হৃদয়ে মাটি ও মানুষ দেখিয়েছে কী করে গণমাধ্যমের প্রচার-প্রচারণা এবং চৌগাছা উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পরিষদের উদ্যোগে খেজুর গুড় উৎপাদনের তাগিদ ছড়িয়ে পড়েছে মানুষের মাঝে। ফলে খেজুর গাছ রোপন থেকে খেজুরের রস আহরণ এবং গুড় উৎপাদনে উদ্যোগী হচ্ছেন অনেকেই।
প্রকৃতির অনন্য আর্শীবাদ এই খেজুর গাছ। মরু অঞ্চলের খেজুর গাছ থেকে পাওয়া যায় পুষ্টি সমৃদ্ধ ফল। আর এ অঞ্চলের খেজুর গাছ থেকে শীতকালে আহরণ করা হয় সুমিষ্ট রস। ফলে আমাদের ঐতিহ্যের সঙ্গে খেজুর রসের ইতিহাস জড়িয়ে গেছে। পিঠা-পুলি থেকে খেজুরের গুড়.. মোহনীয় ঘ্রাণে বেঁধেছে আমাদের জীবন যাপনকে।
শীতের সকালে রোদে বসে খেজুর রস কিংবা খেজুরের গুড় দিয়ে এক বাটি মুড়ির তৃপ্তি অন্য কিছুতে পাওয়া যাবে না। রসনাতৃপ্তির জন্য একসময় বাদামী চিনি তৈরী হতো এই খেজুরের গুড় দিয়ে। যে বাদামী চিনির খ্যাতি শুধু বাংলাদেশেই নয়, ছিলো সারা বিশ্বজুড়ে। কালের গর্ভে হারিয়ে গেছে আমাদের সেই সমৃদ্ধি। তবে এখনও যশোরের বিভিন্ন গ্রামের বাড়িতে বাড়িতে চলে খেজুরের রস জ্বাল দিয়ে গুড় তৈরির প্রক্রিয়া।





মন্তব্য
(০)