সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৮%বাতাস ১৪ কিমি/ঘ

সবুজের ঢেউ তোলা বরইচাড়া গ্রাম

শীতল হাওয়ার দোলায় গমগম করছে বরইচাড়া গ্রামের গম ক্ষেত। যেন এক অনন্ত সবুজের সমুদ্র, ঢেউয়ের বদলে বাতাসে দোল খাচ্ছে গমের শীষ। আকাশের নীল রঙে মিশে থাকা এই মাঠ যেন প্রকৃতির আঁকা এক নিখুঁত চিত্রকর্ম। দূরে কোথাও একটা বক উড়ছে, কোথাও আবার চড়ুইদের কলরব। এই গ্রামের গম ক্ষেত শুধু ফসলের ক্ষেত নয় বরং প্রকৃতির এক অ

পরিবেশ

শীতল হাওয়ার দোলায় গমগম করছে বরইচাড়া গ্রামের গম ক্ষেত। যেন এক অনন্ত সবুজের সমুদ্র, ঢেউয়ের বদলে বাতাসে দোল খাচ্ছে গমের শীষ। আকাশের নীল রঙে মিশে থাকা এই মাঠ যেন প্রকৃতির আঁকা এক নিখুঁত চিত্রকর্ম। দূরে কোথাও একটা বক উড়ছে, কোথাও আবার চড়ুইদের কলরব। এই গ্রামের গম ক্ষেত শুধু ফসলের ক্ষেত নয় বরং প্রকৃতির এক অনন্য আশ্রয়। যেখানে প্রশান্তি মেলে প্রতিটি নিঃশ্বাসে।

বরইচাড়ার গম ক্ষেত মানেই মুক্ত বাতাস। দিগন্তজোড়া সবুজ আর নিস্তব্ধ প্রকৃতির মাঝে অদ্ভুত মায়াবী সৌন্দর্য। সকালে সূর্যের প্রথম আলো যখন নরম সোনালি ছাপ ফেলে; তখন এই মাঠের সৌন্দর্য দ্বিগুণ হয়ে যায়। শিশির ভেজা গমের পাতায় রোদ পড়ে ঝলমল করে ওঠে আর বাতাসে মৃদু দুলতে থাকে ফসলের শরীর। মনে হয়, প্রকৃতি নিজ হাতে সাজিয়ে রেখেছে এই শস্যভূমি। যেন এক স্বর্গীয় অনুভূতি ছড়িয়ে দেয় চারদিকে।

এখানে পরিবেশ সব সময়ই মায়াবী। দিনের বেলায় রোদের তেজও যেন নরম হয়ে আসে গম ক্ষেতের সবুজ আচ্ছাদনে। বিকেল নামলে হালকা ঠান্ডা হাওয়া বয়ে যায় মাঠজুড়ে। বাতাসে গমের গন্ধ মিশে থাকে, যেন প্রকৃতির এক অনন্য সুগন্ধি। গাঁয়ের মানুষেরা গম ক্ষেতে কাজের ফাঁকে কিছু সময় জিরিয়ে নেয়, বাতাসে চোখ বুজে প্রশান্তি খোঁজে। কেউ কেউ ক্ষেতের পাশে বসে গল্পে মেতে ওঠেন। কেউবা পথ ধরে ধীরে ধীরে হেঁটে যান দূর গ্রামের দিকে।

এমন আবহাওয়ায় বরইচাড়ার গম ক্ষেত যেন প্রকৃতির কোলে এক নিখুঁত অবসরস্থল। সন্ধ্যার পর যখন মাঠের ওপরে নক্ষত্রেরা ভিড় জমায়; তখন মনে হয় পুরো আকাশটাই যেন এই গম ক্ষেতের প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেছে। নীরবতা ভেঙে মাঝেমধ্যে শুনতে পাওয়া যায় ঝিঁঝি পোকার ডাক। যা এই নিস্তব্ধতার মাঝে এক মধুর সুর তোলে।

