সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩২°ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৬৫%বাতাস ১২ কিমি/ঘবৃষ্টি ১.৫ মিমি

কোরবানির মাঠ কাঁপাতে প্রস্তুত ‘জায়েদ খান’

পেশায় তিনি একজন ব্যস্ত আইনজীবী। আদালতের কাঠগড়া আর আইনি নথিপত্রের বাইরে তার আরেকটি ভিন্ন জগৎ রয়েছে, যেখানে তিনি একজন সফল খামারি। শখের বশে পরিত্যক্ত জমিকে কাজে লাগিয়ে তিনি গড়ে তুলেছেন এক বিশাল কৃষি সাম্রাজ্য। সেখানে মাছ, কবুতর আর নানা ধরনের ফসলের পাশাপাশি রয়েছে গরুর খামার। দীর্ঘ ২৫-৩০ বছর ধরে পর

মৎস্য

পেশায় তিনি একজন ব্যস্ত আইনজীবী। আদালতের কাঠগড়া আর আইনি নথিপত্রের বাইরে তার আরেকটি ভিন্ন জগৎ রয়েছে, যেখানে তিনি একজন সফল খামারি। শখের বশে পরিত্যক্ত জমিকে কাজে লাগিয়ে তিনি গড়ে তুলেছেন এক বিশাল কৃষি সাম্রাজ্য। সেখানে মাছ, কবুতর আর নানা ধরনের ফসলের পাশাপাশি রয়েছে গরুর খামার। দীর্ঘ ২৫-৩০ বছর ধরে পরম মমতায় ঈদুল আজহা বা কোরবানির জন্য পশু প্রস্তুত করে আসছেন তিনি। তবে এবারের ঈদে তার খামারের সব আকর্ষণ যেন কেড়ে নিয়েছে বিশাল আকৃতির এক ষাঁড়। আদর করে যার নাম রাখা হয়েছে 'জায়েদ খান'।

লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার দৌলজোর এলাকার আইনজীবী মজমুল প্রামাণিকের খামারটিতে গেলে চোখে পড়বে এই নজরকাড়া ষাঁড়টি। আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে লালমনিরহাট জেলায় এখন পর্যন্ত এটিকেই সবচেয়ে বড় আকারের গরু বলে দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সাদা ও কালো রঙের নজরকাড়া মিশ্রণ তার শরীরে। বার্মা জাতের এই ষাঁড়টি দেখতে যেমন সুদর্শন, স্বভাবে ঠিক ততটাই রাগী। ফিতা দিয়ে মেপে দেখা গেছে, ষাঁড়টির উচ্চতা প্রায় সাড়ে ৫ ফুট ও লম্বায় এটি ৯ ফুট। আর বুকের মাপ বা পেটের ঘের দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ ফুটের কাছাকাছি। বিশাল এই শরীর নিয়ে যখন ষাঁড়টি দাঁড়িয়ে থাকে, তখন এক নজর দেখার জন্য অনেকেই ভিড় জমান। এখন পর্যন্ত ওজন স্কেলে মাপা না হলেও, খামারে আসা অভিজ্ঞ গরুর ব্যাপারী ও পাইকাররা ষাঁড়টির আকার দেখে ধারণা করছেন, এটি জবাই করলে অনায়াসেই ২৬ থেকে ২৭ মণ নিট মাংস পাওয়া যাবে।

অন্য একটি প্রজাতির গরুর সঙ্গে উন্নত জাতের বীজ দিয়ে কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে জন্ম নেওয়া এই বার্মা জাতের ষাঁড়টিকে যত্নসহকারে বড় করা হয়েছে। গত সাড়ে পাঁচ বছর ধরে সম্পূর্ণ দেশীয় ও প্রাকৃতিক উপায়ে এটিকে লালন-পালন করা হচ্ছে। ক্ষতিকর কোনো ওষুধের ব্যবহার ছাড়াই পুষ্টিকর খাবার দিয়ে তাকে এই পর্যায়ে আনা হয়েছে।

গরুটির বিশাল দেহের কারণে তার খাবারের চাহিদাও প্রচুর। দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় রয়েছে উচ্চ পুষ্টিগুণ সম্পন্ন দানাদার ফিড, গমের ভুসি, সবুজ কাঁচা ঘাস এবং খড়। একবেলাতেই তার তিন কেজি দানাদার খাবারের প্রয়োজন হয়। ষাড় 'জায়েদ খান'র সার্বক্ষণিক পরিচর্যা ও দেখভালের জন্য খামারে দুজন অভিজ্ঞ মানুষ নিয়োজিত রয়েছেন।

