সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৮°বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৮৩%বাতাস ১৭ কিমি/ঘবৃষ্টি ০.৮ মিমি

রং-স্বাদ বদলে চাহিদা বেড়েছে আশ্বিনা আমের

এতদিন রাজশাহীতে অন্য সব আমের দাম চড়া থাকলেও ব্যতিক্রম ছিল আশ্বিনা। মানুষের কাছে এই আমের চাহিদা ছিল কম। এসব আমের বেশিরভাগই চলে যেত প্রক্রিয়াজাত খাদ্য হিসেবেই। রং আর স্বাদের জন্যই মূলত চাহিদা ছিল না এই আমের। তবে গত আট বছরে আশ্বিনা আমের রং ও স্বাদ বদলে গেছে। ফলে এই আমের চাহিদার পাশাপাশি চাষও বেড়েছে। তৈ

ফল

এতদিন রাজশাহীতে অন্য সব আমের দাম চড়া থাকলেও ব্যতিক্রম ছিল আশ্বিনা। মানুষের কাছে এই আমের চাহিদা ছিল কম। এসব আমের বেশিরভাগই চলে যেত প্রক্রিয়াজাত খাদ্য হিসেবেই। রং আর স্বাদের জন্যই মূলত চাহিদা ছিল না এই আমের। তবে গত আট বছরে আশ্বিনা আমের রং ও স্বাদ বদলে গেছে। ফলে এই আমের চাহিদার পাশাপাশি চাষও বেড়েছে। তৈরি হয়েছে রপ্তানির সম্ভাবনা।

রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, দেশের মোট বার্ষিক আম উৎপাদন প্রায় ১২ লাখ টন। এর প্রায় ১৫ শতাংশই আশ্বিনা। আশ্বিনা আমের মোট বার্ষিক উৎপাদনের মধ্যে অন্তত ৪০ শতাংশ আসে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা থেকে। বাকি অংশ আসে রাজশাহী, নওগাঁ, নাটোর ও অন্যান্য জেলা থেকে।

২০১৩-১৪ অর্থবছরে রাজশাহী অঞ্চলে ৭৪০ হেক্টর জমিতে চাল হয় আশ্বিনা আমের। এসময় উৎপাদন হয় ৯ হাজার ২৫০ টন আম। ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে এই আমের চাষ বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৮০৯ হেক্টর। উৎপাদন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৫ হাজার ৫২৭ টন। গত আট বছরে চাষ বেড়েছে এক হাজার ৬৯ হেক্টর। ফলন বেড়েছে ১৬ হাজার ২৭৭ টন।

কৃষি বিভাগ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২০১৬ সালে আশ্বিনা আম চাষে ব্যাগিং পদ্ধতি চালু হওয়ার পর থেকে আমের স্বাদ যেমন বেড়েছে, রঙেরও উন্নতি হয়েছে। কীটপতঙ্গ থেকে আমগুলো রক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে। বিক্রিও হচ্ছে ভালো দামে, ১৬ হাজার টাকা মণ (কেজি ৪০০ টাকা)।

রাজশাহীর বাঘা অঞ্চলের আমচাষি মিরাজুল ইসলাম বলেন, 'আগে এই আমের তেমন দাম পেতাম না। কিন্তু বাপ-দাদা লাগিয়ে গেছে সেই গাছ কাটি কী করে, তাই রেখে দিয়েছি। ২০১৮ সালে ব্যাগিং পদ্ধতিতে চাষ শুরু করি। এখনো গাছে আম আছে।'

তিনি আরও বলেন, 'গত পরশু কিছু আম বাজারে নিয়েছিলাম। সেগুলো ১২ হাজার টাকা মণ (৩০০ টাকা কেজি) করে বিক্রি করেছি। বেশ ভালো দাম পাওয়ায় এখন নতুন করে এই আমের চাষ শুরু করেছি।'

রাজশাহীর কাঁটাখালি এলাকার চাষি এমদাদুল হক বলেন, 'আশ্বিনা আম তেমন চাষ করা হতো না। এখন দাম বেশি পাওয়া যায়। ওজন ভালো। আগেতো আম টিকতোই না। এখন বেশ ভালো আম টেকে (নষ্ট হয় না)। মৌসুমের শেষের এই আমের দামও ভালো পাওয়া যায়। তাই আশ্বিনা আমের চাষ নতুন করে বাড়িয়েছি।'

