সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস ১১ কিমি/ঘ

১২৩ প্রজাতির পাখি দেখতে চলে যান হাজারিখিলে

আজহার মাহমুদ

পরিবেশ

আজহার মাহমুদ

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা এক স্থান হাজারিখিল। চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে অবস্থিত হাজারিখিলের সৌন্দর্য অত্যন্ত মনোমুগ্ধকর। স্থানটিকে গিরিপথ, সুরঙ্গ, পাহাড়ি ঝরনা ও চা বাগান ঘিরে রেখেছে। যেখানে গেলে প্রকৃতির সবটুকু সৌন্দর্য উপভোগের সুযোগ রয়েছে।

হাজারিখিলের সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হলো নানা প্রজাতির পাখির কোলাহল। আপনি যদি পাখির রাজত্বে হারিয়ে যেতে চান, তাহলে চাখ বন্ধ করে হাজারিখিল চলে যান। যেখানে দেখতে পাবেন হাজারো নাম না জানা পাখির আনাগোনা। হাজারিখিল অভয়ারণ্য আপনাকে পাখির কলকাকলিতে মুখরিত করে রাখবে।

২৯০৮ হেক্টর জমি নিয়ে অভয়ারণ্যটি গঠিত। ১৮৯৩ সালে জায়গাটিকে 'রামগড়-সীতাকুণ্ডু সংরক্ষিত বন' হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বন্যপ্রাণিতে মুখর হাজারিখিলে দেখা মেলে নানা জীব-জন্তুর। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- ভাল্লুক, বনবিড়াল, মেছোবাঘ, শিয়াল, মায়া হরিণ, সাম্বার, বনকুকুর, বনছাগল, বানর ও হনুমান। কখনো দেখা মেলে চিতাবাঘেরও!

মোট ৮ প্রজাতির উভচর এবং ২৫ প্রজাতির সরীসৃপ রয়েছে এ বনে। তবে পাখির অভয়ারণ্য হিসেবে খ্যাত হাজারিখিলে রয়েছে প্রায় ১২৩ প্রজাতিরও বেশি পাখি! সে হিসেবে হাজারিখিল অভয়ারণ্যকে পাখিপ্রেমীদের স্বর্গ বললেও ভুল হবে না।

বিশেষ করে বিপন্নপ্রায় কাঠময়ূর আর মথুরার দেখা পাওয়া যায় হাজারিখিলে। আছে কাউ ধনেশ ও হুতুম প্যাঁচাও। বিভিন্ন প্রজাতির উদ্ভিদের সমারোহ থাকায় চিরসবুজ এ বনে এমন কিছু প্রজাতির পাখির সন্ধান মিলেছে। যা অন্য কোনো বনে সচরাচর দেখা যায় না।

এরমধ্যে রয়েছে- হুদহুদ, চোখ গেল, নীলকান্ত, বেঘবৌ ও আবাবিল। এসব পাখির আকার-আকৃতি, বর্ণ ও স্বভাব বৈচিত্র্যময়। সম্প্রতি বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্যোগের এক গবেষণায় পাখির এসব প্রজাতির সন্ধান পায় গবেষকদল।

এ অভয়ারণ্যে নানা প্রজাতির পাখির সঙ্গে শীতকালে যোগ দেয় অতিথি পাখির দল। হাজারিখিল অভয়ারণ্যে ঢুকতেই দেখবেন, হাতের বামপাশে বিশাল চা বাগান আর ডানপাশের সিঁড়ি বেয়ে উঠলেই দেখা মিলবে বন্যপ্রাণির। এখানে আপনি হারিয়ে যাবেন চা বাগানের দৃষ্টিনন্দন সৌন্দর্যে।

এ ছাড়া হাজারিখিলে নানা ধরনের বৃক্ষের সমাহারও উপভোগ করতে পারবেন। তবে চিরহরিৎ গাছই বেশি এখানে। আছে গর্জন, চাপালিশ, সেগুন, কড়ই, মেহগনি ও চুন্দুল। বিখ্যাত রাঙ্গাপানি চা বাগানটিও এ অভয়ারণ্যের পাশেই অবস্থিত।

