আঠারোশ বর্গফুট আয়তনের দুই স্তরের ছাদকৃষিটি বিভিন্ন ফলের গাছ আর নানারকম সবজির ছায়ায় আবৃত। আটতলা এই ভবন নির্মাণের সময়ই পরিকল্পনা ছিল ছাদকৃষি উপযোগি করে গড়ে তোলার। সেটিই শেষ হয় ২০২০ সালে। তখন থেকেই চলছে এখানে কৃষির অনুশীলন। ভবনের মালিক হারিছ আহমেদ কৃষির প্রতি অনুরক্ত হয়েছিলেন তার সদ্য প্রয়াত ছেলে লে. কর্ণেল মোহাম্মদ ইসমাইলের অনুপ্রেরণায়।
লে. কর্নেল মোহাম্মদ ইসমাইল গত ২৭ জুলাই এক হেলিকপ্টার দুর্ঘটনার শিকার হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। প্রসঙ্গত জানা গেল, এই ছাদকৃষির গড়ার মুল উৎসাহেও ছিলেন তিনি। যার কাছে অনুপ্রেরণার জায়গা ছিল টেলিভিশনের ছাদকৃষি অনুষ্ঠান।





মন্তব্য
(০)