রি হয়েছে ৮০০ টাকা দরে। বড় সাইজেরগুলো কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। বড় সাইজের পোয়া মাছ প্রতি কেজি ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা। নদীতে মাছ থাকলে প্রতিদিন এই আড়তে ১০ থেকে ১৫ মণ ইলিশ বিক্রি হয়।

হরিণা ঘাট আড়তের মৎস্য ব্যবসায়ী লতিফ শেখ বলেন, বর্তমানে মাছের খরা যাচ্ছে। জেলেরা নদীতে খুব কম মাছ পাচ্ছেন, যার কারণে দাম বেশি। এক জেলের কাছ থেকে ৪০০ গ্রামের একটি চিংড়ি ৬০০ টাকা দিয়ে কিনতে হয়েছে। এবার এই চিংড়ি কত দিয়ে বিক্রি করতে পারবো কে জানে। আগে ইলিশ প্রচুর আসতো কিন্তু এখন আসে না। মানুষ দাম বেশি দেখে ফিরে যায়।

আড়তের প্রবীণ মাছ ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলাম সৈয়াল বলেন, নদীতে মাছ খুবই কম। আমদানি কম হলে ক্রেতাদের চাহিদা মেটানো যায় না। যে কারণে দাম এখন খুবই চড়া। বছরের সবচাইতে বেশি দামে এখন ইলিশ বিক্রি হচ্ছে। তবে এই আড়তের ইলিশ তাজা। বরফ ছাড়াও ক্রেতাদের নেওয়ার সুযোগ আছে।

তিনি আরও বলেন, নদীতে পানি বাড়তে শুরু করেছে। বর্ষা মৌসুম আসন্ন। পানি আরও বৃদ্ধি ও বৃষ্টি হলে ইলিশসহ অন্যান্য মাছের আমদানি বাড়বে।

শরীফুল ইসলাম/এফএ/এমএস

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

ইলিশের উল্টো যাত্রা

একসময় গল্পটা ছিল উল্টো। পদ্মা-মেঘনার ইলিশ সীমান্ত পেরিয়ে যেত পশ্চিমবঙ্গের বাজারে। কলকাতার বাঙালির কাছে বাংলাদেশের ইলিশ ছিল বিশেষ আকর্ষণের নাম। দুর্গাপূজার আগে বাংলাদেশের ইলিশ ভারতে যাওয়ার খবর নিয়ে সংবাদমাধ্যমে উৎসবের আবহ তৈরি হতো। আর এখন সেই গল্পে যেন হঠাৎ উল্টো পাতা খুলেছে। ভারত থেকে ইলিশ আসছে বাংল

জাগো নিউজ ২৪১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬৭ মিনিটের পড়া
মৎস্য

পদ্মা-মেঘনার ইলিশ কেন এত সুস্বাদু: রহস্য মাছে নয়, তার খাবারে

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা বলছে, মোহনার প্ল্যাঙ্কটনে চর্বি জমেই স্বাদ তৈরি হয়; দেশের ইলিশের মাত্র ২ শতাংশ সরাসরি পদ্মার, বড় ও সুস্বাদু ইলিশের বেশির ভাগ আসে মেঘনার অববাহিকা থেকে।

প্রথম আলো১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

হাতিয়ায় জালে ২৮০ কেজির শাপলাপাতা মাছ, সংরক্ষিত প্রজাতি বিক্রি হলো ৯০ হাজার টাকায়

বন্য প্রাণী আইনে শিকার ও বিক্রি নিষিদ্ধ হলেও মেঘনায় ধরা পড়া সাত মণ ওজনের মাছটি চেয়ারম্যানঘাটে কেটে টুকরা করে বিক্রি হয়েছে; জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বলছেন, মৎস্য আইনে সরাসরি নিষিদ্ধ নয়, তবে বন আইনে বিপন্ন প্রজাতি।

প্রথম আলো১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()