সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৮°বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৮৮%বাতাস কিমি/ঘবৃষ্টি ০.৬ মিমি

পরিযায়ী পাখি শিকার বন্ধে সমন্বিত পদক্ষেপ প্রয়োজন

মুহাম্মদ শফিকুর রহমান

পরিবেশ

মুহাম্মদ শফিকুর রহমান

শীত এলেই দেশে পরিযায়ী পাখি শিকারের রীতিমত উৎসব শুরু হয়। দেশের যেখানেই পরিযায়ী পাখিরা নিজেদের নিরাপদ মনে করে; সেখানেই একদল শিকারি হানা দেয়। পরিযায়ী পাখি হাট-বাজারে প্রকাশ্যে বিক্রি হয়। একদল বিত্তবান আগেই শিকারীদের বলে রাখেন, যেন পরিযায়ী পাখি ধরে তাদের বাসায় পাঠানো হয়। ফলে পাখি বিক্রিতে শিকারীদের বেগ পেতে হয় না।

দেশে প্রচলিত আইনে পরিযায়ী পাখি ধরা ও বিক্রি সম্পূর্ণ নিষেধ। তারপরও অবাধে পরিযায়ী পাখি হত্যা চলছে। গণমাধ্যমে দেখা যায়, কোথায়, কে বা কারা, কখন, কীভাবে পরিযায়ী পাখি শিকার করছেন। এগুলো কোথায় বিক্রি হয়। এ সংক্রান্ত সংবাদ ছাপা হয়। চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: পরিযায়ী পাখির সমাগমে মুখর 'চাতল বিল'

তারপরও স্থানীয় প্রশাসন কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারছে না। প্রশ্ন হলো এ ব্যর্থতার কারণ কী? স্থানীয় প্রশাসন হয়তো পরিযায়ী পাখির বিষয়টি গুরুত্ব দেয় না। আবার গুরুত্ব দিলেও জনবলের অভাবে কাজ করা সম্ভব হয় না। পরিযায়ী পাখির শিকারী ধরা পড়লে তার বিরুদ্বে আইনগত ব্যবস্থা সবল নয়। সামান্য সাজা দেওয়া হয়। এ জন্য কঠোর আইন প্রণয়ন করতে হবে।

প্রত্যন্ত অঞ্চলে পরিযায়ী পাখি ধরা হয়। জায়গাগুলো দুর্গম। খবর পেয়ে পুলিশ যেতে যেতে শিকারীরা পালিয়ে যায়। এ জন্য যেসব জায়গায় পরিযায়ী পাখি ধরা হয়; সেসব জায়গার সচেতন নাগরিকদেরই ব্যবস্থা নিতে হবে। তারাই গড়ে তুলতে পারেন পাখির শিকার বন্ধে কঠোর আন্দোলন।

আরও পড়ুন: শীতকালে পোষা পাখির যত্নে করণীয়

স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো এ ক্ষেত্রে এগিয়ে আসতে পারে। কমিটি করে কাজ করতে পারে। নিতে পারে স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তা। শুধু পুলিশের পক্ষে শিকার ঠেকানো সম্ভব নয়। পরিযায়ী পাখির নিরাপত্তায় সমন্বিত পদক্ষেপ প্রয়োজন। বিচ্ছিন্নভাবে কাজ করলে সফলতা আসবে কমই।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে সভাপতি, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে সাধারণ সম্পাদক করে স্থানীয় সাংবাদিক, সমাজকর্মী, স্বেচ্ছাসেবী, প্রধান শিক্ষক, সংস্কৃতিকর্মী এবং ইমামদের নিয়ে কমিটি গঠন করে কাজ করা সম্ভব। স্থানীয় জনগণ তাদের এলাকা পাখি শিকারমুক্ত করেছেন, এমন ঘটনা অনেক আছে। তাই সবাই মিলে কাজ করলে পরিযায়ী পাখিসহ সব ধরনের পাখি শিকার বন্ধ করা সম্ভব।

লেখক: পরিবেশ-প্রকৃতি বিষয়ক লেখক।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

পদ্মার পানি নামছে, দৌলতপুরে শুরু হয়েছে খাওয়ার পানির সংকট

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে তিন দিনে পদ্মার পানি ১৫ সেন্টিমিটার কমলেও প্রায় ৫০ হাজার মানুষ এখনও পানিবন্দি, আর হাজার হেক্টরের বেশি জমির ফসল নষ্ট হয়েছে।

সমকাল১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

বাঁশের ওপর টিকে থাকা পান্ডা কেন কেবল চীনেই মেলে

একটি পূর্ণবয়স্ক জায়ান্ট পান্ডাকে দিনে ১২ থেকে ৩৮ কেজি পর্যন্ত বাঁশ খেতে হয়, আর বাঁশবন ধ্বংস হলেই তার অস্তিত্ব সরাসরি হুমকিতে পড়ে।

বিবিসি বাংলা১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()