মৎস্যবেনাপোল দিয়ে ভারত গেলো আরও ৯৯ টন ইলিশ
যশোরের বেনাপোল বন্দর দিয়ে আরও ৪৫ টন ২০০ কেজি ইলিশ ভারতে রপ্তানি হয়েছে। শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে মান যাচাই শেষে ছাড়পত্র দেয় বন্দর কর্তৃপক্ষ।
মৎস্যযশোরের বেনাপোল বন্দর দিয়ে আরও ৪৫ টন ২০০ কেজি ইলিশ ভারতে রপ্তানি হয়েছে। শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে মান যাচাই শেষে ছাড়পত্র দেয় বন্দর কর্তৃপক্ষ।
মৎস্যদূর্গাপুজার আগেই বাংলাদেশ থেকে পদ্মার ইলিশ এসে পৌঁছালো ভারতে। শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে বড় পাইকারি মাছের বাজার হাওড়ায় এসে পৌঁছায় এই মাছ। সেখান থেকেই এদিন সকালের মধ্যে কলকাতাসহ রাজ্যের বিভিন্ন খুচরা বাজারে পৌঁছে যাবে এই ইলিশ।
মৎস্যবেনাপোল বন্দর দিয়ে বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ১০টি প্রতিষ্ঠানের প্রায় সাড়ে ৫৪ মেট্রিক টন ইলিশ ভারতে গেলো। প্রতি কেজি মাছের রপ্তানি মূল্য পড়ছে ১০ মার্কিন ডলার। যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১২০০ টাকা প্রতি কেজি রপ্তানি মূল্য।
মৎস্যবিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনা থেকে সংক্ষেপে গুরুত্বপূর্ণ কিছু সংবাদ থাকছে জাগো নিউজের পাঠকদের জন্য-
মৎস্যশারদীয় দুর্গোৎসবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ইলিশ মাছ রপ্তানি শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় প্রথম চালানে সাত হাজার ৩০০ কেজি ইলিশ ত্রিপুরার আগরতলায় পাঠানো হয়।
মৎস্যসব প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে দুর্গাপূজার আগে বাংলাদেশ থেকে পশ্চিমবঙ্গে ঢুকতে শুরু করলো পদ্মার রুপালি ইলিশ। বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ৬টি ট্রাকে করে প্রথম ধাপের ৩০ থেকে ৩৫ মেট্রিক টন ইলিশ ভারতে প্রবেশ করে।
মৎস্যভারতে ইলিশ রপ্তানির খবরে চাঁদপুরে পাইকারি ইলিশের বাজারে কেজিতে দাম বেড়েছে ২০০-৩০০ টাকা। এতে প্রভাব পড়েছে খুচরা পর্যায়েও। ফলে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরেই থেকে যাচ্ছে সুস্বাদু এই মাছ।
মৎস্যদুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতে তিন হাজার মেট্রিক টন ইলিশ পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। অথচ অন্তর্বর্তী সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছিলেন, এবার ভারতে ইলিশ পাঠানো যাবে না। কারণ তিনি চান দেশের মানুষ কম দামে ইলিশ খাক। অথচ গত ২১ সেপ্টেম্বর জানা গেলো, এবার তিন হাজার মেট্রি
মৎস্যবৃহত্তর স্বার্থে সর্বোচ্চ মহলের সিদ্ধান্তে ভারতে ইলিশ মাছ রপ্তানি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও বাণিজ্য উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেছেন, যে পরিমাণ ইলিশ রপ্তানি হচ্ছে তা চাঁদপুর ঘাটের একদিনের ইলিশও না। অনেক ভেবেচিন্তে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইমোশনাল কথা বলে লাভ নেই।
মৎস্যঅন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা ঘোষণা দিয়েছিলেন ভারতে আর ইলিশ মাছ পাঠানো হবে না। এ ঘোষণায় দেশের সিংহভাগ মানুষ ভীষণ খুশি হয়েছিল। সবাই মনে করেছিল ভারতে ইলিশ না পাঠালে দেশের বাজারে কমমূল্যে বিক্রি হবে। কিন্তু বাজারে এর প্রভাব তেমন একটা পড়েনি।
মৎস্যভারতে ইলিশ রপ্তানি বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
মৎস্যদুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতের বিশেষ অনুরোধে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।
মৎস্যব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে অবশেষে ভারতে ইলিশ মাছ রপ্তানির অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। রপ্তানির পরিপ্রেক্ষিত বিবেচনা না করে অর্থনীতিবিদরা একে দ্বিপাক্ষিক বন্ধুত্বের প্রতীক হিসেবে অভিহিত করেছেন।