এখানে একেকটি শেডে নীরবে চলছে কেঁচো সার উৎপাদনের কাজ। এই কারখানার মূল কর্মী কেঁচো। প্রকৃতির লাঙল খ্যাত মানুষের উপকারী ক্ষুদ্র এ প্রাণীটি মূলত জৈব পদার্থ খাওয়ার পর যে মল ত্যাগ করে, সেটিই কেঁচো সার বা ভার্মি কম্পোস্ট।
কেঁচো সারে অন্যান্য জৈবসারের তুলনায় প্রায় ৭ থেকে ১০ শতাংশ পুষ্টিমান বেশি থাকে। একটি আদর্শ ভার্মি কম্পোস্টে শতকরা ১.৫৭ ভাগ নাইট্রোজেন, ১.২৬ ভাগ ফসফরাস, ২.৬০ ভাগ পটাশ, ০.৭৪ ভাগ সালফার, ০.৬৬ ভাগ ম্যাগনেসিয়াম, ০.০৬ ভাগ বোরন, ১৮ ভাগ জৈব কার্বন, ১৫ থেকে ২৫ ভাগ পানি ও সামান্য পরিমাণ হরমোন থাকে। কেঁচো সার মাটির পানি ধারণ করার ক্ষমতা এবং বায়ু চলাচল বৃদ্ধি করে। ফলে মাটির উর্বরতা শক্তি বৃদ্ধি পায়।
মাটির স্বাস্থ্যের কথা ভেবে বড় পরিসরে উদ্যোক্তা ইফতেখার সেলিম অগ্নি ও সুলতানুজ্জামান তীতু দুই ভাই মিলে কেঁচো সারের উৎপাদন শুরু করেন।





মন্তব্য
(০)