মাছ চাষের জোয়ারে সারাদেশেই ছড়িয়ে পড়েছে আধুনিক সব কৌশল। তরুণ শিক্ষিত যুবক থেকে শুরু করে ব্যবসায়ী, বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোও শুরু করেছে প্রযুক্তির সহায়তায় আধুনিক মাছ চাষ।
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট-(বিএফআরআই)এর তথ্য মতে, দেশে মোট যে পরিমাণ মাছ উৎপাদিত হয়, তার মধ্যে কার্প, অর্থাৎ রুইজাতীয় মাছ ২১ শতাংশ। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি হয় রুই মাছ, ১১ শতাংশ।
রুই এর এই জনপ্রিয়তাকে মাথায় রেখে মাছটির জাত সংরক্ষণের তাগিদ থেকে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট রুই মাছের নতুন জাত উদ্ভাবন করে। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে রুই মাছের চতুর্থ প্রজন্মের এই জাত উদ্ভাবিত হওয়ায় এর নামকরণ করা হয়েছে ‘সুবর্ণ রুই’।
ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে গেছে সুবর্ণ রুইয়ের চাষ। তারা প্রত্যাশা করছেন খুব শীঘ্রই সরকারি- বেসরকারি হ্যাচারিগুলোতে শুরু হবে রেণু ও পোনা উৎপাদন।





মন্তব্য
(০)