সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩৪°বৃষ্টিআর্দ্রতা ৫৫%বাতাস কিমি/ঘবৃষ্টি ০.৩ মিমি

দেড়শ বছর ধরে বাদুড়ের বসবাস যে বাড়িতে

বাড়ির একটি পুকুর পাড়ে ঝুলে আছে অসংখ্য বাদুড়। এক বছর, দুই বছর নয়; প্রায় দেড়শ বছর ধরে তাদের বসবাস এখানে। এছাড়া ঘুঘু, কাক, শালিক, ডাহুক, পানকৌড়ি, দোয়েল, মাছরাঙা, চড়ুই, কাঠঠোকরা, হটটিটিটি, লক্ষ্মীপেঁচাসহ নাম না জানা পাখির দেখা মেলে এখানে।

মৎস্য

বাড়ির একটি পুকুর পাড়ে ঝুলে আছে অসংখ্য বাদুড়। এক বছর, দুই বছর নয়; প্রায় দেড়শ বছর ধরে তাদের বসবাস এখানে। এছাড়া ঘুঘু, কাক, শালিক, ডাহুক, পানকৌড়ি, দোয়েল, মাছরাঙা, চড়ুই, কাঠঠোকরা, হটটিটিটি, লক্ষ্মীপেঁচাসহ নাম না জানা পাখির দেখা মেলে এখানে।

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে মন্টু বাবুর বাড়ি যেন বাদুড় আর পাখিদের অভয়ারণ্য। প্রতিদিন সকাল হলেই বাদুড় আর পাখিদের কলকাকলিতে ঘুম ভাঙে। প্রায় দেড়শ বছর ধরে বাড়ির গাছ-গাছালিতে বাদুড় আর পাখিদের আবাস। এলাকার মানুষ বাড়িটির নাম দিয়েছে 'বাদুড় বাড়ি'!

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার মঘাদিয়া ইউনিয়নের ছোট্ট একটি গ্রাম মাস্টারপাড়া। সেখানকার মন্টু বাবুর বাড়িতে গাছে গাছে বাদুড় আর পাখিদের আবাস। বাড়ির মালিক স্থানীয় আবুতোরাব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক নীহার কন্তি রায় জানান, বাদুড়দের জীবনপ্রণালি বড়ই অদ্ভুত। তারা নিজেদের আহার সংগ্রহ ছাড়া কারো ক্ষতি করে না। প্রায় দেড়শ বছর ধরে তারা বাড়ির বিভিন্ন গাছে বাস করছে।

আরও পড়ুন: জাতীয় পাখি দোয়েল কি বিলুপ্তির পথে?

নীহার কান্তি রায়ের সঙ্গে কথা বলে আরও জানা যায়, তার দাদা নন্দ কেরানীর সময় থেকে বাদুড়রা এখানে বাসা বেঁধেছে। পাশাপাশি অন্য পাখিও এখানে নিজেদের নিশ্চিন্ত আবাস গড়ে তুলেছে।

বাড়ির অন্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতিদিন সন্ধ্যা হলেই বাদুড়গুলো আহারের সন্ধানে নেমে পড়ে। ভোর হতে না হতেই তারা আবার নিজেদের নীড়ে ফিরে আসে। এতকাল ধরে কত যে প্রাকৃতিক দুর্যোগ গেছে কিন্তু তারা তাদের আবাস ছেড়ে যায়নি।

এলাকার বাসিন্দা মো. শেখ ফরিদ বলেন, 'দাদার আমল থেকে এখানে বাদুড়ের বসবাস। বাবা দেখেছেন, আমরা দেখছি। প্রজন্মের পর প্রজন্ম বাদুড়ের এই আবাসস্থল দেখছে।'

আরও পড়ুন: গাছ যেভাবে মানুষের উপকার করে

তিনি বলেন, 'গ্রামের ছেলেপেলেরা মাঝে মাঝে বাদুড় আর পাখির বাসা ভাঙার চেষ্টা করে। আমরা তা করতে দিই না। দুর্যোগের সময় বাদুড় অথবা পাখির বাসার ক্ষতি হলে নিজেদের উদ্যোগে মেরামত করে আবাসযোগ্য করে দিই। বাড়ির শতবর্ষী গাছগুলোও কাউকে কাটতে দেওয়া হয় না।'

মিরসরাই উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. জাকিরুল ফরিদ জানান, 'এ অঞ্চলে যেসব বাদুড়ের দেখা মেলে এগুলোর প্রচলিত নাম ভারতীয় উড়ন্ত বাদুড়। মন্টু বাবুর বাড়ির গাছ-গাছালি তাদের নিরাপদ আশ্রয় ভেবে দীর্ঘকাল এখানে আবাস গড়ে তুলেছে।'

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

ভারতীয় ইলিশ ‘দেশি’ বলে বিক্রি, যশোরে আড়তদারকে জরিমানা

যশোর বড়বাজারে ভারতীয় ইলিশ দেশি বলে বিক্রির অভিযোগে এক আড়তদারকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

সমকাল১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

কুয়াকাটায় ২ কেজি ১০০ গ্রামের ইলিশ বিক্রি হলো ৭ হাজার ২০০ টাকায়

কুয়াকাটার আড়তে নিলামে ওঠা একটি ইলিশ কেজিপ্রতি ৩ হাজার ৬২৫ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে; বড় ইলিশ কমে যাওয়ার কারণ নিয়ে সতর্ক করছেন গবেষকরা।

সমকাল১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

বরিশালে ইলিশের সরবরাহ দ্বিগুণ, মণে কমেছে ২০ হাজার টাকা

দীর্ঘদিনের চড়া দামের পর বরিশালের বাজারে ইলিশের দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। গত কয়েক দিনে মোকামগুলোতে ইলিশের সরবরাহও প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। এর প্রভাবে পাইকারি বাজারে মণপ্রতি দাম কমেছে সর্বোচ্চ প্রায় ২০ হাজার টাকা।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৪ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()