সময়ের তাগিদেই আমাদের এখন মাটির স্বাস্থ্যের দিকে দৃষ্টি দিতে হবে। কেননা ফসলের উৎপাদন বাড়াতে হলে মাটির প্রাণ বাঁচানোর কোনো বিকল্প নেই। সেই মাটিকে বাঁচানোর অন্যতম উপায় হচ্ছে মাটির জৈব উপাদান ফিরিয়ে আনা। গত দেড় দশক ধরে আমরা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কাজে গিয়ে দেখেছি, ফসলের উৎপাদন বাড়ানোর তাগিদে অনেকেই রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ব্যবহার কমাতে শুরু করেছে।
কেঁচো সার উৎপাদনে নারীদের ভূমিকা উল্লেখ করার মতো। এ কাজে তারা যুক্ত হয়ে একদিকে যেমন ফলাচ্ছেন বিষমুক্ত ফসল অন্যদিকে মেটাচ্ছেন পারিবারিক পুষ্টি চাহিদা। আবার এ থেকে তারা হয়ে উঠছেন আত্মনির্ভরশীলও।
ফরিদপুর জেলা সদরের শোভারামপুরের গৃহবধূ তানিয়া পারভীন তেমনি এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। খুব অল্প বয়সে বিবাহ সুত্রে সাধারণ পরিবারের এক গৃহবধুর মতোই শুরু হয়েছিল তার সংসার জীবন। তারপর সংসার সামলানোই ছিল যার জীবনের মূল বৃত্ত। বছরের পর বছর মোকাবিলা করেছেন দারিদ্র আর সংসারের অভাব। উপলব্ধি করেছেন অর্থের সংকট। ঠিক তখনই তিনি টিকে থাকার প্রশ্নে বেছে নেন কৃষিকে। উৎপাদনে নামেন ভার্মি কম্পোস্ট বা কেঁচো সার।





মন্তব্য
(০)