এখন কৃষক তার আবাদি ক্ষেতের সব্দ্যবহার করতে শিখেছে। উচ্চ ফলনশীল ফসলের বীজের নিশ্চয়তা এসেছে। কৃষক এখন ফসল উৎপাদন করে ফলনের হিসাবটি বিবেচনায় নিয়ে। দিনে দিনে কৃষকের সচেতনতা বাড়ছে। ফসল উৎপাদন করে নিরবে লোকসান মেনে নেয়ার চেয়ে ভালো ফলন নিশ্চিত করার জন্যও সেও এখন প্রস্তুত। এক্ষেত্রে বেসরকারি বীজ কোম্পানীগুলো যেমন কৃষকের চাহিদা পুরণের জন্য তাদের বাণিজ্যিক কার্যক্রমকে সম্প্রসারিত করার সুযোগ পাচ্ছে, একইভাবে তারাও কৃষকের কাছে সঠিক উপকরণ পৌছে দেয়ার জন্য দায়বদ্ধ হচ্ছে।
ঠাকুরগাঁও জেলার বীরগঞ্জের প্রাণনগর। এই এলাকায় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কাজ করতে করতে চোখে পড়লো একদল কৃষক মাঠে বসে সভা করছেন। কাছে গিয়ে জানতে পেলাম, সংজ্ঞবদ্ধ হয়ে গ্রুপভিত্তিক কৃষিকাজ করছে তারা। একে অপরের চাহিদা, সমস্যা ও নিরুপণ করে সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করছে। তারা একটা ব্যাপারে নিশ্চিত, কৃষিপণ্য উৎপাদনের সঙ্গে শুধু কৃষক আর একা নয়, তার সঙ্গে যুক্ত রয়েছে বহুজন। বীজ, সার, ভুমি-মালিক, কৃষিশ্রমিক, কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ, বাজার ব্যবস্থাপনা থেকে ভোক্তা পর্যন্ত সবাই। এজন্য পন্য উৎপাদনের প্রক্রিয়াটিতে তারা সম্মিলিত উদ্যোগে গ্রুপ করে সবার মতামতের ভিত্তিতে তারা তৈরি করেছে ফসল পঞ্জিকা বা ক্রপ ক্যালেন্ডার।





মন্তব্য
(০)