সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৫°বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৯৫%বাতাস কিমি/ঘবৃষ্টি ০.৭ মিমি

টাঙ্গাইলে সাত মাসে সাপের কামড়ের শিকার ৫৩৫ জন

টাঙ্গাইলে বাড়ছে সাপে কাটা রোগীর সংখ্যা। গত সাত মাসে জেলায় সাপের কামড়ে ৫৩৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে উন্নত চিকিৎসার জন্য ৭২ জন রোগীকে বিভিন্ন হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। বাকি ৪৬১ জন হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এ সময়ে সাপের কামড়ে জেলায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে।

পরিবেশ

টাঙ্গাইলে বাড়ছে সাপে কাটা রোগীর সংখ্যা। গত সাত মাসে জেলায় সাপের কামড়ে ৫৩৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে উন্নত চিকিৎসার জন্য ৭২ জন রোগীকে বিভিন্ন হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। বাকি ৪৬১ জন হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এ সময়ে সাপের কামড়ে জেলায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে।

টাঙ্গাইল সিভিল সার্জন অফিস সূত্র জানায়, সাত মাসে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৭৫ জন, জেনারেল হাসপাতালে ১২২ জন, মির্জাপুরের কুমুদিনী হাসপাতালে ৬৪ জন, দেলদুয়ার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৪ জন, ধনবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২১ জন, ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৫ জন, বাসাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ জন, নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৮ জন, মিজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২৩ জন, সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৯৮ জন, কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৭, ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২৩ জন, মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩৮ জন এবং গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৭ জন ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে উন্নত চিকিৎসার জন্য ৭২ জনকে স্থানান্তর করা হয়।

একই সময়ে সাপের ছোবলে আহত রোগীদের মধ্যে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৭৩ জন, জেনারেল হাসপাতালের ১২২ জন, কুমুদিনী হাসপাতালের ৬৪ জন, নাগরপুরে ১৬ জন, দেলদুয়ারে ৪ জন, বাসাইলে ৬ জন, মির্জাপুরে ২২ জন, সখীপুরে ৮১ জন, কালিহাতীতে ৪ জন, ঘাটাইলে ১০ জন, ভূঞাপুরে ১২ জন, গোপালপুরে ১৬ জন, মধুপুরে ২৯ জন এবং ধনবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দুজন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।

এ সময়ে সাপের ছোবলে আহত হয়ে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হওয়া দুজন রোগী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তারা হলেন, নাগরপুর উপজেলার মন্টুর স্ত্রী আসমা খাতুন ও ভূঞাপুর উপজেলার আমিনুর রহমান। তাদের মধ্যে আমিনুর রহমানকে অ্যান্টিভেনম ইনজেকশন দেওয়া হলেও তিনি মারা যান।

সাপের ছোবলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া আসমা খাতুনের মেয়ে হামিদা খাতুন বলেন, 'আমার মাকে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চলতি বছরের ১১ জুন ভর্তি করি। ভর্তির পরপর কর্তব্যরত চিকিৎসক ভ্যাকসিন ইনজেকশন দেওয়ার জন্য একটি কাগজে দ্রুত অ্যান্টিভেনম এনে দেওয়ার জন্য লিখে দেন। ভ্যাকসিন ইনজেকশনটি বাইরে থেকে কিনে এনে দিলে চিকিৎসক পুশ করে এবং তার মাকে স্যালাইন দেয়। এর কিছুক্ষণের মধ্যে তিনি মারা যান।'

একই মাসে ভূঞাপুর উপজেলার আমিনুর রহমানকে হাসপাতালে ভর্তি করে দুই ঘণ্টা পর অ্যান্টিভেনম ইনজেকশন পুশ করার প্রস্তুতির কালে তিনি মারা যান। আমিনুর রহমানের বোনের স্বামী পারভেজ বলেন, 'সাপের ছোবলে আহতাবস্থায় আমিনুর রহমানকে টাঙ্গাইল মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভর্তির ২ ঘণ্টা পর চিকিৎসকরা জানান সেখানে অ্যান্টিভেনম নেই। অ্যান্টিভেনম না থাকায় বাইরে থেকে কিনে আনতে পরামর্শ দেন। বাইরে থেকে অ্যান্টিভেনম কিনে এনে দিলেও আমিনুর রহমানকে বাঁচানো যায়নি।'