খামারটিতে আরও নানা প্রজাতির গরু থাকলেও এবারের কোরবানিতে বিক্রির জন্য শুধুমাত্র এই একটি গরুই প্রস্তুত করা হয়েছে। বিশাল এই ষাঁড়টির দাম হাঁকানো হচ্ছে ১২ লাখ টাকা। তবে ক্রেতাদের এটি কিনতে হলে সরাসরি খামারে আসতে হবে, কারণ গরুটি কোনো পশুর হাটে তোলা হবে না।

গরুটির মূল দেখভালের দায়িত্বে থাকা নবুর আলী বলেন, সাড়ে পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে এই ষাঁড়টিকে আমরা নিজের সন্তানের মতো লালন-পালন করছি। শখ করে খামারের সবাই মিলে এর নাম দিয়েছি 'জায়েদ খান'। বার্মা প্রজাতির এই গরুর আকার যেমন বড়, তেমনি খাদ্যের চাহিদাও প্রচুর। আমরা এবার এর দাম চাচ্ছি ১২ লাখ টাকার মতো।

তিনি আরও বলেন, এত বিশাল ও ভারি গরু হাটে তুলতে গেলে যেকোনো সময় আঘাতপ্রাপ্ত হতে পারে। তাছাড়া গরমে ও ভিড়ে গরুটি ক্লান্ত হয়ে শুকিয়েও যেতে পারে। তাই কেউ যদি এটি কিনতে চান, তবে তাকে আমাদের খামারেই আসতে হবে।

খামারের স্বত্বাধিকারী আইনজীবী মজমুল প্রামাণিক বেশ গর্বের সঙ্গে বলেন, আমাদের খামারে এমনিতেই অনেক গরু থাকে। তবে এবারের আয়োজনে 'জায়েদ খান' সবার চেয়ে আলাদা ও খুবই আকর্ষণীয়। পাইকারদের মতে, এতে ২৬ থেকে ২৭ মণ মাংস হবে। এবারের কোরবানির ঈদে আমরা এই গরুটিকে বিশেষভাবে প্রস্তুত করেছি।

তিনি আরও বলেন, আমরা প্রবলভাবে আশাবাদী যে, পুরো লালমনিরহাট জেলার মধ্যে আকৃতি ও ওজনের দিক থেকে এটিই এবার সেরা ও সবচেয়ে বড় গরু।

ঈদুল আজহা যতই ঘনিয়ে আসছে, আদিতমারীর দৌলজোর এলাকার এই 'জায়েদ খান'কে ঘিরে ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের কৌতূহল বাড়ছে। দেখার অপেক্ষা, ১২ লাখ টাকা মূল্যের এই বিশাল ষাঁড়টি শেষ পর্যন্ত কার কোরবানির সঙ্গী হয়।

মহসীন ইসলাম শাওন/এমএন/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

ভারতীয় ইলিশ ‘দেশি’ বলে বিক্রি, যশোরে আড়তদারকে জরিমানা

যশোর বড়বাজারে ভারতীয় ইলিশ দেশি বলে বিক্রির অভিযোগে এক আড়তদারকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

সমকাল১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

কুয়াকাটায় ২ কেজি ১০০ গ্রামের ইলিশ বিক্রি হলো ৭ হাজার ২০০ টাকায়

কুয়াকাটার আড়তে নিলামে ওঠা একটি ইলিশ কেজিপ্রতি ৩ হাজার ৬২৫ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে; বড় ইলিশ কমে যাওয়ার কারণ নিয়ে সতর্ক করছেন গবেষকরা।

সমকাল১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

বরিশালে ইলিশের সরবরাহ দ্বিগুণ, মণে কমেছে ২০ হাজার টাকা

দীর্ঘদিনের চড়া দামের পর বরিশালের বাজারে ইলিশের দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। গত কয়েক দিনে মোকামগুলোতে ইলিশের সরবরাহও প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। এর প্রভাবে পাইকারি বাজারে মণপ্রতি দাম কমেছে সর্বোচ্চ প্রায় ২০ হাজার টাকা।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৪ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()