রাজশাহী এগ্রো ফুড প্রোডিউসার সোসাইটির হাফিজুর রহমান খান বলেন, রাজশাহী থেকে বেশ কয়েক জাতের আম রপ্তানি হয়। এরমধ্যে ৫-৭টি জাতের আম বেশি রপ্তানি হয়। এখন আশ্বিনা আম রপ্তানির চেষ্টা চলছে।

রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোছা. উম্মে ছালমা জানান, ২০১৬ সালের আগে আশ্বিনা আম সাধারণভাবে চাষ হতো। এতে উৎপাদিত আমের বেশিরভাগই নষ্ট হতো। ২০১৬ সাল থেকে ব্যাগিং পদ্ধতিতে চাষ করায় আশ্বিনা আমে চাষিদের ভাগ্য বদলে গেছে।

তিনি বলেন, ২০১৬ সালে যখন এই আমগুলোতে ব্যাগিং পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়, তখন তিনটি বড় পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। প্রথমটি ছিল স্বাদের পরিবর্তন। আমগুলো সময়ের আগে পাড়া না হওয়ায় এর মিষ্টতা নিশ্চিত হয়। দ্বিতীয়টি ছিল রঙের পরিবর্তন। বৃষ্টিতে না ভেজার কারণে এর রং অক্ষুণ্ন থাকে। তৃতীয়টি ব্যাগের কারণে আমে পোকামাকড়ের আক্রমণ হয় না।

আশ্বিনা আম চাষে চাষিদের আগ্রহ বাড়ার কারণ হিসেবে উপপরিচালক উম্মে ছালমা বলেন, এটি লেট জাতের আম। এই সময় অন্য আম তেমন থাকে না। তাই বর্তমানে আশ্বিনা আম উচ্চ মূল্যে বিক্রি হয়। এজন্য চাহিদাও বেড়েছে।

সাখাওয়াত হোসেন/এসআর/এএসএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

এআই দিয়ে স্ট্রবেরির জাত উদ্ভাবন: জাপানের Culta এখন বিশ্ববাজারের দিকে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ফলের জাত উদ্ভাবন করে চুক্তিবদ্ধ চাষির মাধ্যমে ব্র্যান্ডেড ফল বিক্রি করা জাপানি স্টার্টআপ Culta অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে আলোচনা চালাচ্ছে; ২০৩২ সালের মধ্যে তাদের লক্ষ্য ৩ হাজার কোটি ইয়েন (১৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার) আয়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

গৃহবন্দি সময় কাটে ফেসবুক-ইউটিউবে, ড্রাগন চাষে সফল ইব্রাহীম

করোনাকালে গৃহবন্দি ছিলেন মাগুরার মো. ইব্রাহীম। কাজের ব্যস্ততা ছিল না। অবসর কাটাতে ফেসবুক ও ইউটিউবে ঘুরে বেড়াতেন। একদিন ড্রাগন ফল চাষের একটি ভিডিও তার নজরে আসে। এরপর একের পর এক ভিডিও দেখতে থাকেন। ধীরে ধীরে ড্রাগন চাষের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। একসময় অনলাইনে দেখা সেই ধারণাকে বাস্তবে রূপ দিতে শুরু করেন চাষ

জাগো নিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

জ্যাম-জেলি নয়, এবার পেয়ারা দিয়ে বানান টক-মিষ্টি তরকারি

আমাদের দেশে পেয়ারা সাধারণত পাকা ফল হিসেবেই বেশি খাওয়া হয়। পাকা পেয়ারা কেটে খাওয়া, জ্যাম, জেলি কিংবা বিভিন্ন মিষ্টি পদে ব্যবহার-এসবই বেশ পরিচিত। কিন্তু পেয়ারা যে শুধু ফল হিসেবে খাওয়ার জন্য নয়, তা জানলে অনেকেই অবাক হতে পারেন। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কাঁচা বা আধাপাকা পেয়ারা দিয়ে নানা ধরনের রান্না করার চল

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()