ফলরপ্তানিযোগ্য আমের শেষ ‘ভরসা’ সুপারশপ
• রপ্তানিযোগ্য আমের ৭০ শতাংশই পূরণ করে রাজশাহী• নানান বাধায় কমেছে রপ্তানি• প্রতিবেশী দেশের তুলনায় পরিবহন খরচ বশি • ফাইটোস্যানিটারি সনদ জটিলতা
ফল• রপ্তানিযোগ্য আমের ৭০ শতাংশই পূরণ করে রাজশাহী• নানান বাধায় কমেছে রপ্তানি• প্রতিবেশী দেশের তুলনায় পরিবহন খরচ বশি • ফাইটোস্যানিটারি সনদ জটিলতা
ফলপাকা আমের মৌসুম এখন। পাকা আমকে শুধু স্বাদের জন্যই ফলের রাজা বলা হয়। কিন্তু আম আপনার ত্বকের যত্নেও দারুন উপকারী। পাকা আমে রয়েছে ভিটামিন-এ, সি, ই, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও বিটা ক্যারোটিন, যা আপনার ত্বকের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই চলুন জেনে নিন ত্বকের যত্নে পাকা আমের উপকারিতা সম্পর্কে -
ফলরঙে সোনালি, গন্ধে মাতাল, স্বাদে অতুলনীয়-ফলের রাজা 'আম' শুধু উপমায় নয়, রসনার রাজত্বেও তার আসন অটুট শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে। হিমসাগর, ল্যাংড়া, আম্রপালি, গোপালভোগ, ফজলি-প্রতিটি জাতের আম যেন একেকটি চরিত্র, একেকটি গল্প। তবে বিজ্ঞান ও প্রকৃতির মিলনে জন্ম নেওয়া আম্রপালি আমের গল্পটি একটু ব্যতিক্রম, একটু রোম
ফলদেশের বড় বড় মোকামে আমের প্রত্যাশিত দাম পাচ্ছেন না চাষিরা। অতিরিক্ত গরমে অধিকাংশ জাতের আম পেকে গেছে একসঙ্গে। লোকসান কমাতে গত বছরের তুলনায় কেজিতে ১০-১৫ টাকা কমেই ছেড়ে দিচ্ছেন। ঈদের লম্বা ছুটিতে জেলার বাইরে আমের চাহিদাও ছিল কম। ছুটি শেষেও সেই ধাক্কা সামাল দিতে পারছেন না ব্যবসায়ীরা।
ফলআম খেতে পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া সত্যিই কঠিন। গ্রীষ্মের প্রখর তাপে যখন শরীর ও মন ক্লান্ত হয়ে পড়ে, তখন এক টুকরো পাকা আম যেন হয়ে ওঠে প্রশান্তির পরশ। শিশুদের কাছে আম মানে আনন্দ; আর বড়দের কাছে তা শৈশবের মিষ্টি স্মৃতি। কাঁচা আমের টক স্বাদ যেমন জিভে আনে চমক, তেমনি পাকা আমের মধুরতা মনের গভীরে গে
ফলরাজশাহী, নাটোর, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে চলতি মৌসুমে আম কেনাবেচায় 'ঢলন' প্রথা বাতিল করা হয়েছে। এর পরিবর্তে চালু হয়েছে 'কমিশন' পদ্ধতি। আড়তদাররা চাষিদের কাছ থেকে প্রতি কেজিতে দেড় টাকা পর্যন্ত কমিশন নিতে পারবেন।
লাইভস্টকচলমান তাপপ্রবাহে তৃষ্ণা নিবারণের জন্য চাহিদা বেড়েছে ডাবের। কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে রাজধানীর বাজারে ক্রেতা কমে যাওয়ায় কিছুটা কমেছে ডাবের দাম। তবে, হাতের নাগালে রয়েছে মৌসুমি ফল আম ও লিচুর দাম। পর্যাপ্ত জোগানও রয়েছে।
ফলকৃষি সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান বলেছেন, গত বছর ১৩০০ মেট্রিকটন আম রপ্তানি হয়েছে। আমরা আম রপ্তানি ৫০ হাজার টনে উন্নীত করতে পারি।
ফলতাবলিগে গিয়ে আমের বাগান দেখেন পটুয়াখালীর কুয়াকাটার ইসাহাক মুন্সি। তখনই শখ জাগে তার। তাবলিগ থেকে ফিরে পরের বছর বাড়ির আঙিনায় আম চাষ করেন তিনি। এতেই রীতিমতো বাজিমাত করেছেন এই কৃষক। এক গাছ থেকেই বিক্রি করেছেন প্রায় লাখ টাকার ওপরে। শুধু তা-ই নয়, শখের বশে আম বাগান করে এখন পুরো এলাকার আমের চাহিদা মেটান। এম
ফলদেশি-বিদেশি জাতের আমে ভরপুর বান্দরবানের বিভিন্ন বাজার। জাতভেদে এসব আম ৬০ টাকা থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ফলকম খরচে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী অঞ্চলের আম রাজধানীতে পৌঁছে দিতে গত পাঁচ বছর ধরে চলছে ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন। তবে বিগত বছরগুলোতে লোকসান হওয়ায় এবার ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন চলাচল অনেকটাই 'অনিশ্চিত' হয়ে পড়েছে।
ফলমৌসুমের শুরুতেই ইংল্যান্ডে রপ্তানি হচ্ছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাত আম। রোববার (২৫ মে) দুপুরে সদর উপজেলায় জামতলা এলাকার কামরুল হাসান নামের এক ব্যবসায়ীর বাগান থেকে এক মেট্রিক টন আম ইংল্যান্ডে পাঠানো হয়।
লাইভস্টকদেশের মাটিতে বিশ্বখ্যাত ৫৭ জাতের আম চাষ করে সাড়া ফেলেছেন উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন। চাঁদপুর সদরের শাহতলী বাজার এলাকায় ডাকাতিয়া নদীর পাড়ে গড়ে তোলা হয়েছে ফ্রুটস ভ্যালি অ্যাগ্রো নামে একটি খামার। পরিত্যক্ত ইটভাটায় কেমিক্যাল ও বিষমুক্ত বিদেশি নানা ফল আর সবজি চাষ করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন হেলাল উদ্দিন।