তিনি আরও বলেন, 'হাসপাতালে দুজন চিকিৎসক অ্যান্টিভেনম ইনজেকশন নিয়ে সিন্ডিকেটে জড়িত। হাসপাতালে অ্যান্টিভেনম থাকলেও রোগীদের বাহির থেকে কিনে আনতে বলে। চিকিৎসক শাহরিয়া রহমান একটি কাগজে অ্যান্টিভেনম রোগী ভর্তির দুই ঘণ্টা পরে লিখে দিয়ে বলেন দ্রুত নিয়ে আসেন। যথারীতি ঠিকানা অনুযায়ী সেখানে দেখতে পান একই হাসপাতালের চিকিৎসক আতিকুর রহমান। তার কাছ থেকে অ্যান্টিভেনম ১৪ হাজার টাকা দাম মিটায়। ২০০০ হাজার টাকা নগদ দিয়ে বাকি ১২ হাজার টাকা রেখে আসেন। ইনজেকশন নিয়ে আসার পর চিকিৎসক অ্যান্টিভেনম মিকচার করে পুশ করা অবস্থায় রোগীকে মৃত ঘোষণা করে।'

এ বিষয়ে চিকিৎসক আতিকুর রহমান বলেন, 'আমার নিজের প্রয়োজনে ইনসেপ্টা কোম্পানির দুটি ইনজেকশন ফার্মেসিতে রেখে দিয়েছিলাম। কখন কার বিপদ আসে সেটাকে মোকাবেলা করাতে আমার রাখা।'

টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. আব্দুস কদ্দুছ বলেন, 'হাসপাতালে বর্তমানে পর্যাপ্ত পরিমাণে অ্যান্টিভেনম রয়েছে। এছাড়াও অ্যান্টিভেনম নিয়ে কোনো চিকিৎসক রোগীকে বিভ্রান্ত করার কথা নয়।'

এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. ফরাজী মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম মঞ্জু বলেন, 'সর্প দংশনের প্রতিষেধক জেলায় ১৩ হাসপাতালে ৩৪৫টি রয়েছে। আশা করছি এর সংকট হবে না।'

আব্দুল্লাহ আল নোমান/আরএইচ/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

জৈব

ঘাসের বোর্ড বানানো Plantd কারখানার বর্জ্য থেকে বায়োচার বানিয়ে বিক্রি করছে চাষিদের কাছে

নর্থ ক্যারোলাইনার নির্মাণসামগ্রী প্রতিষ্ঠান Plantd, যাদের উদ্বৃত্ত ঘাসের জৈববস্তু সরাতে মাসে ১৩ হাজার ডলার খরচ হচ্ছিল, সেই বর্জ্য থেকে বায়োচার তৈরির একটি পণ্যলাইন চালু করেছে এবং মাটির উন্নয়ন উপকরণ হিসেবে চাষিদের কাছে বিক্রি করছে।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৭ আগস্ট ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

বাতাস ও পানি থেকে এক অনুঘটকে অ্যামোনিয়া বানাতে চায় অস্ট্রেলিয়ার Facet Amtech

নাইট্রোজেন সারের মূল উপাদান অ্যামোনিয়া আলাদা হাইড্রোজেন প্ল্যান্ট ছাড়াই সরাসরি বাতাস ও পানি থেকে তৈরির অনুঘটক পাইলট করতে Facet Amtech ৩০ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলারের সিড বিনিয়োগ তুলেছে; তাদের লক্ষ্য কার্বন মূল্য ছাড়াই খরচে জীবাশ্মভিত্তিক অ্যামোনিয়াকে হারানো।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৬ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
জৈব

সিলিকেট পাথরকে এক মৌসুমে গলা কার্বন-শোষক সারে বদলাতে ৫৪ লাখ ডলার তুলল Mafix

Stanford থেকে বেরিয়ে আসা Mafix ৫৪ লাখ ডলারের প্রি-সিড বিনিয়োগ তুলেছে সিমেন্ট চুল্লিতে চুনাপাথরের সঙ্গে সিলিকেট পাথর গরম করে এমন একটি খনিজ বানাতে, যা খেতে এক মৌসুমেই ক্ষয়ে যায়, কার্বন ডাই-অক্সাইড অপসারণ করে এবং উদ্ভিদের গ্রহণযোগ্য সিলিকন ও ক্ষারত্ব জোগায়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২০ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()