সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৭ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৯°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬৯%বাতাস ৪ কিমি/ঘ

আখে লাভ, বাড়ছে চাষ

ফটিকছড়ির কুম্ভারপাড়ার চাষি রবিউল আলম। এই মৌসুমে করতেন আমন চাষ। তাতে খরচ উঠলেও লাভের মুখ দেখছিলেন না। তিন বছর ধরে আমন ছেড়ে আখ চাষ করছেন নিজের ৮০ শতক জমিতে। এখন খরচ বাদ দিয়ে এক ম

ফটিকছড়ির কুম্ভারপাড়ার চাষি রবিউল আলম। এই মৌসুমে করতেন আমন চাষ। তাতে খরচ উঠলেও লাভের মুখ দেখছিলেন না। তিন বছর ধরে আমন ছেড়ে আখ চাষ করছেন নিজের ৮০ শতক জমিতে। এখন খরচ বাদ দিয়ে এক মৌসুমেই ৩০ হাজার টাকার বেশি লাভ হচ্ছে তাঁর।

লাভ ভালো হওয়ায় রবিউলের মতো আরও অনেক চাষি এখন আখ চাষে ঝুঁকছেন। উপজেলা কৃষি কার্যালয়ের হিসাবে, পুরো উপজেলায় এখন আখচাষি ১০০ জনের বেশি। পাঁচ বছর আগেও এই সংখ্যা ছিল ২০ থেকে ৩০ জন।

চাষিরা জানান, উপজেলার কুম্ভারপাড়া বিলে প্রতিবছর আমনের চাষ করেন চাষিরা। কয়েক বছর ধরে ধানের দাম না পাওয়ায় তাঁরা বিকল্প ফসল আবাদের চিন্তা করেন। এরই মধ্যে কয়েক মৌসুম থেকে আখের চারা লাগিয়ে চাষ শুরু হয়। চাষের সাফল্য আসায় এখন রোসাংগিরি, সমিতিরহাট, সুয়াবিল, আবদুল্লাহপুর, লেলাং ও দৌলতপুরসহ বিভিন্ন গ্রামে বাড়ছে আখের খেত।

উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্র জানায়, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ৩২ হেক্টর জমিতে আখের চাষ করা হয়েছে। এই হিসাবের বাইরে চাষ হয়েছে আরও ২০ হেক্টর জমিতে। যেখানে গত দুই বছর আগেও ছিল ১৮ হেক্টর আখের খেত। বছর বছর চাষ বাড়ায় কৃষকেরা খুশি।

গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সরেজমিনে কুম্ভারপাড়া বিলে দেখা গেছে, বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে এখন আখ। চাষিরা খেতের এক পাশে চুরি ঠেকাতে পাহারা দিচ্ছেন। কেউ কেউ খেত থেকে আখ কেটে আঁটি করতে ব্যস্ত। খেতেই পাইকারেরা এসে কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।

কথা হয় কুম্ভারপাড়া গ্রামের চাষি মুহাম্মদ আবদুল হালিমের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আশপাশের সব জায়গাতে আখের চাষ হয়েছে। অনেকেই খেত থেকে বিক্রি করছেন। আমিও ১৬ শতকে চাষ করেছি। ফলন ভালো হওয়ায় চড়া দাম পাওয়া যাচ্ছে।’

চাষি মুহাম্মদ রবিউল আলম বলেন, ‘এবার আখের ফলন ভালো হয়েছে। আমি ৮০ শতকে চাষ করেছি। আমনে খরচ হতো ৫০ হাজার, আখেও একই খরচ। ৪০ হাজার টাকার আখ বর্তমানে বিক্রি করেছি, খেতের সব আখ বিক্রি করে আরও অন্তত ৪০ হাজার টাকা পাওয়া যাবে। গত বছরও এ রকম লাভ হয়েছে।’

চাষিরা বলেন, প্রতি কানিতে (৪০ শতক) খরচ গড়ে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা। প্রতি কানিতে আখের সংখ্যা হয় গড়ে এক হাজার। প্রতিটি আখের বর্তমান দাম ৪০ থেকে ৮০ টাকা। চাষিরা পরিপক্ব আখ তুলে খেতের পাশে জড়ো করছেন। ব্যবসায়ীরা খেত থেকেই আকার অনুযায়ী কিনে নিচ্ছেন।

কিনতে আসা বিবিরহাটের ব্যবসায়ী মুহাম্মদ শাহজাহান বলেন, খেত থেকে তোলা প্রতিটি আখ অনুমান করে দরদাম করা হয়। এরপর সেই আকারের আখ আলাদা করে গাড়িতে করে বাজারে নেওয়া হয়। বড় আকারের প্রতিটির ৬০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লিটন দেবনাথ প্রথম আলোকে বলেন, উপজেলায় গত কয়েক বছরে কৃষকেরা আখ চাষ করে লাভবান হচ্ছেন। আখ চাষ ক্রমে বাড়ছে। তিনি বলেন, দক্ষতা, পরিচর্যা, সঠিকভাবে সার ও কীটনাশক প্রয়োগে আখের ফলন ভালো হয়।

প্রথম আলোসূত্র

ফসল

সম্পর্কিত খবর

ফসল

তিস্তার পানি ওঠানামায় ১৮০ চরের পাকা আমন নিয়ে শঙ্কা, দ্রুত কাটার পরামর্শ

রংপুর, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা ও নীলফামারীর ১৮০টি চরে এবার ২২,৮০০ হেক্টরে আমন হয়েছে, ফলনও ভালো; কিন্তু তোলার আগে পানি বাড়লে নিচু জমির ধান তলিয়ে যাওয়ার ভয়ে কৃষকেরা।

বাসস৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

যশোরে ২২০ হেক্টরে আখ, ২২ কোটি টাকার বেচাকেনার আশা; সারের দামে চাপ

কৃষি বিভাগের লক্ষ্য ২২ হাজার টন; চাষিরা এবার প্রতি পিসে ৫ থেকে ১০ টাকা বেশি পাচ্ছেন, খালধার মোড়ের হাটে দিনে ওঠে প্রায় ১৫ হাজার পিস, তবে সারের সংকটে খরচ বেড়েছে।

দিনাজপুর টিভি৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

খাদ্যের জমি নয়, চর-লবণাক্ত-খরাপ্রবণ জমিতে তুলা চাষ বাড়ানোর নির্দেশ কৃষিমন্ত্রীর

বিশ্ব তুলা দিবসের সেমিনারে মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ২০৩০ সালের মধ্যে ৫ লাখ বেল উৎপাদনের লক্ষ্যে বছরভিত্তিক এলাকা ও কৃষকের হিসাবসহ মহাপরিকল্পনা চেয়েছেন; রঙিন তুলার সম্ভাবনাও যাচাই করতে বলেছেন।

কৃষি সংবাদ৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)