পরিবেশপাখিদের অভয়ারণ্য অরুণিমা রিসোর্ট
পাখিদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে নড়াইলের অরুণিমা রিসোর্ট। দেশী-বিদেশি নানা প্রজাতির পাখির কলকাকলিতে সারাবছর মুখর থাকে এ রিসোর্ট। নানা রঙের পাখি দেখে মুগ্ধ হন এখানে আসা দর্শনার্থীরা।
পরিবেশপাখিদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে নড়াইলের অরুণিমা রিসোর্ট। দেশী-বিদেশি নানা প্রজাতির পাখির কলকাকলিতে সারাবছর মুখর থাকে এ রিসোর্ট। নানা রঙের পাখি দেখে মুগ্ধ হন এখানে আসা দর্শনার্থীরা।
পরিবেশঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের কুমারখালিতে প্রবাহমান সুগন্ধা নদীর একটি মরা শাখা আছে, যা এলাকাবাসীর কাছে মরগাঙ্গী নামেই পরিচিত।
পরিবেশপ্রতি বছরের মতো এবারও শীতের শুরুতেই ঝাঁকে ঝাঁকে আসতে শুরু করেছে অতিথি পাখি। পাখির কলকাকলিতে মুখরিত হয়ে উঠছে সিরাজগঞ্জের চলনবিল ও তার আশপাশের এলাকাগুলো। এ সুযোগে সৌখিন ও পেশাদার পাখি শিকারিরা বন্দুক, বিষটোপ, জাল ও বিভিন্ন ধরনের ফাঁদ পেতে এসব পাখি নিধন শুরু করছে।
পরিবেশচৌদ্দ বছর ধরে ক্ষুধার্ত পশু-পাখির খাদ্যের যোগান দিচ্ছেন গাজীউল ইসলাম। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সুখরঞ্জন সমাদ্দার ছাত্র শিক্ষক সাংস্কৃতিক (টিএসসি) কেন্দ্রের উচ্চমান সহকারী।
লাইভস্টকশীতের শেষ। চলছে ফাগুন। দিন দিন বাড়ছে গরম। হয়তো আর কটা দিন পরই তারা চলে যাবে নিজ গন্তব্যে। বিদায়ের আগে যেন ভালোবাসায় জড়াতে কাছে টানছে। দেখলে মনে হবে কোনো খামারের এক ঝাঁক পোষা হাঁস।
পরিবেশবন্ধ হচ্ছে না মৌলভীবাজারের হাওর বাওড়ে পাখি শিকার। নানা ফন্দিতে শিকারিরা শিকার চালিয়ে যাচ্ছে। কখনো বিষ টোপ আবার কখনো রাতের আঁধারে ফাঁদ পেতে শিকার অব্যাহত রেখেছে।
পরিবেশপড়ন্ত বিকেলে সূর্যের লাল আলো এসে পড়েছে বিশাল জলরাশিতে। আর সেই জলরাশিতে আনন্দে মেতেছে শত শত পরিযায়ী পাখির দল। শীতের বিকেলে কলকাকলিতে মুখর নীলফামারীর নীলসাগর দিঘির চারদিক। শীতের শুরু থেকেই এখানে শীতপ্রধান দেশগুলো থেকে আসে পরিযায়ী পাখি।
পরিবেশমুহাম্মদ শফিকুর রহমান
পরিবেশমামুনূর রহমান হৃদয়
পরিবেশঝালকাঠির ভাটারাকান্দা ও দিয়াকুল গ্রামের বিশখালী নদী তীরবর্তী এলাকায় আশ্রয় নিয়েছে অসংখ্য পরিযায়ী পাখি। এসব পাখির আগমনে বেড়েছে প্রকৃতির শোভা। পাখির কিচিরমিচিরে মুখরিত বিষখালী নদী তীরবর্তী এলাকাগুলো। প্রতিবছর শীতে দূর-দূরান্ত থেকে পরিযায়ী পাখিরা আসে আমাদের দেশে। ভ্রমণপিপাসু মানুষ পাখি দেখতে ভিড় করে ন
পরিবেশপ্রতিবারের মতো এবার শীতেও পরিযায়ী পাখিদের কলরবে মুখরিত ফরিদপুরের পাট গবেষণা কেন্দ্রের মাঠ। বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পাখি আর প্রাকৃতিক নয়নাভিরাম দৃশ্য দেখতে ভিড় করছে দর্শনার্থীরা।
পরিবেশপরিযায়ী পাখি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) প্রশাসন। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ক্যাম্পাসে সাইনবোর্ড লাগানো হয়েছে। সেখানে পরিযায়ী পাখি ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে বিভিন্ন আইন ও শাস্তির কথা উল্লেখ করা হয়।
পরিবেশশীতকাল এবং পরিযায়ী বা অতিথি পাখি যেন একসূত্রে গাঁথা। দেশের হাওর ও উপকূলীয় এলাকা ছাড়াও সমতলের বেশকিছু এলাকায় এসেছে পরিযায়ী পাখি। আগামী কয়েক মাস দেখা মিলবে তাদের। অনেকের কাছে পাখিগুলো অতিথি পাখি হিসেবে পরিচিতি পেলেও তাদেরকে পরিযায়ী পাখি বলাই যৌক্তিক বলে মনে করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি)