ফলএক আম ১৬০০ টাকায় বিক্রি, কিনলেন মসজিদের ইমাম
কিশোরগঞ্জে মসজিদে দান করা একটি আম উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে ১৬০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
ফলকিশোরগঞ্জে মসজিদে দান করা একটি আম উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে ১৬০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
ফলএসময়ে মৌসুমি আম বাজারে নেই বললেই চলে। তবে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার স্বপন আলী নামের এক চাষির বাগানে এখনো ঝুলছে প্রায় ৫০ মণ বারোমাসি কাটিমন জাতের আম। কিছু গাছে মুকুলও রয়েছে। অর্ধশত গাছে এসেছে আমের গুটি। সে আম বিক্রি হবে ভরা শীতকালে। এরই মধ্যে কাটিমন আম বিক্রি করে গত তিন মাসে আয় করেছেন সোয়া কোট
ফলচাঁপাইনবাবগঞ্জে আম বাগান থেকে ১৭টি তাজা ককটেল উদ্ধার করেছে যৌথ বাহিনী। শনিবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে সদর উপজেলার সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল ওদুদের দক্ষিণ শহর বিনোদন পার্কের পাশের একটি আম বাগান থেকে ককটেলগুলো উদ্ধার করা হয়।
ফলনওগাঁর পত্নীলায় আবুল হোসেন (৫০) নামের এক ফল ব্যবসায়ীর বাগানের ৮০০টি আমগাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে। এর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী।
ফলএতদিন রাজশাহীতে অন্য সব আমের দাম চড়া থাকলেও ব্যতিক্রম ছিল আশ্বিনা। মানুষের কাছে এই আমের চাহিদা ছিল কম। এসব আমের বেশিরভাগই চলে যেত প্রক্রিয়াজাত খাদ্য হিসেবেই। রং আর স্বাদের জন্যই মূলত চাহিদা ছিল না এই আমের। তবে গত আট বছরে আশ্বিনা আমের রং ও স্বাদ বদলে গেছে। ফলে এই আমের চাহিদার পাশাপাশি চাষও বেড়েছে। তৈ
ফলসারাদেশেই জনপ্রিয় চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাত আম। এমনকি বিশ্ববাজারেও সুনাম কুড়িয়েছে বহুবার। তবে এ আম পাওয়া যেত শুধু মৌসুমেই। তবে কিছু ব্যতিক্রমী আম চাষির উদ্যোগে আমের মৌসুম শেষেও মিলছে জিআই সনদপ্রাপ্ত এ আম। কৃষি বিভাগ বলছে, এ সময়ে খিরসাপাত (হিমসাগর) আম ধরানো গেলে সিজনের তিনগুণ হবে আমের দাম। চাঙা হবে জ
ফলআমের এই মৌসুমে কমবেশি সবাই আমের বাহারি পদ তৈরি করে খান। পাকা আমের বিভিন্ন ডেজার্টের মধ্যে অন্যতম হলো আমের চিজকেক বা ম্যাংগো চিজকেক। একবার খেলেই এই চিজকেকের স্বাদ আপনার মুখে লেগে থাকবে। এটি তৈরি করাও অনেক সহজ। চলুন জেনে নেওয়া যাক চিজকেক তৈরির রেসিপি-
ফলমধুমাস (জ্যৈষ্ঠ) শেষ হয়েছে প্রায় আড়াই মাস আগেই। এ মধুমাস ঘিরে দেশে যেসব ফল পাওয়া যায়, তার প্রায় সবই ফুরিয়েছে। তবে কিছুটা ভিন্ন চিত্র আমের ক্ষেত্রে। মৌসুমের একেবারে শেষদিকেও বাজারে মিলছে আম। আশ্বিনা ও বারিসহ দীর্ঘমেয়াদি আরও কিছু জাতের আম এখনো মিলছে বাজারে। তবে, মৌসুমজুড়েই চড়া আমের দাম।
ফলআম খেতে পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। আমের পুষ্টিগুণও অনেক। যা শরীরের জন্য উপকারী। এখনই সময় আম দিয়ে বিভিন্ন পদ তৈরি করার।
ফলআম খেতে পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। এ আমের মৌসুমে বাহারি সব পদ তৈরি করে খান কমবেশি সবাই। কাঁচা আম দিয়ে আচার বা পানীয় তৈরি করা হলেও পাকা আম দিয়ে মুখোরোচক সব ডেজার্ট তৈরি করা হয়। যা খেতে খুবই সুস্বাদু।
ফলআম বাজারের কথা মনে পড়লেই প্রথমে মনে পড়বে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাটের কথা। দেশের সবচেয়ে বড় এই আম বাজারে দিনে অন্তত ৩০-৩৫ কোটি টাকার আম কেনাবেচা হয়।
ফলরাজশাহীর বাঘায় আম সংরক্ষণে ছোট হিমাগার স্থাপন করেছেন কৃষক শফিকুল ইসলাম। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় নিজের জমিতে এ হিমাগার তৈরি করেন তিনি। তার হিমাগারে ১০ টন আম সংরক্ষণ করা যাবে।
ফলঅল্প খরচ ও উৎপাদন ভালো হওয়ায় নওগাঁয় বেড়েছে আমের চাষ। জেলার সাপাহার আম বেচাকেনার প্রধান কেন্দ্র। সাপাহারে ছোট-বড় ৪০০-৫০০টি আমের আড়ত গড়ে উঠেছে। এসব আড়তে কর্মরত ৮-১০ হাজার শ্রমিক। এ পেশায় তাদের ভাগ্য বদলেছে।