সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩২°ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৬৫%বাতাস ১২ কিমি/ঘবৃষ্টি ১.৫ মিমি

হারিয়ে যাচ্ছে ওষুধি গুণসম্পন্ন নিম গাছ

সুরাইয়া ইয়াসমিন সুমি

পরিবেশ

সুরাইয়া ইয়াসমিন সুমি

নিম গাছ একটি উপকারী উদ্ভিদ। মানুষের নানাবিধ উপকারে গাছটি বিশেষ ভূমিকা রাখে। প্রকৃতিতেও বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে। বাড়িতে নিম গাছ রোপণের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেই পরিবেশবিদরা পরামর্শ দিয়ে থাকেন। অথচ আমাদের অবহেলায় গাছটি দিন দিন হারিয়ে যেতে বসেছে।

নিমের ইংরেজি নাম Neem, বৈজ্ঞানিক নাম Azadirachta indica এবং পরিবার Maliaceae। এটি একটি ওষুধি গাছ। নিমকে নিম্ব, ভেপা, তামারসহ আরও অনেক নামে ডাকা হয়। নিম আমাদের উপকারী বন্ধু। যার ডাল, পাতা, রস সবই মানুষের দৈনন্দিন জীবনে বহুবিধ কাজে ব্যবহার হয়। পরিণত নিম গাছের গুড়ি আসবাবপত্র তৈরিতেও ব্যবহার করা হয়। জানালা-দরজার কাঠামো তৈরিতেও নিম কাঠ ব্যবহার করা হয়।

নিম একটি বহুবর্ষজীবী ও চিরহরিৎ বৃক্ষ। আকৃতিতে সাধারণত ৪০-৫০ ফুট লম্বা হয়। এর কাণ্ডের ব্যস ২০-৩০ ইঞ্চি। ডালের চারদিকে ১০-১২ ইঞ্চি যৌগিক পাতা জন্মে। এদের পাতা সাধারণত কাস্তের মতো বাঁকানো থাকে। পাতার কিনারায় ১০-১৭টি করে খাঁজযুক্ত অংশ থাকে। পাতা ২.৪-৪ ইঞ্চি লম্বা হয়।

নিম গাছে এক ধরনের ফল হয়; যেটা আঙুরের মতো দেখতে। এই ফলের একটিমাত্র বীজ থাকে। জুন-জুলাইতে এই ফল পাকে এবং কাঁচা অবস্থায় এর স্বাদ তেঁতো হয়। তবে পেকে হলুদ হওয়ার পর মিষ্টি হয়। প্রাপ্তবয়স্ক হতে প্রায় ১০ বছর সময় লাগে। যে কোনো মাটিতে এটি স্বাভাবিক ভাবেই বেড়ে ওঠে। খোলামেলা জায়গায়, রাস্তার পাশে বেশি দেখা যায়।

উষ্ণ আবহাওয়া প্রধান অঞ্চলে এটি ভালো হয়। মাটির পিএইচ ৬.২-৮.৫ এবং বৃষ্টিপাত ১৮-৪৬ ইঞ্চি ও ১২০ ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রা নিম গাছের জন্য উপকারী। নিম ফুলের মধু অন্য ফুলের মধুর তুলনায় বেশি পুষ্টিকর ও ওষুধি গুণসম্পন্ন। বসন্ত ও বায়ু শোধনকারী হিসেবে সেরা।

নিম মাটির ক্ষয় ও মরুময়তা রোধ করে। নদীভাঙন ঠেকাতেও এই গাছের ভূমিকা অনেক। প্রসাধনী সামগ্রী তৈরিতেও নিম গাছ ব্যবহৃত হয়ে থাকে। নিমের তেল দিয়ে প্রদীপ জ্বালানো যায়। কৃমিনাশক হিসেবে নিমের রস খুবই কার্যকরী। বাদ্যযন্ত্র তৈরিতেও প্রাচীনকালের মানুষ নিম গাছ ব্যবহার করতো।

এ গাছের কাঠ খুবই শক্ত হয়। কখনো ঘুণ ধরে না, পোকা বাসা বাঁধে না। এমনকি উঁইপোকাও খেতে পারে না। দাঁতের মাড়ি শক্ত করার কাজে নিমের ডাল ভীষণ উপকারী। অযত্ন-অবহেলায় বেড়ে ওঠে এই গাছ। দিন দিন যেন বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে উপকারী ওষুধি গুণসম্পন্ন গাছটি। তাই সবাইকে সচেতন হতে হবে। বেশি বেশি নিম গাছ রোপণ করতে হবে।

লেখক: সম্মান তৃতীয় বর্ষ, ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ, সরকারি বিএল কলেজ, খুলনা।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

পদ্মার পানি নামছে, দৌলতপুরে শুরু হয়েছে খাওয়ার পানির সংকট

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে তিন দিনে পদ্মার পানি ১৫ সেন্টিমিটার কমলেও প্রায় ৫০ হাজার মানুষ এখনও পানিবন্দি, আর হাজার হেক্টরের বেশি জমির ফসল নষ্ট হয়েছে।

সমকাল১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

বাঁশের ওপর টিকে থাকা পান্ডা কেন কেবল চীনেই মেলে

একটি পূর্ণবয়স্ক জায়ান্ট পান্ডাকে দিনে ১২ থেকে ৩৮ কেজি পর্যন্ত বাঁশ খেতে হয়, আর বাঁশবন ধ্বংস হলেই তার অস্তিত্ব সরাসরি হুমকিতে পড়ে।

বিবিসি বাংলা১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()