বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের তথ্যমতে, দেশে ৪১টি জেলার ৯০টি উপজেলায় মোট ১৫০ জনেরও অধিক প্রান্তিক খামারি মুক্তার খামার গড়ে তুলেছেন। এদের অধিকাংশই পুকুরে মাছ চাষের পাশাপাশি বাড়তি আয়ের পথ হিসাবে বেছে নিয়েছেন ঝিনুকে মুক্তা চাষ। পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার ধুলাসার গ্রামের সুজন হাওলাদার বছর তিনের হলো যুক্ত হয়েছেন মুক্তা চাষে।
ঝিনুকের দেহে জেবিক প্রক্রিয়ায় তৈরি ফসল মুক্তা, যার উৎপাদন বিনিয়োগের তুলনায় যথেষ্ঠ লাভজনক হওয়ায় আগ্রহী হয়ে উঠছেন অনেকেই।
কিন্তু বাণিজ্যিকভাবে মুক্তা চাষ করে দেশিয় কিংবা আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার প্রশ্নটি এখন তাদের কাছে সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জিং। এজন্য দরকার মুক্তা চাষের আধুনিক ও সময়োপযোগী প্রযুক্তি বিষয়ে আরোও ভালোমতো জানাবোঝা।
সংশ্লিষ্টদের ধারণা, এ বিষয়ে আরোও সুপরিকল্পিত ও বাস্তবমুখি উদ্যোগ নিলে সৃষ্টি হতে পারে বহু মানুষের কর্মসংস্থান ও অর্থনীতির নতুন সম্ভাবনা।





মন্তব্য
(০)