ফলফলন বিপর্যয়ের শঙ্কা, থমকে গেছে অগ্রিম বাগান বিক্রি
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার আম চাষি আরিফুল ইসলাম (৫০)। গত ২৫ বছর ধরে তিনি আম ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। সিজনে গাছে আম ধরিয়ে অগ্রিম বাগান বিক্রি করেন অন্য ক্রেতাদের কাছে।
ফলচাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার আম চাষি আরিফুল ইসলাম (৫০)। গত ২৫ বছর ধরে তিনি আম ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। সিজনে গাছে আম ধরিয়ে অগ্রিম বাগান বিক্রি করেন অন্য ক্রেতাদের কাছে।
লাইভস্টকপ্রায় মাসব্যাপী দেশজুড়ে বয়ে চলা মৃদু থেকে তীব্র তাপপ্রবাহে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কিছু এলাকার বোরো ধানসহ বিভিন্ন ফসলের। ফেটে চৌচির পাটক্ষেত। ব্যাপক হারে ঝরছে আম-লিচুর গুটি। সিজনাল সবজি উৎপাদনেও পড়েছে প্রভাব। গরু, ছাগল, মুরগিসহ প্রাণিকুলেও ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পোল্ট্রিশিল্প। ওজন কমে লো
ফলসাতক্ষীরায় অপরিপক্ব আম বাজারজাতকরণ প্রতিরোধে ক্যালেন্ডার ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষণা অনুযায়ী, ৯ মে থেকে মুম্বাই ও গোলাপখাস, ১১ মে থেকে গোবিন্দ ভোগ, ২২ মে হিমসাগর, ২৯ মে ন্যাংড়া ও ১০ জুন আম্রপালি সংগ্রহ ও বাজারজাত করা যাবে।
ফলরাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে বেশ কয়েকটি ফলের বাগান রয়েছে। এ বছর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কিছু সংখ্যক আম-লিচুর বাগান ইজারা দিলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ ঈসমাইল হোসেন সিরাজী ভবন থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়ার আশপাশের সবগুলো আম ও লিচুগাছ উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে সাধারণ শিক্ষার্থী
ফলসাতক্ষীরায় কেমিক্যাল স্প্রে দিয়ে পাকানো ৯ হাজার কেজি অপরিপক্ক আম বিনষ্ট করেছে প্রশাসন।
ফলসাতক্ষীরায় পৃথক স্থানে অভিযান চালিয়ে রাসায়নিক স্প্রে করে পাকানো অপরিপক্ক সাত হাজার কেজি আম বিনষ্ট করেছে প্রশাসন।
ফলকাঁচা আমের জুস থেকে শুরু করে ভর্তা, আচার সবারই কমবেশি প্রিয়। সারাবছর তো কাঁচা আম পাওয়া যায় না। তাই বছরের এ সময় এলেই আমের আচার তৈরির হিরিক পড়ে যায়। তবে সারা বছর আচার সংরক্ষণ করে রাখা ততটাও সহজ নয়।
ফলপ্রচণ্ড দাবদাহে জনজীবন এখন অতীষ্ট। এ সময় সুস্থ থাকাটাই যেন বড় চ্যালেঞ্জের। এই গরম কী খেলে শরীর ঠান্ডা থাকবে, এখন তা নিয়ে প্রশ্ন সবার মনে। এখন যেহেতু আমের মৌসুম, তাই পেট ঠান্ডা রাখতে খেতে পারেন কাঁচা আমের টক। কাঁচা আমের সব পদই দুর্দান্ত মুখরোচক। গরমে কাঁচা আম খাওয়ার বেশ কিছু উপকারিতা আছে।
ফলবর্তমানে কাঁচা আমের আচার বাজারেই কিনতে পাওয়া যায়। বোতলে করে কাঁচা আমের আচার বিক্রি করা হয়। এতে অবশ্য শরীরের উপকার কিছু হয় না।
ফলগরমকাল অনেকেরই পছন্দের ঋতু, শুধু আমের কারণে। কারণ গরমেই দেখা মেলে রসালো এই ফলের। আম খেতে ভালবাসেন না এমন মানুষ খুব কমই আছেন।
ফলতীব্র খরায় পুড়ছে রাজশাহী অঞ্চল। আমের শহরে দিনের তাপমাত্রা ক্রমশ বাড়ছে। এতে বোঁটার রস শুকিয়ে ঝরে পড়ছে আমের গুটি। পানি সেচ ও নানা পদ্ধতি অবলম্বন করেও গুটি ঝরে পড়া ঠেকানো যাচ্ছে না। ফলে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন আমচাষিরা। আম উৎপাদনে বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন তারা।
ফলআমের জন্য সারাবিশ্বে পরিচিতি পেয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ। তবে এ বছর গাছে মুকুল এসেছিল কম। সেই অল্প মুকুল নিয়েও চাষিদের মনে টিমটিম করে জ্বলছিল কিছুটা আশার আলো। কিন্তু সম্প্রতি চৈত্রের বৃষ্টিতে ঝরে গেছে এসব আমের মুকুল। ফলে পর্যাপ্ত গুটি আসেনি গাছে। আর কিছু গাছে এসেছে কচিপাতা।
ফল* কম দামের ইফতারিতে আগ্রহ বেশি* বছরজুড়েই ফলের জোগান এখন* রোজায় বিক্রি বেড়েছে ৪০ শতাংশ* বছরব্যাপী ফল উৎপাদন প্রকল্পের সুফল