ময়মনসিংহের ভালুকায় লটকনের এক নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে! মসজিদের ইমামতি করতেন হাফেজ রোকনউদ্দিন। টিভি প্রতিবেদন দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে শুরু করলেন লটকন চাষ। কিন্তু প্রথমবার প্রতারিত হলেন ভালো জাতের চারা না পেয়ে। তখন নিজেই নেমে পড়লেন গবেষণায়। এলাকার পুরনো গাছ খুঁজে বের করলেন, খেলেন, পরীক্ষা করলেন। বছরের পর বছর ধরে অসংখ্য জাতের মধ্য থেকে বেছে নিলেন দুটি বিশেষ জাত যা খেলে মুখ থেকে আর নামতে চায় না!
এই বিশেষ জাতের নাম রাখা হলো নয়নপুরি। ৫০ বছর বয়সী মাতৃগাছ থেকে কলম করা চারা এখন ছড়িয়ে পড়ছে এলাকায়। চার বিঘার বাগানে ২০০ গাছ থেকে বছরে দেড় লাখ টাকার লটকন বিক্রি হচ্ছে। পাকা লটকন বিক্রির নীতিতে অটল এই কৃষক বললেন কাঁচা লটকনেই মানুষ আসল স্বাদ পাচ্ছে না।





মন্তব্য
(০)