সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার ‘পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গঠিত সেলের পঞ্চম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেলে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সভা হয়।
সভায় কর্মসূচির অগ্রগতি পর্যালোচনার পাশাপাশি আলোচনা হয়েছে রোপণের পরের কাজ নিয়ে, অর্থাৎ চারার পরিচর্যা, চারা বেঁচে থাকার হার পর্যবেক্ষণ এবং সবুজ কর্মসংস্থান সৃষ্টির পরিকল্পনা নিয়ে।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে সংখ্যার হিসাবের পাশে বাঁচার হিসাবটি গুরুত্বপূর্ণ। রোপণের পর পানি, ঘেরাও ও দেখভাল না থাকলে বড় অংশ চারা নষ্ট হয়ে যায়, তাই বেঁচে থাকার হার পর্যবেক্ষণের সিদ্ধান্ত কর্মসূচির ফলাফল মাপার জায়গা তৈরি করে।
সভায় বলা হয়, কোন জেলায় কোন ধরনের গাছ উপযোগী এবং সেই গাছের অর্থনৈতিক মূল্য কতটা, তা বিবেচনা করে বৃক্ষরোপণ করা হবে। কৃষকের বাড়ির আঙিনা ও জমির আইলে গাছ লাগানোর ক্ষেত্রে এই বিবেচনা সরাসরি কাজে আসে, কারণ ফলদ ও কাঠের গাছের আয় এক নয়।
জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রী পুরস্কার বা সম্মাননা দেওয়ার সময় গাছের চারা উপহার দেন এবং সবাইকে বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত করেন।
সভায় বৃক্ষরোপণকে কেবল একটি কর্মসূচি হিসেবে না দেখে সবুজ কর্মসংস্থানের সঙ্গে যুক্ত করার কথাও বলা হয়েছে, যার মধ্যে নার্সারি, চারা পরিবহন ও পরিচর্যার কাজ পড়ে।
প্রতিবেদন: নিজস্ব প্রতিবেদক, দেশ রূপান্তর।
সূত্র: দেশ রূপান্তর


মন্তব্য
(০)