সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩৪°ভারী বৃষ্টিআর্দ্রতা ৫৭%বাতাস কিমি/ঘবৃষ্টি ১.৫ মিমি

চিনির বিকল্প ‘স্টিভিয়া’, লাভজনক ফসলের নতুন দিগন্ত

স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মানুষের খাদ্যাভ্যাসে আসছে বড় পরিবর্তন। ডায়াবেটিস ও স্থূলতার ঝুঁকি এড়াতে মানুষ এখন চিনির প্রাকৃতিক ও নিরাপদ বিকল্প খুঁজছেন। এই চাহিদাকে কেন্দ্র করে লালমনিরহাটে শুরু হয়েছে 'স্টিভিয়া' বা 'চিনি পাতা'র বাণিজ্যিক চাষ। কম খরচে ও সম্পূর্ণ জৈব পদ্ধতিতে চাষযোগ্য এই ভেষজ উ

জৈব

স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মানুষের খাদ্যাভ্যাসে আসছে বড় পরিবর্তন। ডায়াবেটিস ও স্থূলতার ঝুঁকি এড়াতে মানুষ এখন চিনির প্রাকৃতিক ও নিরাপদ বিকল্প খুঁজছেন। এই চাহিদাকে কেন্দ্র করে লালমনিরহাটে শুরু হয়েছে 'স্টিভিয়া' বা 'চিনি পাতা'র বাণিজ্যিক চাষ। কম খরচে ও সম্পূর্ণ জৈব পদ্ধতিতে চাষযোগ্য এই ভেষজ উদ্ভিদটি কৃষির নতুন এক অর্থকরী ফসল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে।

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম এলাকায় এই চাষাবাদে সফলতা পেয়েছেন স্থানীয় কৃষক আব্দুল আলিম। তার দেখানো পথে অনেকেই এখন এই 'মধু পাতা' চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।

গবেষকদের মতে, স্টিভিয়া গাছের শুকনো পাতা সাধারণ চিনির চেয়ে বহুগুণ মিষ্টি। এক কেজি শুকনো পাতা প্রায় ৪০ কেজি চিনির মিষ্টতার সমান কাজ করে। প্রক্রিয়াজাত করে পাউডার বানালে তা চিনির চেয়ে ৫০-৬০ গুণ এবং নির্যাস তৈরি করলে ৩০০ থেকে ৪০০ গুণ পর্যন্ত বেশি মিষ্টি হয়। চা, কফি, পায়েস কিংবা যে কোনো মিষ্টি খাবারে চিনির স্বাস্থ্যসম্মত বিকল্প হিসেবে এটি ব্যবহার করা যায়। এতে ক্যালরি না থাকায় ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি সম্পূর্ণ নিরাপদ।

দহগ্রামের সফল উদ্যোক্তা ও 'দহগ্রাম এগ্রো ফার্ম' এর স্বত্বাধিকারী আব্দুল আলিম জানান, এক শিক্ষকের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে স্টিভিয়া পাউডার খুঁজতে গিয়ে তিনি ভারতে যান। সেখানে এই ফসলের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা দেখে তিনি অনুপ্রাণিত হন এবং দেশে ফেরার সময় কিছু চারা নিয়ে আসেন। বর্তমানে তিনি ১২ শতাংশ জমিতে স্টিভিয়া চাষ করছেন। তিনি বলেন, আমি এখন নিজেই চারা উৎপাদন করছি। আমার খামারে দুজন শ্রমিকের কর্মসংস্থানও হয়েছে। আমার কাছ থেকে চারা কিনে অনেকেই এখন স্টিভিয়া চাষে ঝুঁকছেন।

আব্দুল আলিম জানান, স্টিভিয়া চাষে খরচ তুলনামূলক কম। রাসায়নিক সারের পরিবর্তে শুধুমাত্র জৈব সার ব্যবহার করে তিনি ৪৫ দিন পরপর প্রায় ২৫ কেজি শুকনো পাতা সংগ্রহ করেন। মাত্র ১২ শতাংশ জমি থেকে তিনি মাসে প্রায় ৫০ হাজার টাকা আয় করছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, স্টিভিয়া চাষে রাসায়নিক সার ব্যবহার করলে গাছ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, তাই জৈব সারই এর জন্য সবচেয়ে উপযোগী। হেক্টরপ্রতি এই ফসল থেকে বছরে ৬ থেকে ৮ লাখ টাকা আয় করা সম্ভব।

লালমনিরহাটের আবহাওয়া ও মাটি স্টিভিয়া চাষের জন্য বেশ উপযোগী বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ। এটি কৃষকদের জন্য একটি লাভজনক এবং আগামীর সম্ভাবনাময় ফসল।

লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. সাইখুল আরিফিন বলেন, নতুন উচ্চমূল্যের ফসল হিসেবে স্টিভিয়াকে জনপ্রিয় করতে আমরা কাজ করছি। নতুন উদ্যোক্তাদের কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি একটি নিরাপদ ও কার্যকর বিকল্প হতে পারে।

এমআইএসএন/এমআইএইচ

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

জৈব

সম্পর্কিত খবর

ফল

বাংলাদেশে ত্বীন ফলের বাণিজ্যিক চাষের সম্ভাবনা কেমন?

বাংলাদেশ কৃষিখাতে বিশ্বের দরবারে গৌরবোজ্জ্বল ও ঈর্ষণীয় অবস্থান তৈরি করেছে। বাংলাদেশে ব্যাপক ত্বীন বা ডুমুর চাষাবাদের ফলে বিকল্প আরেকটি সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এসব ফলকে কেউ কেউ ফার্মফ্রেশ বা অর্গানিক বাগান নামে পরিচয় দেন। অনেক ক্ষেত্রে এসব স্থানে এগ্রো ট্যুরিজমও গড়ে উঠেছে। এসব বাগানে অনেক প্রকৃতির এক্সো

জাগো নিউজ ২৪৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬৪ মিনিটের পড়া
জৈব

চরাঞ্চলে যে পদ্ধতিতে মসলার উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব

বাংলাদেশে পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, ধলেশ্বরী ইত্যাদি নদীর তীরে প্রায় ৮.৩ লাখ হেক্টর চর আছে। যার প্রায় ৫.২-৭.৯ লাখ হেক্টর চাষযোগ্য। এ দেশের চরাঞ্চলে প্রায় ৬৫ লাখ লোক বসবাস করেন। চরের জমিতে পুষ্টি উপাদান এবং জৈব পদার্থের ঘাটতি থাকে। বাংলাদেশে লবণাক্ততা মুক্ত চরাঞ্চলগুলো হলো কুড়িগ্রাম,

জাগো নিউজ ২৪৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

আরবা মিনচে ইথিওপীয় গবেষকদের শেখানো হলো ভারতের জলবিভাজিকা পদ্ধতি

আরবা মিনচে চার দিন ধরে ২৮ জন ইথিওপীয় গবেষক, মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও এনজিওকর্মী আইসিএআর ও আইসিআরআইস্যাটের বিজ্ঞানীদের কাছ থেকে শিখেছেন ভূদৃশ্যভিত্তিক প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা; শ্রেণিকক্ষের পাঠের সঙ্গে ছিল জিআইজেড-সমর্থিত একটি ক্ষুদ্র জলবিভাজিকা পরিদর্শন।

CGIAR১ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()