সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৮°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৮৫%বাতাস কিমি/ঘ

সাত লাখে বিক্রি হলো ১৬ লাখ টাকা দাম চাওয়া সেই গরু

পাবনা থেকে রাজধানীর আফতাবনগর সংলগ্ন সানভ্যালি বালুরমাঠে বসা অস্থায়ী পশুর হাটে দুটি বড় গরু নিয়ে এসেছিলাম ব্যাপারী বাহার আলী। শুরুতে তিনি সব থেকে বড় গরুটির দাম চেয়েছিলেন ১৬ লাখ টাকা। অপেক্ষাকৃত একটু ছোট গরুটির দাম হাঁকা হয়েছিল ১৫ লাখ টাকা।

লাইভস্টক

পাবনা থেকে রাজধানীর আফতাবনগর সংলগ্ন সানভ্যালি বালুরমাঠে বসা অস্থায়ী পশুর হাটে দুটি বড় গরু নিয়ে এসেছিলাম ব্যাপারী বাহার আলী। শুরুতে তিনি সব থেকে বড় গরুটির দাম চেয়েছিলেন ১৬ লাখ টাকা। অপেক্ষাকৃত একটু ছোট গরুটির দাম হাঁকা হয়েছিল ১৫ লাখ টাকা।

বুধবার (২৭ মে) বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বড় গরুটি ৭ লাখ টাকায় বিক্রি করেছেন পাবনার এই ব্যাপারী। তবে অপেক্ষাকৃত একটু ছোট গরুটি এখনো বিক্রি হয়নি। সাড়ে ৫ লাখ টাকা হলেই গরুটি বিক্রি করে দিতে চাচ্ছেন ব্যাপারী বাহার আলী।

গত শনিবার (২৩ মে) পাবনা থেকে ব্রাহমা জাতের গরু দুটি সানভ্যালি বালুরমাঠে নিয়ে আসা হয়। প্রথমদিন থেকেই গরু দুটি ঘিরে উৎসুক মানুষের ভিড় দেখা যায়। কেউ মোবাইলে ছবি তুলেছেন, কেউ আবার দাঁড়িয়ে দাম শুনে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। গত তিন দিন বড় আকৃতির গরু দুটি অনেকেই ঘুরে ঘুরে দেখছিলেন। অনেকেই আবার দাম জিজ্ঞেস করেই সরে যাচ্ছিলেন।

ব্যাপারী বাহার আলী দাবি করেন, গরু দুটি তার নিজের গাভির। প্রায় ছয় বছর ধরে পরম যত্নে সেগুলো লালন-পালন করেছেন। গ্রামে প্রতিদিন একটি গরুর খাওয়ার পেছনে এক হাজার টাকা করে খরচ হয়। খামারের খাবারের পাশাপাশি প্রাকৃতিক খাবারই বেশি খাওয়ানো হয়েছে। কোনো ধরনের ক্ষতিকর ওষুধ ব্যবহার করেননি তিনি। অনেক যত্নে বড় করেছেন গরু দুটি।

হাটে আসার শুরুর দিকে বাহার আলী বড় সাইজের গরুটির দাম হাঁকিয়েছিলেন ১৬ লাখ, আর অপেক্ষাকৃত ছোটটির দাম চেয়েছিলেন ১৫ লাখ টাকা। কিন্তু বিক্রি না হওয়ায় গতকাল মঙ্গলবার (২৬ মে) তিনি দাম কমিয়ে গরু দুটির দাম যথাক্রমে ১১ ও ১০ লাখ টাকা চান। তবে তাতেও ক্রেতা মেলেনি।

অবশেষে আজ বুধবার ৭ লাখ টাকায় বড় গরুটি একজনের কাছে বিক্রি করেন বাহার আলী। তবে ছোট গরুটি এখনো বিক্রি হয়নি। এখন এই গরুটি সাড়ে পাঁচ লাখে বিক্রি করতে চান পাবনার এই ব্যাপারী।

এখনো বিক্রির অপেক্ষায় রয়েছে লাল রঙের এই গরুটি/ছবি: জাগো নিউজ

তিনি বলেন, এবার বাজার খুব খারাপ। শুধু বড় গরু না, ছোট ও মাঝারি গরুও খুব কম বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি আকারের যে গরু প্রথমদিকে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে, সেই গরুর দাম ক্রেতারা এখন ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা বলছেন।

