ঠাকুরগাঁও-এ জাহিদ চাকলাদারের বাণিজ্যিক আম বাগান
শুধু নিজে উদ্যোক্তা হবেন এমন নয়, নিজের সঙ্গে শহর-নগরের মানুষকেও যুক্ত করতে হবে কৃষিতে, শহরে বসেও একেকজন হবেন আম বা ফল বাগানি। এই স্বপ্নের সূচনাকারী একজন তরুণ জাহিদ চাকলাদার। তিনি ২০১২ সালে ঢাকা থেকে ঠাকুরগাঁও-এর রানীশংকৈল উপজেলার রাতর গ্রামে জমি লিজ নিয়ে শুরু করেছিলেন আম বাগান। তারপর একে একে অনেক মানুষকে আম বাগানে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী করে তোলেন। শুরু হওয়ার এক যুগ পরে সেটি এখন আরো বিস্তৃত হয়েছে। আমের পাশাপাশি বছরব্যাপি উৎপাদন হচ্ছে নানারকম ফল আর গবাদিপশুর খামার। সৃষ্টি হয়েছে ৭৫ বিঘার সমন্বিত এক কৃষি খামার।
দর্শক, এর আগেও জাহিদ চাকলার এর ব্যতিক্রম উদ্যোগটির কথা তুলে ধরেছিলাম।
চলতি মৌসুমে সমন্বিত খামারে ৪৫ বিঘা আয়তনে চাষ করা হচ্ছে আম। বেশিরভাগই আম্রপালি, হাড়িভাঙ্গা ও বারি-৪ জাতের। জানা গেল, এবার ২০০ জনকে সম্পৃক্ত করেছেন ২৮০টি প্লটে। সর্বনিম্ন ৫ শতাংশ থেকে এক একর পর্যন্ত একেকজন প্লটের অংশীদার রয়েছেন।
এখন আমের ভরা মৌসুম। বাগান থেকে নিয়মিত আম হারভেস্ট করা হচ্ছে। সতেজ ও বিশুদ্ধ এই আমই পৌঁছে যাবে শহরে বসবাসকারী সৌখিন বাগানিদের কাছে। এখানে আম উৎপাদন হচ্ছে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে, দাবি জাহিদ চাকলাদারের।
তবে তিনি বলছেন, জলবায়ূর বিরূপ প্রভাবে প্রাকৃতিক বিপর্যয় বেড়ে যাওয়ায় আমসহ বিভিন্ন ফসল উৎপাদনে ঝুঁকি বাড়ছে। বাড়ছে উৎপাদন খরচ ।





মন্তব্য
(০)