সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৫°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৯৫%বাতাস কিমি/ঘ

৬৪ বছরের ইতিহাস টপকে লবণের রেকর্ড উৎপাদন

মৌসুম শেষ হওয়ার আগেই কক্সবাজারে চলতি বছরে রেকর্ড পরিমাণ লবণ উৎপাদন করেছেন প্রান্তিক চাষিরা। এখন পর্যন্ত ২৩ লাখ ৩১ হাজার টন লবণ উৎপাদন করেছেন তারা। উৎপাদনে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গত ৬৪ বছরের ইতিহাসকে পেছনে ফেলেছে লবণ শিল্প।

ফসল

মৌসুম শেষ হওয়ার আগেই কক্সবাজারে চলতি বছরে রেকর্ড পরিমাণ লবণ উৎপাদন করেছেন প্রান্তিক চাষিরা। এখন পর্যন্ত ২৩ লাখ ৩১ হাজার টন লবণ উৎপাদন করেছেন তারা। উৎপাদনে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গত ৬৪ বছরের ইতিহাসকে পেছনে ফেলেছে লবণ শিল্প।

গত দুইমাস বয়ে চলা তীব্র দাবদাহের কারণে উৎপাদনের এ আধিক্য বলে উল্লেখ করেছেন বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) লবণ শিল্প উন্নয়ন কার্যালয়ের উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. জাফর ইকবাল ভূঁইয়া।

চাষিরা বলছেন, মৌসুম শুরুর সময় লবণের যে দাম পাওয়া গেছে এখন তা নেই। ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত হলে সামনের দিনগুলোতে লবণ চাষে আরও চাষি বাড়তে পারে।

বিসিক কক্সবাজার কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে জেলার টেকনাফ, কক্সবাজার সদর, পেকুয়া, মহেশখালী, ঈদগাঁও, চকরিয়া, কুতুবদিয়া ও চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে ৬৮ হাজার ৩০০ একর জমিতে লবণ চাষ হচ্ছে। এবার দেশে লবণ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ২৫ লাখ ২৮ হাজার টন। এরইমধ্যে উৎপাদন হয়েছে রেকর্ড পরিমাণ ২৩ লাখ ৩১ হাজার টন। যা অতীতের সব ইতিহাসকে পেছনে ফেলেছে। অথচ গত বছর ৬৬ হাজার ৪২৪ হেক্টর জমিতে উৎপাদন হয়েছিল ২২ লাখ ৩৩ টন।

চলতি লবণ মৌসুমে লবণচাষির সংখ্যা ৪০ হাজার ৭০০ জন, যা গত বছর ছিল ৩৯ হাজার ৪০০ জন। ফলে গেল বছরের তুলনায় এ বছর লবণ চাষির সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে এক হাজার ৩০০ জন।

অনুকূল আবহাওয়া ও গত বছর লবণের ন্যায্যমূল থাকায় এবারে লবণ চাষ বেশি হয়েছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। চাষিদের নিরাপত্তা, লবণ আমদানি বন্ধ এবং ন্যায্যমূল্য পেলে ভবিষ্যতে আরও বেশি লবণ চাষ হতে পারে বলেও উল্লেখ করেন তারা।

ঈদগাঁওয়ের গোমাতলী এলাকার লবণচাষি রিদুয়ানুল হক বলেন, এবার মৌসুম শুরুর পর থেকে প্রকৃতিতে বৃষ্টি নেই বললেই চলে। এর বিপরীতে বহমান ছিল তীব্র রোদ। ফলে লবণ উৎপাদন বেশি হয়েছে। ভোগান্তি গেলেও লবণচাষ সংশ্লিষ্টরা বেজায় খুশি।

খুরুশকুলের রাস্তারপাড়ার লবণ চাষি বেলাল আহমদ বলেন, জমির ইজারা, পলিথিন ও শ্রমিকের মূল্য চড়া হলেও লবণ উৎপাদন বেশি হওয়ায় লোকসানের হাত থেকে বাঁচবে চাষিরা। মৌসুমের শুরুতে লবণের দাম ভালো থাকলেও উৎপাদন বেশি হওয়ায় এখন দাম নিম্নগামী। এভাবে চললে শেষমেশ লোকসান গুনতে হবে।

বাংলাদেশ লবণচাষি পরিষদের আহ্বায়ক সাজেদুল করিম জানান, এ বছর চাষিরা রেকর্ড পরিমাণ লবণ উৎপাদন করেছেন। গত কয়েক বছর আমদানি বন্ধ থাকা ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত হওয়ায় চাষিরা লবণ উৎপাদন বাড়াতে আন্তরিকভাবে শ্রম দিচ্ছেন। এবারও উৎপাদন বাড়ায় আমদানির চিন্তা করতে হবে না। আমাদের প্রত্যাশা দেশের স্বয়ংসম্পূর্ণ শিল্পটি বাঁচিয়ে রাখতে চাষিরা এবারও ন্যায্যমূল্য পাবেন।

ভালো দামের আশায় অনেক কৃষক মাঠেই লবণ মজুত করছেন। কিন্তু বাজারে সরবরাহ বেশি থাকায় দামের কিছুটা হেরফের হতে পারে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

বিসিক লবণ উন্নয়ন প্রকল্পের মাঠ পরিদর্শক মো. ইদ্রিস আলী বলেন, লবণ উৎপাদনে গত ৬৪ বছরের ইতিহাস ভেঙে এবার রেকর্ড উৎপাদন হয়েছে। দৈনিক গড় উৎপাদনও হয়েছে রেকর্ড পরিমাণ। আগে যেখানে দৈনিক গড়ে সর্বোচ্চ ৩৬ হাজার টন লবণ হতো, সেখানে এবার দৈনিক গড়ে ৩৯ হাজার টন উৎপাদন হয়েছে।

বিসিকের কক্সবাজার লবণ শিল্পের উন্নয়ন কার্যালয়ের উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. জাফর ইকবাল ভূঁইয়া বলেন, চলতি সৌমুমে আমাদের লবণ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্র ছিল ২৫ লাখ ২৮ হাজার টন। গেল কয়েকদিন আবহাওয়া কিছুটা প্রতিকূলে থাকায় মাঠ ছেড়েছেন কৃষকরা। কিন্তু এরইমধ্যে উৎপাদন হয়েছে রেকর্ড পরিমাণ ২৩ লাখ ৩১ হাজার টন। যা অতীতের সব ইতিহাসকে টপকে গেছে। আবহাওয়া ঠিকঠাক থাকলে কিংবা বৃষ্টিপাত না হলে মৌসুমের শেষ সময় পর্যন্ত আরও প্রায় আড়াই থেকে তিন লাখ টন উৎপাদন হতে পারে বলে আমরা ধারণা করছি।

তিনি বলেন, গত মৌসুমে লবণের দাম ভালো থাকায় চাষিরা এ মৌসুমে আরও বেশি জমিতে চাষ করেছেন। গত বছর ৬৬ হাজার ৪২৪ একর জমিতে উৎপাদন হয়েছিল ২২ লাখ ৩৩ টন। কিন্তু চলতি মৌসুমে চাষের জমি বৃদ্ধি পেয়ে ৬৮ হাজার ৩০০ একর হয়েছে। রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন হওয়ায় লবণ আমদানি নিয়ে সরকারকে ভাবতে হবে না। কোনো পরিকল্পনাও নেই বলে উল্লেখ করেন তিনি।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফসল

সম্পর্কিত খবর

ফসল

ক্যামেরায় সয়াবিনের রোগ ধরা পড়ে দেরিতে, লক্ষণের আগেই সংকেত চান InnerPlant-এর বিজ্ঞানীরা

InnerPlant-এর দুই বিজ্ঞানীর মত, ড্রোন, ক্যামেরা বা এআই—সবই সয়াবিনের ছত্রাক রোগ ধরে লক্ষণ দেখা দেওয়ার পরে, যখন স্প্রে করার সময় পেরিয়ে গেছে; তাঁদের প্রস্তাব, সংক্রমণের প্রায় ১০ দিন আগেই সংকেত দিতে পারে এমন গাছ।

এজিফান্ডনিউজ ২৪১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

ট্রাক্টরের গতিতে মাটির এনপিকে মানচিত্র: ১ কোটি ২৫ লাখ ডলার তুলল TerraBlaster

মঙ্গলযানে প্রথম ব্যবহৃত লেজার-প্রযুক্তিতে ট্রাক্টর চলার সঙ্গে সঙ্গে মাটির নাইট্রোজেন, ফসফরাস, পটাশিয়াম ও পিএইচ পড়া TerraBlaster ২০২৭ সালে বাণিজ্যিক বিক্রির আগে Ulu Ventures-এর নেতৃত্বে ১ কোটি ২৫ লাখ ডলারের সিড বিনিয়োগ তুলেছে।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৫ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফসল

কৃষি নিয়ে সরকারের পদক্ষেপের ১৮০ দিন

বাংলাদেশের অর্থনীতি ও খাদ্যনিরাপত্তার অন্যতম ভিত্তি কৃষি। অথচ ন্যায্যমূল্য, মানসম্মত সার-কীটনাশক, সেচ, কৃষিঋণ ও শস্যবীমা পেতে কৃষক দীর্ঘদিন অবহেলিত। কৃষকের মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় বর্তমান সরকার নতুন উদ্যোগ নিয়েছে।

শাইখ সিরাজ২২ আগস্ট ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()