তিনি বলেন, দুটি বড় গরুর পাশাপাশি আরও কয়েকটি ছোট গরু এনেছেন তিনি। অধিকাংশ এখনো বিক্রি হয়নি। সব থেকে বড় গরুটির মাংস হবে প্রায় ২৫ মণ। এই গরুটি আজ ৭ লাখ টাকায় বিক্রি করেছেন। আর একটি গরুর মাংস হবে ২২ থেকে ২৩ মণ, এটি এখনো বিক্রি হয়নি। কেউ সাড়ে ৫ লাখ টাকা দিলেই এটি বিক্রি করে দেবেন বলে জানান তিনি।

এখন একটি গরু ৭ লাখ টাকায় বিক্রি করে আর একটির দাম সাড়ে ৫ লাখ টাকা চাওয়া হলেও এর আগে বাহার আলী দাবি করেছিলেন, শুরুর দিকে একজন ক্রেতা গরু দুটির দাম ১৫ লাখ টাকা বলেছিলেন। তবে সেই দাম তার পছন্দ না হওয়ায় বিক্রি করতে রাজি হননি। এছাড়া ঢাকায় আনার আগে গ্রামে এক ব্যাপারী গরু দুটির দাম ১৬ লাখ টাকা বলেছিলেন। কিন্তু সেই দামেও তিনি বিক্রি করেননি।

এখন কেন কম দামে বিক্রি করছেন? এমন প্রশ্ন করা হলে এই ব্যাপারী বলেন, বাজার খুব খারাপ। এত বড় গরু গ্রামে ফিরিয়ে নিয়ে গেলে আরও লোকসান হবে। তাছাড়া বড় গরু বেশি দিন রাখা যায় না। কোরবানির পর গরুর চাহদাও কমে যাবে। তাই লোকসান মেনে নিয়েই তিনি কম দামে গরু বিক্রি করে দেওয়ার চেষ্টা করছেন।

এ সময় তিনি আফসোস করে বলেন, গরু দুটি খুব কষ্ট করে বড় করেছি। ভেবেছিলাম ঢাকায় আনলে ভালো দাম পাব। কিন্তু ঢাকায় এনে লাভ তো দূরের কথা, এখন অনেক লোকসান হয়ে যাচ্ছে। শুধু আমি একা না, এবার বেশিরভাগ ব্যাপারী ঢাকায় গরু এনে লোকসানের মুখে পড়েছেন।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

লাইভস্টক

সম্পর্কিত খবর

লাইভস্টক

ডিম-মুরগির দাম কারসাজিতে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি, খামারিরা বলছেন গরমেই উৎপাদন কম

ভোক্তা-অধিকার অধিদপ্তর ডিম ও মুরগির দাম কারসাজির বিরুদ্ধে ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি দিলেও পোলট্রি উদ্যোক্তারা বলছেন, অতিরিক্ত গরমে উৎপাদন কমাই দাম বাড়ার কারণ।

সমকাল১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

সিদ্ধ ডিম কতক্ষণের মধ্যে খাওয়া উচিত?

ঝটপট প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে কিংবা সকালের নাশতায় ডিমের জুড়ি নেই। ব্যস্ত সকালে সময় বাঁচাতে অনেকেই একসঙ্গে কয়েকটি ডিম সিদ্ধ করে রাখেন। পরিবারের সবাই খাওয়ার পরও দু-একটি ডিম বেঁচে গেলে তখন প্রশ্ন আসে-সেগুলো কি পরে খাওয়া যাবে? নাকি সিদ্ধ ডিম দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়? সঠিকভাবে সংরক্ষণ করলে সিদ্ধ ডিম ফেলে দেওয়ার

জাগো নিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

কলম্বিয়ার নতুন আইনে গবাদিপশুর বাণিজ্য বাঁধা পড়ল বন পর্যবেক্ষণে

২০২৬ সালের ৪ জুন কার্যকর হওয়া লেই ২৫৮৫ কলম্বিয়ার গবাদিপশুর ট্রেসেবিলিটিকে বন পর্যবেক্ষণ ও ভূমির নথির সঙ্গে যুক্ত করেছে; আইনের তিনটি অনুচ্ছেদ গড়ে উঠেছে অ্যালায়েন্স অব বায়োভার্সিটি ইন্টারন্যাশনাল ও সিআইএটি-র কাজের ওপর ভিত্তি করে।

CGIAR১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()