সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ৫ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৬°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৭৪%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

ব্রি’র ৩ জাতের ধান চাষে কৃষকদের মুখে হাসি

গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার মুক্তারপুর ইউনিয়নের ধনপুর এলাকার কৃষক মো. আলম। তিনি ব্রি ধান-৯২ চাষ করে প্রতি শতাংশে পেয়েছেন এক মণ করে ধান। যা গত ৬০ বছরে নানা জাতের ধান চাষ করেও ফলাতে পারেননি। বঙ্গবন্ধু ধান-১০০, ব্রি ধান-৮৯ এবং ব্রি ধান-৯২ জাতের চাল চিকন। এ জাতের ধান চাষে পানি কম লাগে, কীটনাশক লাগে না বল

গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার মুক্তারপুর ইউনিয়নের ধনপুর এলাকার কৃষক মো. আলম। তিনি ব্রি ধান-৯২ চাষ করে প্রতি শতাংশে পেয়েছেন এক মণ করে ধান। যা গত ৬০ বছরে নানা জাতের ধান চাষ করেও ফলাতে পারেননি। বঙ্গবন্ধু ধান-১০০, ব্রি ধান-৮৯ এবং ব্রি ধান-৯২ জাতের চাল চিকন। এ জাতের ধান চাষে পানি কম লাগে, কীটনাশক লাগে না বললেই চলে। ফলনও অনেক বেশি হয়। এ বছর তিনি এ জাতের ধান চাষ করে বাম্পার ফলন পেয়েছেন।

সোমবার বিকেলে কালীগঞ্জ উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নে রাইস ফার্মিং সিস্টেম বিভাগের উদ্যোগে ব্রি উদ্ভাবিত নতুন জাতের ধান ব্রি ধান-৮৯, ৯২ এবং বঙ্গবন্ধু ধান-১০০ এর ফসল কর্তন ও মাঠ দিবসে কৃষকরা এ কথা জানান। এসময় ব্রি'র মহাপরিচালক মো. শাহজাহান কবীর এবং ব্রি'র বিজ্ঞানীরা উপস্থিত ছিলেন।

পরে ব্রি'র মহাপরিচালক মো. শাহজাহান কবীর জানান, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) উদ্ভাবিত বঙ্গবন্ধু ধান-১০০ চাষ করে বিগত সময়ে উদ্ভাবিত অনেক ধানের চেয়ে দেড়গুণ বেশি ফলন পাচ্ছেন কৃষকরা। প্রতি শতাংশে কৃষকরা প্রায় এক মণ করে ধান ঘরে তুলেছেন। এছাড়াও ব্রি ধান-৮৯ ও ব্রি ধান-৯২ এর ফলনও প্রায় একই রকম পাচ্ছেন।

আরও পড়ুন: ব্লাস্ট রোগে নষ্ট আগাম জাতের ব্রি-ধান ২৮

তিন জাতের নতুন এসব ধান চাষ করে কৃষকরা অভূতপূর্ব ফলন পেয়েছেন। ৩৩ শতকে ফলন পেয়েছেন ৩৩ মণ অর্থাৎ শতকে এক মণ ফলন হয়েছে।

বিকেলে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা ধনপুর এলাকায় স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। এসময় কৃষকরা তিন জাতের ধান চাষ করে তাদের বেশি ফসল ফলানোর অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন।

রাইস ফার্মিং সিস্টেম বিভাগের প্রধান মো. ইব্রাহীমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কৃষক সমাবেশে ব্রি মহাপরিচালক ছাড়াও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক প্রশাসন মো. আব্দুল লতিফ, ব্রি বিজ্ঞানী সমিতির সভাপতি ড. আমিনা খাতুন, কালীগঞ্জ উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা ফারজানা তাসলিম, ব্রি'র রাইস ফার্মিং সিস্টেম বিভাগের সিনিয়র বিজ্ঞানী ড. খায়রুল কায়েস, এবিএম জামিউল ইসলাম ও বীর জাহাঙ্গীর সিরাজী। ব্রি'র পরিচালক প্রশাসন বিজ্ঞানী ড. মো. আব্দুল লতিফ বলেন, 'ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত নতুন জাতগুলোর ফলন আগের জনপ্রিয় জাত ব্রি ধান-২৮ ও ২৯ এর তুলনায় অনেক বেশি। এগুলো যদি ভালো পরিচর্যা করা যায়, তাহলে অন্তত অনেক ধানের চেয়ে প্রায় দেড়গুণ বেশি ফলন পাওয়া সম্ভব।'

আরও পড়ুন: বৃষ্টিপাতের জন্য বিশেষ কৃষি আবহাওয়া পরামর্শ

ব্রি'র মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবীর বলেন, 'নতুন এসব জাতের ধানের ফলন বেশি, কম সময়ে পাকে ও রোগ বালাই কম। তাই চাষিরা এ ধান চাষে আকৃষ্ট ও খুব লাভবান হচ্ছেন। এসব ধান প্রতি বিঘায় ৩০-৩২ মণ উৎপন্ন হয়। অন্য জাতের ধানের ফলন যেখানে ২০ মণের মতো হয়। প্রতি বছর আমাদের জনসংখ্যার সাথে ২০-২২ লাখ লোক যোগ হচ্ছে। ১৭ কোটি জনসংখ্যার এ দেশে খাবারের নিশ্চয়তা দিতে হলে অবশ্যই ব্রি উদ্ভাবিত নতুন জাতের ধানগুলো চাষ করতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।'

স্থানীয় কৃষক আলতাফ হোসেন বলেন, 'আগে বিদেশ ছিলাম। কৃষি কাজ করতাম না। কৃষি কাজ অলাভজনক ভাবতাম। কিন্তু ব্রি ধান-৮৯ ও ব্রি ধান-৯২ এবং বঙ্গবন্ধু ধান-১০০ আমার ধারণা বদলে দিয়েছে। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আর বিদেশ নয়; দেশেই কৃষি কাজ করবো। নতুন জাতের ধান চাষ করবো। কৃষি এখন আগের তুলনায় বেশি লাভজনক।'

মো. আমিনুল ইসলাম/এসইউ/এমএস

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

ফসল

সম্পর্কিত খবর

ফসল

ভারতের ৩৫ হাজার ভুট্টাচাষির কাছে যেতে চায় জিআইজেড, পেপসিকো ও বায়ার

মহারাষ্ট্র ও মধ্যপ্রদেশে তিন বছরের হারভেস্ট প্রকল্পে প্রদর্শনী খামার ও ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব মেইজ রিসার্চের গবেষণা সহায়তায় পুনরুজ্জীবনী চাষ ছড়ানো হবে।

অ্যাগ্রোস্পেকট্রাম৫ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

আস্থাভাজন জৈব উপকরণে এশিয়ার কৃষিতে সহনশীলতার বিপ্লব চান উইলিয়াম ডার

সিঙ্গাপুরের সম্মেলনে ফিলিপাইনের সাবেক কৃষিমন্ত্রী বলেন, প্রমাণ, মান আর কৃষকের লাভ ছাড়া জৈব কৃষি উপকরণ সফল হবে না।

AgNavigator৫ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

আগাছানাশক সহনশীল ধানের বীজে সরাসরি বপনে ঝুঁকছেন সিওনির কৃষক

মধ্যপ্রদেশের কৃষকেরা বলছেন, রোপা ধানের একরে প্রায় ১৬ কুইন্টালের জায়গায় এই জাতে মিলছে ২০-২৬ কুইন্টাল, সেচ ও শ্রমও লাগছে কম।

Rural Voice৫ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)