স্বাধীনতার ৫০ বছর। মহাকালের হিসেবে খুব দীর্ঘ নয়। কিন্তু চড়াই উৎরাই পেরুনোর হিসাব কষলে এমন একটি পরিণত বয়স আমাদের গর্বি ত করে। বহু ত্যাগ তিতিক্ষার ভেতর দিয়ে স্বাধীনতা অর্জনের পরও মানুষের সংগ্রাম থেমে নেই। বহু সংগ্রামের পেরিয়েই আজকের বাংলাদেশে পৌঁছেছি আমরা।
স্বাধীনতার পর বাংলাদেশকে এগিয়ে নেয়ার দৌড়ে যেসব মানুষ শামিল হয়েছেন তার মধ্যে হাতে গোনাকয়েকজন বিদেশীর রয়েছে বিস্ময়কর অবদান। তাদেরই একজন ব্রিটিশ নাগরিক হিউ ব্রামার।বাংলাদেশের মাটির গভীরে ঢুকে এক আশ্চর্য শক্তি আবিস্কার করেছিলেন তিনি।
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এফ এ ও’র অ্যাসাইনমেন্ট নিয়ে ১৯৬১ সালে পূর্ব পারিস্তান আসেনব্রিটিশ নাগরিক হিউ ব্রামার। তখন থেকেই এই বাংলার মাটি ও প্রকৃতির প্রেমে পড়ে যান ব্রামার। এই প্রেমশুধু আবেগে আচ্ছন্ন থাকার প্রেম নয়, তার প্রেম ছিল এদেশের মৃত্তিকা সম্পদ নিয়ে বহুমুখি গবেষণার।
স্বাধীন বাংলাদেশে নিজে থেকেই নিজের দায়িত্ব বাড়িতে নেন হিউ ব্রামার। এদেশের ভূপ্রকৃতির বহুমুখিরহস্য উন্মোচনে লেগে থাকেন মাটি কামড়ে। যা পৃথিবীর অনেক গবেষকদের কাছেই এক অনন্য দৃষ্টান্ত।





মন্তব্য
(০)