গম ক্ষেতের সৌন্দর্য শুধু প্রকৃতির শোভায় নয় বরং এখানকার মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গেও ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। বরইচাড়ার কৃষকেরা দিনের পর দিন পরিশ্রম করে এই ফসল ফলান। এই মাঠই তাদের জীবনের মূল অবলম্বন। গম পাকার সময় এলে পুরো গ্রাম যেন উৎসবে মেতে ওঠে। কৃষকের ঘামে ভেজা এই মাটি শুধু শস্যই জন্ম দেয় না বরং জীবনযাত্রার এক চিরন্তন গল্পও বলে।

নগরজীবনের কোলাহল থেকে দূরে কুষ্টিয়ার খোকসা থানার বরইচাড়া গ্রামের এই গম ক্ষেত যেন প্রকৃতির এক নিঃশব্দ আহ্বান। এখানে এলে সময় ধীর হয়ে যায়, মন প্রশান্ত হয় আর জীবনের সত্যিকারের সৌন্দর্য উপলব্ধি করা যায়।

তাই যারা প্রকৃতির মাঝে কিছুটা সময় উপভোগ করতে চান, তারা একবার বরইচাড়ার গম ক্ষেতের সবুজের রাজ্যে এসে দাঁড়ান। বাতাসের মৃদু শীতল স্পর্শ আর ধানের গন্ধ আপনাকে নতুন এক প্রশান্তির জগতে নিয়ে যাবে। যেখানে শুধুই রয়েছে সবুজ, মুক্তি আর নীরবতার এক মধুর সুর। শুধু বরইচাড়া নয়, বাংলাদেশের বিভিন্ন গ্রামেই ছড়িয়ে আছে এমন মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্য। যে কেউ চাইলে দেশের যে কোনো প্রান্তে এমন সবুজের রাজ্যে হারিয়ে গিয়ে প্রকৃতির অকৃত্রিম শোভা উপভোগ করতে পারেন।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

জৈব

ঘাসের বোর্ড বানানো Plantd কারখানার বর্জ্য থেকে বায়োচার বানিয়ে বিক্রি করছে চাষিদের কাছে

নর্থ ক্যারোলাইনার নির্মাণসামগ্রী প্রতিষ্ঠান Plantd, যাদের উদ্বৃত্ত ঘাসের জৈববস্তু সরাতে মাসে ১৩ হাজার ডলার খরচ হচ্ছিল, সেই বর্জ্য থেকে বায়োচার তৈরির একটি পণ্যলাইন চালু করেছে এবং মাটির উন্নয়ন উপকরণ হিসেবে চাষিদের কাছে বিক্রি করছে।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৭ আগস্ট ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

বাতাস ও পানি থেকে এক অনুঘটকে অ্যামোনিয়া বানাতে চায় অস্ট্রেলিয়ার Facet Amtech

নাইট্রোজেন সারের মূল উপাদান অ্যামোনিয়া আলাদা হাইড্রোজেন প্ল্যান্ট ছাড়াই সরাসরি বাতাস ও পানি থেকে তৈরির অনুঘটক পাইলট করতে Facet Amtech ৩০ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলারের সিড বিনিয়োগ তুলেছে; তাদের লক্ষ্য কার্বন মূল্য ছাড়াই খরচে জীবাশ্মভিত্তিক অ্যামোনিয়াকে হারানো।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৬ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
জৈব

সিলিকেট পাথরকে এক মৌসুমে গলা কার্বন-শোষক সারে বদলাতে ৫৪ লাখ ডলার তুলল Mafix

Stanford থেকে বেরিয়ে আসা Mafix ৫৪ লাখ ডলারের প্রি-সিড বিনিয়োগ তুলেছে সিমেন্ট চুল্লিতে চুনাপাথরের সঙ্গে সিলিকেট পাথর গরম করে এমন একটি খনিজ বানাতে, যা খেতে এক মৌসুমেই ক্ষয়ে যায়, কার্বন ডাই-অক্সাইড অপসারণ করে এবং উদ্ভিদের গ্রহণযোগ্য সিলিকন ও ক্ষারত্ব জোগায়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২০ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()