যেভাবে যাবেন: ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যেতে পারেন বাসে বা ট্রেনে। এরপর ফটিকছড়ি হয়ে হাজারিখিল যেতে হবে। অক্সিজেন থেকে ফটিকছড়ির বাস পাবেন। ভাড়া জনপ্রতি ৪০ টাকা। বাসে মোটামুটি আধাঘণ্টার জার্নি।

বাসে আপনাকে নামতে হবে বিবিরহাট। সেখানে নেমেই রোডের বিপরীতে গিয়ে সিএনজি দেখতে পাবেন। যেগুলো হাজারিখিল বাজার পর্যন্ত জনপ্রতি ৩৫ টাকা ভাড়া নেয়।

বাজারে নেমে হাজারিখিল অভয়ারণ্য ১০ মিনিটের পথ। সেখানে গিয়ে গাইড সঙ্গে করে প্রায় আড়াই ঘণ্টা পাহাড়ের গিরিপথ ট্র্যাকিং করার পর পাওয়া যাবে 'কালাপানির ঝরনা'। সেখান থকে ফিরে এসে চা বাগান পেরিয়ে যেতে পারেন সুড়ঙ্গ দেখতে।

খাবেন কোথায়: হাজারিখিল অভয়ারণ্যে দুপুরে খাওয়ার জন্য একটি ভাতঘর আছে। যেখানে জনপ্রতি ১৩০ টাকা দিয়ে প্যাকেজ নিতে পারেন। এ ছাড়াও ফটিকছড়ি শহরে নানা ধরনের খাবারের হোটেল আছে।

থাকবেন কোথায়: থাকার জন্য চট্টগ্রাম বা ফটিকছড়ি শহরে অনেক হোটেল আছে। অবশ্যই ভাড়া দরদাম করে রুম দেখে উঠবেন।

তাহলে আর দেরি কেন? ঘুরে আসুন পাখির স্বর্গ হাজারিখিল! হারিয়ে যান পাখিদের সঙ্গে চিরসবুজ অরণ্যের মাঝে।

জেএমএস/এসইউ/জিকেএস

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

জৈব

ঘাসের বোর্ড বানানো Plantd কারখানার বর্জ্য থেকে বায়োচার বানিয়ে বিক্রি করছে চাষিদের কাছে

নর্থ ক্যারোলাইনার নির্মাণসামগ্রী প্রতিষ্ঠান Plantd, যাদের উদ্বৃত্ত ঘাসের জৈববস্তু সরাতে মাসে ১৩ হাজার ডলার খরচ হচ্ছিল, সেই বর্জ্য থেকে বায়োচার তৈরির একটি পণ্যলাইন চালু করেছে এবং মাটির উন্নয়ন উপকরণ হিসেবে চাষিদের কাছে বিক্রি করছে।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৭ আগস্ট ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

বাতাস ও পানি থেকে এক অনুঘটকে অ্যামোনিয়া বানাতে চায় অস্ট্রেলিয়ার Facet Amtech

নাইট্রোজেন সারের মূল উপাদান অ্যামোনিয়া আলাদা হাইড্রোজেন প্ল্যান্ট ছাড়াই সরাসরি বাতাস ও পানি থেকে তৈরির অনুঘটক পাইলট করতে Facet Amtech ৩০ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলারের সিড বিনিয়োগ তুলেছে; তাদের লক্ষ্য কার্বন মূল্য ছাড়াই খরচে জীবাশ্মভিত্তিক অ্যামোনিয়াকে হারানো।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৬ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
জৈব

সিলিকেট পাথরকে এক মৌসুমে গলা কার্বন-শোষক সারে বদলাতে ৫৪ লাখ ডলার তুলল Mafix

Stanford থেকে বেরিয়ে আসা Mafix ৫৪ লাখ ডলারের প্রি-সিড বিনিয়োগ তুলেছে সিমেন্ট চুল্লিতে চুনাপাথরের সঙ্গে সিলিকেট পাথর গরম করে এমন একটি খনিজ বানাতে, যা খেতে এক মৌসুমেই ক্ষয়ে যায়, কার্বন ডাই-অক্সাইড অপসারণ করে এবং উদ্ভিদের গ্রহণযোগ্য সিলিকন ও ক্ষারত্ব জোগায়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২০ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()